রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খানের যে বিষয়টি আমাকে মুগ্ধ করেছে তিনি চাইলে তার একমাত্র ছেলেকে কোম্পানির ডিরেক্টর বানিয়ে দিতে পারতেন কিন্তু তিনি তা না করে তাকে মার্কেটিং সিনিয়র অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে অন্য আট দশজন অফিসারের মতো বেতন দেন! অন্য কলিগদের সাথে প্রতিযোগিতা করে তার ছেলেকেও প্রমোশন পেতে হয়!
.
আর তার একমাত্র মেয়ে রানারের একজন সাধারণ এইচ্আর ম্যানেজার! এতে তিনি মেয়েকে শিখাচ্ছেন কিভাবে রুট্ লেভেল থেকে উঠে আসতে হয়! তাদের সুবিধা অসুবিধা সমস্যা সমাধান জানতে হয় ইত্যাদি!
.
মালিকের ছেলে মেয়ে হয়েও তাদের নয়টার আগে অফিসে ঢুকতে হয় এবং ঘড়ির কাঁটা পাঁচটা ত্রিশ হলে তারপর বের হতে পারেন!
.
বর্তমানে বাংলাদেশে তৈরী হওয়া রানার(RUNNER) মোটর সাইকেলের চেয়ারম্যান প্রায় সময় বলেন, তরুণ প্রজন্মকে বর্তমানে উদ্যেক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে হলে সে যে বিষয়ের উদ্যেগ নিতে চাচ্ছে সে বিষয়ের ভিতরে বাহিরে মাঝখানে কি আছে তার সম্পূর্ণ জ্ঞান ছাড়া বর্তমানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব!
.
তিনি আরো বলেন, টিকে থাকতে হলে দশ বছর পর কি হবে! কি হতে পার! সেই ভবিষ্যত জানা শিখতে হবে!
.
আমি এই পর্যন্ত যতজন সফল ব্যবসায়ীর জীবনীর হালকা পাতলা জেনেছি এবং কেডিএস এক্সেসোরিজের মার্কেটিং অফিসার হিসেবে যেসব সফল মানুষদের কাছে থেকে দেখেছি, তারা কেউ বলেনি ব্যবসা করতে হলে টাকা দরকার! সবাই বলেছে সফল ব্যবসায়ী হতে হলে বেশী বেশী জানা দরকার!
.
আরেকটি বিষয় হলো নিজের অর্থ নিজেরে পকেটে না থাকলেও কিভাবে ম্যানেজ করা যায় একজন সফল উদ্যোক্তাকে সেই বিষয়টিও ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে!
.
সবার আগে বাঁচতে হলে জানতে হবে!
.
ছেলেটি সব জানতো! কিন্তু নিম্নমানের কনডম ফুটো হয়ে যাওয়ার কারণে সব সচেতনতা সত্ত্বেও মেয়েটি আজ গর্ভবতী! এটা হলো ভাগ্য!
.
নিম্নমানের পণ্য দিয়ে আপনি যত টেকনিক এপ্লাই করেন না কেনো দিনশেষে কাস্টমারের ভাগ্যের সাথে আপনার ভাগ্য ওএভাবে ফুটো হয়ে যাবে!
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




