আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার বলেছিলেন, 'পকেটে হাত রেখে আপনি কখনো মই বেয়ে উপরে উঠতে পারবেন না'
.
জগত বিখ্যাত বক্সার মোহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি কয়টা সিট-আপস্(seat ups) দেন?
.
তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, 'আমি কখনো সিট-আপস্ গণনা করি না যখন সিটস্-আপ দিতে দিতে আমার মনে হয় আমি পেইন পাচ্ছি হার্ড হচ্ছি তখন থেকে আমি গণনা শুরু করি! সেই পেইন দেওয়া সিট আপসগুলো আমাকে চ্যাম্পিয়ন করে কারণ নো পেইন্ নো গেইন!'
.
আপনি পৃথিবীতে একজন মানুষও পাবেন না যে হেসে খেলে এভারেস্ট জয় করে ঘরে ফিরেছে!
.
চ্যালেঞ্জের কোন সীমারেখা নেই কিন্তু সীমারেখা যেখানে ওটা অতিক্রম করার জন্য চ্যালেঞ্জ করতে হয়!
.
ঘাম কে বলায় হয় চর্বির ক্রন্দন,
.
তবে ঘামের সাথে মেধার সমন্বয় না থাকলে সেই ক্রন্দন কেবল বৃথা আস্পালন!
.
জীবন এমন না যে আমাকে একটি চুমু ধার দাও আমি প্রমিজ করছি তা অবশ্যই যেকোন মূল্যে তোমাকে ফেরত দিবো!
.
জীবন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর উক্তির মতো, 'আমাকে রক্ত দাও আমি প্রমিজ করছি স্বাধীনতা এনে দিবো'
.
জান প্রাণ মন দিয়ে রিক্সা চালিয়ে যাচ্ছেন! চরম অধ্যবসায় সাথে সংকল্প কিন্তু দিনশেষে আপনি একজন সফল রিক্সা চালাক!
.
রাত দিন অফিস আর অফিস! কাজ আর কাজ! খাওয়া নেই দাওয়া নেই ঘুম নেই! দিনশেষে আপনি সফল চাকুরিজীবী!
.
বছর ত্রিশেক শেষে হাতে লাল গোলাপের তোড়া ধরিয়ে বিদায় দিলে জীবনের চূড়ান্ত হিসেবে কষে দেখবেন, জীবন শেষ!!!
.
আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের জায়গায় যদি উপরোক্ত উক্তিটি যদি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রিস্কা চালক জনৈক ফজলু মিয়া করতো 'পকেটে হাত রেখে আপনি কখনো রিক্সা চালাতে পারবেন না' তাহলে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পেতো?
.
উপরের ঘটনাটি বক্সার মোহাম্মদ আলীর জায়গায় যদি কোন এক সাধারণ চাকুরিজীবীর সংগ্রাম মুখর দিনের পেইন থেকে শুরু করে মাস শেষে গেইনের ঘটনা হতো তাহলে কি বা এসে যেতো!
.
পৃথিবীতে এভারেষ্ট জয়ের চেয়ে নারীর মন জয় করা বেশী কষ্টকর কিন্তু কে বা তার খবর রাখে,
.
আপনি কোন কাজে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন সেটা বড় কথা না দিনশেষে আপনার সফলতা নির্ভর করবে কাজের ধরণের উপর,
.
আপনার কাজটি কতটুকু সৃজনশীল কিংবা মানুষের হৃদয়ে তার প্রভাব কেমন,
.
বেঁচে থাকতে হবে তারচেয়ে বড় কথা নিজেকেও বাঁচিয়ে রাখতে হবে যুগ যুগান্তর!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০১৮ রাত ১১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




