ছোট বেলায় এক গল্প শুনতাম, খুব বাস্তব গল্প, পাশের বাসার এক লোক বলতো, তুই মেট্রিক পাশ করতে পারবি না!
.
মেট্রিক পাশ করার পরও তার দৃঢ় বিশ্বাস ওর মতো পোলা ইন্টার পাশ করতে পারবে না!
.
ইন্টার পাশ করার পর সে কিছুতে বিশ্বাস করতে পারতো না, ভাবতো নকল টকল করে পাশ করে!
.
একদিন সে আরেকজনকে বুঝাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্দু নকল টকল চলেনা, এবার দেখবো আমি, তুমি কেমনে অনার্স পাশ করো?
.
অনার্স পাশের পর যখন তার অনুমান মিথ্যে হলো সে বললো, মাস্টার্স পাশ এতো সোজা না!
.
মাস্টার্সও পাশ করলো, এখন সে নিশ্চিত্ বেচারা চাকরি পাবে না,
.
চাকরিও পেলো এবার সে বলে বেড়াচ্ছে লিখে রাখো অমুকের ছেলে বিয়ে করতে পারবে না!
.
বিয়েও হয়ে গেলে, সে ঘরের আশ পাশে ঘুরঘুর করতে লাগলো, কাকে যেনো বলতে লাগলো, বিয়ে করলেও কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না!
.
সেই ক্ষোভে বাসর রাতে চান্দু ফাটিয়ে দিয়েছিলো! পারবো না মানে!!!
.
সকালে হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে চান্দুর কেনো জানি মাথা খারাপ! অতিষ্ট হয়ে ঐ লোককে সামনে পেয়ে কলার ধরে কয়েকটা উত্তম মধ্যম দিয়ে দিলো!
.
পাশাপাশি বলতে থাকলো, সেই ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি তুমি মিয়া আমার পেছনে লেগে আছো! আজ সব পাশ করে, চাকরি, বিয়েও করলাম, তুই বলোস আমি এখনো পারবো না!
.
লোকটি এবার বললো, 'আমি যতবার পারবে না বলেছি ততোবার তোমার মধ্যে একটা জেদ কাজ করেছে, বেপারটা আমি বুঝতে পারতাম, তোমার চোখে আমি খারাপ হয়ে থাকলেও, সব সময় মনে মনে চাইতাম তুমি যাতে পারো! কখনো হেরে না যাও!'
.
এবার চান্দু কলার ছেড়ে দিয়ে বললো, সত্যি আমি আজ তোমার গায়ে হাত তুলে জীবনে প্রথম হেরে গেছি!
.
ঐদিকে লোকটি কিছুদূর যাওয়ার পর চিল্লায় চিল্লায় বলতেছে, 'বলছিলাম না তুমি পারবে না! হেরে যাবে! আজ তো নিজের মুখে স্বীকার করলে!'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






