২০০৩ সালে স্কুলের নুরুল কবির স্যার একে একে জিঙ্গেস করতেছিলেন, কার কি কি হবি? মাই হবি'গুলো ছিল এমন!
.
-কুদ্দুস আলীর হবি ছিল বাগান করা
-রহিম মিয়ার হবি ছিল ডাকটিকেট সংগ্রহ
-করিম মিয়ার হবি ছিল বই পড়া
.
মাঝখান থেকে দুষ্টু বন্ধু পিন্টু ঘোষ বলে উঠল তার হবি লাভ লেটার লেখা
.
কিন্তু যখন স্যার পড়া নিতে আসল, সবার 'মাই হবি" হয়ে গেল গার্ডেনিং(বাগান করা),
.
ব্যাপারটা 'এইম এন লাইফ' ডাক্তার/ ইঞ্জিনিয়ার লিখার মত, ২০০৫ এ ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সময় 'My Aim in life' কম্প্রিহেনসনে ডাক্তার লিখেছিলাম, কারণ মাই এইম ইন লাইফ ব্যাংকার/মার্চেন্ডাইজার লিখা কোন ইংলিশ রচনা মুখস্ত করার জন্য কোথাও পেতাম না! কামর্সের সবাই ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার লিখে পুরোদমে পাস! কেউ কেউ এ+
.
ইহা হলো আমাদের শিক্ষিত হওয়ার কাহিনীর খন্ডাংশ, বড়ই বিচিত্র! সেলুকাস!
.
প্রসঙ্গে ফিরে আসি
.
বর্তমান যুগের ছেলেদের যদি 'মাই হবি' জিঙ্গেস করি কি উত্তর দিবে তারা?
.
কুদ্দুস আলী জুনিয়র, " মাই হবি ইজ ফেসবুকিং!"
রহিম মিয়া জুনিয়র," মাই হবি ইজ ফেসবুকিং! "
করিম মিয়া জুনিয়র, "মাই হবি ইজ ফেসবুকিং!"
.
মাঝখান থেকে দুষ্ট পিন্টু জুনিয়র, "মাই হবি ইজ চ্যাটিং উইথ....!"
.
আমরা একরকম মাই হবি/এইম ইন লাইফ পড়তাম, আর জুনিয়র'রা সবাই একরকম হবি'তে আসক্ত হয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, ওনারা ডিজেটেল!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


