জানি না কেউ রেডিওমুন্নাতে আমার চেয়ে বেশী গল্প লিখেছে কি না! ১২০০ প্লাস গল্পের স্মৃতি নিয়ে আজ বিদায় নিতে হচ্ছে প্রিয় প্লাটফর্ম থেকে! রেডিওমুন্নাতে আর কখনো আমাদের লেখা পাবেন না! মুন্না ভাই, সাদিফ সৈকত ভাই থেকে শুরু করে সবাই এডমিন প্যানেল থেকে লিভ নিয়েছে! রাইটিং গ্রুপ বন্ধ! পুরো পরিবার আজ নিস্তব্ধ!
.
কি হয়েছে রেডিওমুন্নার এই উত্তরটি অজানা রয়ে গেলো!
.
সকালে পেইজে ইনবক্স করার পর কিছুটা ব্যবসায়িক মনোভাবের একটি ইনবক্স আসলো! বিশ্বায়নের যুগ! ফ্রি তে আর কতো!
.
মুন্না ভাই বলছে ব্যক্তিগত এবং পারিপার্শ্বিক সমস্যার কারণে উনি এখন আর পেইজের সাথে নেই!
.
এডমিল প্যানেলকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ করা সত্ত্বেও প্রশ্নটি রেখে গেলাম! কি হয়েছে পেইজের! কে চালাচ্ছে এখন পেইজ!
.
সবকিছুর একদিন শেষ আছে! ধরে নিলাম আমাদের জীবন থেকে রেডিওমু্ন্নার অধ্যায় শেষ! রিমেম্বারিং!
.
তবুও আমাদের লেখা পাগলারা লিখে যাবো! কোন না কোন প্লাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে আমরা আবারো পৌঁছে যাবো সবার হৃদয়ে! পুরো বাংলাদেশ!
.
যখন কোন প্লাটফর্ম ছিলো না তখন আমরা গল্প লিখে অন্যদের ডেকে নিয়ে এসে পড়ে শুনাতাম!
.
দ্রুত সময়ে লেখা পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য রেডিওমুন্না ছিলো অদ্বিতীয়! দেশের প্রতিটি আনাচে কানাচে নিজের নামটি জানান দেওয়ার এমন প্লাটফর্ম হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগুতে হবে!
.
আজ থেকে রেডিওমুন্নার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই! আপনার লিংক শেয়ার করে টাকা ইনকাম করে ধনী হোন তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই!
.
আমরা ভালবাসার টানে কাজ করি! নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে ভালবাসা কুঁড়ে নিয়ে মনের ব্যাংকে জমা করি! ভাল থাকি! ভালবাসি!
.
কখনো লাভ লসের চিন্তা করিনি! করবো না! যা পারি দিয়ে যাবো! যা লিখি না কেনো লিখে যাবো! যা পেয়েছি তা অতুলনীয়! সেই ঋণ পরিশোধ করা অসম্ভব তবু ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা থাকবে!
.
জীবনে কখনো লেখক ট্যাগ পেতে চাইনা! জাস্ট এতটুকু চাওয়া কেউ একজন পিছন থেকে এসে কাঁধে হাত দিয়ে বলবে, ভাই আপনাকে ভালবাসি! বড্ড ভালবাসি!
.
আমরা প্রমাণ করে দিয়েছি ফেসবুক কেবলি গুড মর্ণিং গুড নান দেওয়ার জায়গা না! এখানে থেকে দেশ কাঁপানো যায়! ছড়িয়ে দেওয়া যায় নিজেকে বহুদূর!
.
অনলাইনে দরকার শুধু লেখায় মাল ঢুকানো তার সন্তানে ভরে যাবে বাংলাদেশ!
.
আমরা অনলাইনে এসেছি মানসিকতা চেইঞ্জ করতে! পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে! প্রমাণ করতে, লেখা কেবলি গ্রন্থে বন্দী থাকার জিনিস নয়! তার জন্য আমাদের সংগ্রাম চলছে! চলবে!
.
সেরা গল্পটি আপনার কাছে পৌছে দেওয়ার শপথ নিয়ে বারে বারে দেখা হবে!
.
একদিন অনলাইন ধ্বংস হয়ে যেতে পারে! বইগুলো পুড়ে যেতে পারে! কাগজ পুড়িয়ে যেতে পারে! তবুও গল্প বলা চলবে! কেমনে চলবে তা সময় বলে দিবে!
.
গল্প সাধারণ মানুষদের কাছে পৌঁছাতে যা যা করা লাগে আমরা তা তা করবো! আমরা লেখক হতে চাই না! আবারো বলছি লেখক হতে কখনো চাইনা! জাস্ট সাধারণ মানুষদের গল্প কথক হতে চাই!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


