সালেহীকে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন দেওয়ার পর নিরীহ শিবির নেতা সালেহী এখন মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে নোট সংগহের জন্য "পলাতক সালেহী জুলাইয়ের 4 তারিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে আসেন" (সমকাল জুলাই 5, 2006)। এখানে প্রায় ঘন্টাখানেক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে সহকর্মীদের কাছ থেকে নসীহত নিয়েছেন পরবতর্ী পরীক্ষার জন্য। অবশ্য চার্জশীটে সালেহীর নাম না থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য সমকাল 6 তারিখের প্রতিবেদনে তুলে ধরে।
সমকাল জুলাই মাসের 6 তারিখের প্রতিবেদনে বলা হয়, "স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের নির্দেশের অপেক্ষায় আটকে আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার চার্জশিট। হত্যা মামলাটির তদন্ত হয়ে গেলেও এই চার্জশিট দেওয়ার অনুমতি মেলেনি। সোমবার হাইকোর্টে মামলার অন্যতম আসামি সালেহীর জামিনের আবেদনের পক্ষে চার্জশিট না দেওয়াকেই অন্যতম যুক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊধর্্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাপক রাজনৈতিক চাপ শুরু থেকেই এই মামলাটিকে প্রভাবিত করার চেস্টা করেছে। তারপরও সবকিছু উপেক্ষা করে তদন্ত চালিয়ে গেলেও চার্জশিট দাখিলের অনুমতি না মেলায় মামলাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ের সৃস্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, এ বছরের এপ্রিল মাসে ড. তাহের হত্যা মামলার প্রাথমিক তদন্তের ফল স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ড. তাহেরের মোবাইল ফোন ও সিম উদ্ধার, পলাতক আসামি সালেহীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারির আবেদন এবং সালেহীকে গ্রেফতার করা_ এই তিনটি বিষয়ে পদপে নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। সেই সুপারিশ অনুযায়ী ড. তাহেরের মোবাইল ফোনের সিম উদ্ধার করা না গেলেও ফোন সেটটি উদ্ধার করা হয়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত থেকে গত 16 এপ্রিল সালেহীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর ড. তাহের হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম চূড়ান্ত করে গত 6 জুন এর ফলাফল ও অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলকে জানিয়ে শিগগির চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু তারপরও কোনো ফল হয়নি। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ব্যাপক রাজনৈতিক চাপের কারণেই স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেল থেকে ওই মামলার চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ এখনো দেওয়া হয়নি"।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




