সালেহীকে নিয়ে আমার লেখা শুরু হয়েছিল এ বছরের ফেব্রুয়ারীর 10 তারিখে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুতত্ব ও খনিজ বিভাগের অধ্যাপক ড: এস এ তাহেরকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে একই বিভাগের ছাএ সালেহীকে পুলিশ খুঁজছে। ধারাবাহিকভাবে এই খবরটিকে আড্ডার পাতায় অনুসরণ করছি জামাত শিবিরের এই নৃশংস অমানবিক কীর্তির বিষয়টিকে তুলে ধরে এ ব্যাপরে সচেতনতা বাড়াবার জন্য। ড: তাহের হত্যার অন্যতম আসামী শিবির নেতা সালেহীকে বাঁচাবার রাজনৈতিক অপকৌশল আর ফন্দিবাজি তুলে ধরে শিবির-জামাতীদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও ধর্মবোধের ইদানীংকালের চিএ।
সমকাল জুন মাসের 23 তারিখের প্রতিবেদনে বলা হয়, "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রাবি শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি মাহবুব আলম সালেহীর মাস্টার্স পরীক্ষার পূরণ করা ফরম বৃহস্পতিবার বিভাগে পেঁৗছে দিয়েছে শিবির নেতারা। তবে বিভাগীয় সূত্রগুলো দাবি করেছে, ফরমটি শিবির নেতারা বৃহস্পতিবার দুপুরে অফিস সময়ের শেষভাগে খামবন্দি করে অফিস সহকারীর টেবিলে রেখে যাওয়ায় বিভাগ এখনো ফরমটি জমা দেখায়নি।
রাবি শিবির সেক্রেটারি নুর মোহাম্মদ মন্ডল জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা সালেহীর স্বহস্তে স্বাক্ষরিত মাস্টার্স পরীক্ষার পূরণকৃত ফরমটি ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগে জমা দিয়েছেন। তবে পুলিশের খাতায় পলাতক সালেহীর স্বাক্ষর তারা কীভাবে সংগ্রহ করলেন এ প্রশ্নের কোনো জবাব না দিয়ে তিনি টেলিফোন লাইন কেটে দেন।
রাবি ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ জানান, তিনি বিভাগ থেকে বেরিয়ে আসার পর সালেহীর ফরমটি অফিসের টেবিলের ওপর ফেলে যাওয়া হয়েছে বলে শুনেছেন। বিভাগীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, 30 জুন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রীস্মকালীন ছুটি শেষে খোলার পর একাডেমিক কমিটির বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে"।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




