স্টিভ জবস ২৩ বছর বয়সে ১ মিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছিলেন,
.
২৪ বছর বয়সে ১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছিলেন,
.
২৫ বছর বয়সে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছিলেন,
.
এবং তিনি বলেছিলেন আমি টাকার জন্য অ্যাপলকে ডেভেলপড্ করিনি!
.
অ্যাপলের পণ্যকে আরো বেশী আকর্ষণীয় এবং গ্রাহকের পছন্দসই করা তার ধ্যান জ্ঞান ছিলো শুধু,
.
সোজা বাংলায় ভোক্তাকে খুশি করতে পারলে ভোক্তা কোম্পানীকে খুশি করে দিবে!
.
আমাদের দেশের প্রায় প্রোডাক্টের লক্ষ্য থাকে কিভাবে ভোক্তার পোনা মারা যাবে সেদিকে,
.
সার্ভিস দিবে না কিন্তু কাড়াকাড়ি টাকা এক প্রকার ছিনিয়ে নেওয়ার ধান্ধা!
.
আলী বাবা ডট কমের জ্যাক মা এমনি এমনি চীনের শীর্ষ ধনী কিংবা পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টি করেননি,
.
তিনি বলেছিলেন 'সবার আগে কাস্টমার' 'মাই টপ্ প্রায়োরিটি ইজ কাস্টমার সার্ভিস' ব্লা ব্লা
.
গুগুল ইয়াহুকে কিক্ মেরেছে একমাত্র গ্রাহকদের ইন্টারনেট ব্যবহার সহজলভ্য করে,
.
মোবাইলে যাতে সে কম্পিউটারের অধিকাংশ কাজ ফ্রিলি করতে পারে সেসব এক্সিটেনশন্ নিয়ে এসে গুগুল চমক সৃষ্টি করেছে!
.
বর্তমান মার্কেট কিন্তু প্রতিযোগিতার না বরং প্রভাব বিস্তারের,
.
পুরো পৃথিবীর ব্যবসা চলে গেছে গ্রাহকদের আস্থার উপ্রে!
.
বিশ্বাস অর্জন করে নিতে পারলে আপনি ডাবল দাম নির্ধারণ করলেও গ্রাহক তা সামর্থ্য থাকলে দেদারছে খাবে,
.
কেএফসি, ম্যাক ডোনাল্ডস কিংবা হালের জামান, বাটা, এপেক্স, লুটু, শ্রী লেদার সবি কিন্তু কম বেশী সুনাম কিংবা এক সময়ের অর্জিত সুনামের উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে!
.
স্টিভ জবস ২৩ বছর বয়সে আসলে অ্যাপল নিয়ে প্রতিযোগিতা করেনি বরং এমন ভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিলো ভোক্তাদের কাছে যা ২৪ বছর দশ ডাবল রিটার্ন কিংবা ২৫ বছরে ১০০ ডাবল রিটার্ন এনে দিয়েছিলো অ্যাপল কর্পোরেশনে!
.
পি&জি'র ব্রান্ড ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার সময় যশ্ কফ্ম্যান খেয়াল করলেন তার আশে পাশে যারা কাজ করে তারা সবাই বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট করা,
.
সুতরাং তিনিও বড় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিএ করার মানসে অধ্যয়ন করতে গিয়ে দেখলেন সেখানে আসলে যা শিখানো হয় তা কেবলি একটি সার্টিফিকেট অর্জন বৈকী কিছু নয়,
.
শুরু করলেন সাধনা! নিজে নিজেই এমবিএ করবেন! প্রকৃত এমবিএ! তারপর লিখে ফেললেন 'দি পার্সনাল এমবিএ' নামক একটি বই যা রাতারাতি ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট সেলার!!!
.
সেখানে তিনি লিখেছেন ব্যবসার শুরু হবে 'ভ্যালু ক্রিয়েশন' দিয়ে মানে তা জনগনের কতটুকু উপকারে আসবে, তৃপ্তি দিবে তার উপর ভিত্তি করে, তারপর আসবে মার্কেটিং কিংবা বিজ্ঞাপন, অতপর আসবে সেলস্ অথবা বিক্রী, বিক্রীর পর ব্যবসা ঠিকে থাকার মূল অস্ত্র প্রোডাক্ট ডেলিভারি না বরং 'ভ্যালু ডেলিভারি'
.
আপনি গ্রাহক আসলেই যে জিনিসটি চাই তা তাদের হাতে পৌঁছাতে পেরেছেন কি না!
.
লাভ লস্ পরের বিষয়!
.
তুমি মিয়া, কাস্টমারকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যত বিবিএ এমবিএ নিয়ে আসো না কেনো দিনশেষে প্রতিষ্ঠানের ভাগ্যে কাচ কলা জুটবে!
.
সোজা হিসেবে, বুঝতে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রী লাগে না!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




