somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেলেব্রেটি ক্রিকেট মানেই রম্য

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তামিম সাকিবের প্রতি বিরক্ত হয়ে সেলেব্রেটি ক্রিকেট দেখছিলাম । উপস্থাপকের মতে আরেক মহিলা উপস্থাপক নীল হুরেজাহান দারুণ বল করে চলছেন ।
.
ব্যাস ভাবসাব নিয়ে তিনি প্রথম বল করতে এসেছেন । কন্ঠশিল্পী জেফার স্ট্রাইকে । কঠিনভাবে তাদের দিকে ক্যামেরা তাক্ করা আছে । এক হাত থেকে আরেক হাতে বল যাওয়ার সময় ঝাক্কিতে বলারের চুলের বাঁধন খুলে গেলেও বল শুরু হলো না ।
.
শুরু কেমনে হবে? প্রথম বল শুরু হওয়ার মাঝখানে তাকে ক্যামেরা ধরলো কয়েকবার । ব্যাটসম্যান জেফার ব্যাট হাতে নিয়ে শট্ প্যাকটিস করলো চার বার । কোন পজিশনে বল করলে জেফার আউট হবে তার জন্য পরামর্শ দিতে কিপার আফরান নিশো দৌড়ে যাওয়ার মাঝখানে পরিচালক রায়হান রাফি এসে কিভাবে বল করবে তা আলোচনাও করে নিলো ।
.
অবশেষে নীল বল করতে আসলো । আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেছে । এখনো বল করছে না । যাক পিছনে ফিরে আবার দৌড়ে এসে বল করলো । প্রথম বল অ্যারাউন্ড দি উইকেটের সামনে দিয়ে ওয়াইড হলো ।
.
আবার গুঁটি গুঁটি পায়ে অনেকদূর দৌড়ে এসে চুলের ঝাক্কি দিতে দিতে দ্বিতীয় বল করলো । কিন্তু এবার ব্যাটসম্যানের পিছন দিয়ে বিশাল ওয়াইড ।
.
মেজাজ গরম হয়ে গেলে খেলা না দেখে ফেসবুকে ঢুকলাম । আবার কেনো জানি মনে হলো, চুলের ঝাক্কিটা জোশ ছিলো । খেলা না দেখলেও ওটা মিস্ করা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না ।
.
আবার খেলা দেখার জন্য অন্ এয়ারে গেলাম । উপস্থাপক বললো নীল হুরে জাহান ভালো বোলিং করছে । তখন মে বি সেকেন্ড লাস্ট বল চলছে । দৌড়ে এসে নীল বল করার পর সেই বল ক্রিকেট পিচের বাহিরে গিয়ে হোয়াইট হলো ।
.
দূর শ্লার । এটা কেমন বোলার! যায় হোক শেষ বলটা দেখে যায় । কিন্তু এই ওয়াইড কোন রকমে মানা যায় না । এটা পিচের সীমারেখা ক্রস করে আরেকটু হলে মাঠও ক্রস করে ফেলতো ।
.
এক ওভারে চারটা বল দেখলাম চারটা ই ওয়াইড । অন্যদিকে ধারাভাষ্যকার বলে চলছে, চমৎকার বল করেছে নীল হুরেজাহান । এক ওভার বোলিং করে মাত্র চার রান দিয়েছে । কিরে ভাই এটা কেমনে সম্ভব । আমি খেলা দেখলে জানতাম বাংলাদেশ হেরে যেতো কিন্তু এখন দেখি ঘটনা আরো ভয়াবহ্ ।
.
ওদিকে নীল হুরেজাহানের বল মোকাবেলা করার জন্য উইকেটের অন্য প্রান্তে ছটফট্ করছিলো মেহজাবিন । আমি খেলা থেকে বের না হলে এসব ছটফট করে লাভ হবে না ভেবে বের হয়ে গেলাম খেলা থেকে ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফিরছে অনলাইন ক্লাসঃ বাস্তবতা অফলাইনে কিন্তু সিদ্ধান্ত অনলাইনে

লিখেছেন মোগল সম্রাট, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪০




সরকার তিনদিন অনলাইন, তিনদিন অফলাইনে ক্লাস চালুর কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস, ইন্টারনেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এসব কি সবার নাগালে আছে? নাকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

ছবি, অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

পানি এই একটি শব্দে লুকিয়ে আছে সৃষ্টির রহস্য, জীবনের ধারা এবং মহান আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×