ব্ল্লগিং করা কি নাগরিক দায়িত্ব? লাভ কি? লিখে কি হবে? লিখলেই কি হবে পরিবর্তন? হবে কি বিপ্ল্লব? হবে কি পরিবর্তন মানুষের ভাগ্যের। প্রশ্নগুলো মনকে সবসময়ই আচ্ছন্ন করে রাখে। অনেকেই ভাবে ব্ল্লগিং মানে সময় নস্ট। এক ধরণের নেশা। অনেক আবেগ, কস্ট, আনন্দ ও প্রত্যাশার বুদবুদীয় প্রকাশ। কী বোর্ডের উপর হাতের ছোঁয়া মনকেও ছুঁেয় যায়। না বলা কথা আর কস্টের অনুভূতি প্রকাশ পায় অনেক গভীরভাবে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই কি করে সকল কস্ট ও না পাওয়ার মাঝে একখন্ড প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সকালকে সযত্নে আগলে রেখে আমরা সবসময়ই পথ চলি। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও দ্রুত সবাই বুঝতে শুরু করেছে যে ব্ল্লগিং মানুষের মত, ভাবনা, ভালো লাগা আর না লাগা প্রকাশে অতি শক্তিশালী মাধ্যম।
কথাটা যদি বিশ্বাস না করেন, তাহলে জিজ্ঞেস করুন, যুক্তরাস্ট্রের ডেট্রোয়েট এলাকার প্রাক্তন সিটি কমিশনার ডান্টে লানজেটাকে। বার্মিংহাম এলাকার দীর্ঘকালীন নির্বাচিত কমিশনার তার পরাজয়ের জন্য ব্ল্লগকে দায়ী করেন। ব্ল্লগে তার সম্পর্কে যেসব কথা লেখা হয় সেসব অভিযোগ খন্ডাতে তাকে নিজের গাঁটের থেকে প্রায় পঁচিশ হাজার ডলার খরচ করতে হয়। তিনি বলেন, ব্লগ যে শুধু মানুষের কন্ঠস্বর তা'ই না বরং রাজনৈতিক অস্ত্রও। তিনি নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য দায়ী করেন http://www.bhambuzz.org ব্ল্লগকে। যারা ডেট্রোয়েট ফ্রি প্রেস পএিকার মূল প্রতিবেদনটি পড়তে চান: http://tinyurl.com/q5f7s
এ ধরণের সিভিক ব্ল্লগ যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রমকে ভোটারদের নখদর্পনে নিয়ে এসে তা জনগণের রায়কে অসম্ভবভাবে প্রভাবিত করতে পারে তার প্রমান এই bhambuzz ব্ল্লগটি। এটি কমিশনার লানজেটের সমস্ত কার্যক্রমকে জনগণের কাছে এতোটা স্পস্ট করে দেয় যে তিনি নিজে খুব অসহায় হয়ে পড়েন। আমাদের দেশের বাস্তবতায় হয়তো ব্ল্লগিং এখনও খুব জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে প্রকাশ পায়নি। তবুও সিভিক ব্ল্লগের সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে সমস্যা কি? চলুন আমরা সবাই লিখি আমাদের নাগরিক জীবনের সমস্যা নিয়ে। প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রম নিয়ে। আপাতত শুরু করা যেতে পারে ঢাকার সাংসদ নাসিরুদ্দিন পিন্টুকে নিয়ে।(ক্লোজআপহাসি)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০০৬ দুপুর ২:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




