১. ধূমপান পরিতাজ্য হলেও সামাজিকভাবে স্বীকৃত। বর্তমানে ফল খাওয়া পরিতাজ্য হলেও সামাজিকভাবে সৃষ্টিগতভাবেই স্বীকৃত। দুটোই চলছে একই পথে।
২. ধূমপান ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর আর ফল কিডনীর জন্য ক্ষতিকর।
৩. উভয় ক্ষেত্রেই ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে।
এমনি আরও কিছু মিল পাওয়া যাবে। তবে দূঃখজনক সত্যি হলো ধূমপানের কুফল গোটা বিশ্বে একই রকম আর ফলাহারের কুফল শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য। সরকারের কাছে অনুরোধ যে কোন মুল্যে ফলকে বিষমুক্ত করুন। এক্ষেত্রে ভবিষ্যতে যাতে সংবিধিবদ্ধ কোন সতর্কীকরণ দিতে না হয়। ভেক্তাদের কাছে অনুরোধ দু-এক বছর ফল খাওয়া বাদ দেন, এতে কোন ক্ষতি হবে না বরং বড় ক্ষতি থেকে বেঁচে যাবেন।
![]()
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




