বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী নিজেই সিলেটে বোমা আক্রমনের শিকার হয়েছিলেন। জুলাইয়ের 7 তারিখে টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন-এর কাছে প্রদত্ত বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিঁনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য জঙ্গিবাদের দিক থেকে বড় হুমকি এখনো রয়ে গেছে। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদের ঘটনার তদন্ত সুষ্ঠু ও দ্রুততার সঙ্গে শেষ না হলে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি অপেক্ষা করছে। কারণ জঙ্গিরা এখনো নিঃশেষ হয়নি। আনোয়ার চৌধুরী বলেন, গ্রেফতার বা মৃতু্যর মাধ্যমে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায় না। আরো কিছু যোগসূত্র দেখে মনে হয় জঙ্গিদের শক্তি শেষ হয়ে যায়নি (দৈনিক ইওেফাক, জুলাই 8, 2006)।
পাশাপাশি মার্কিন কংগ্রেসের 11 জন সদস্য সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলা তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট পাঠানো চিঠিতে কংগ্রেস সদস্যরা যেসব প্রশ্ন তুলেছেন, তার মধ্যে রয়েছে, মামলার পলাতক দুই আসামীকে ধরতে সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে, হত্যাকান্ডে ব্যবহূত গ্রেনেডের উৎস কি, আসামী কাইউমের ব্যাংক একাউন্টে কি পরিমাণ অর্থ পাওয়া গেছে, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সম্পর্কে অভিযুক্তরা যে বক্তব্য দিয়েছে সরকার তার উওর কিভাবে দিবে? (দৈনিক যুগান্তর, সম্পাদকীয়, জুলাই 7, 2006)।
2005 সালের 27 জানুয়ারী হবিগঞ্জে এক সভায় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসীরা সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়াকে হত্যা করে। সে সময় সরকারও ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়েছিল। দু:খজনক হলেও সত্য, ঘটনার দেড় বছর পরও মামলার সকল আসামী ধরা পড়েনি। বিচার প্রক্রিয়ায় এই অপ্রত্যাশিত বিলম্ব ও সময় নস্ট করার পেছনে যে ষড়যন্ত্রমূলক অভিসন্ধি সক্রিয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিবরিয়া পরিবার নীরবে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রতিবাদ। নির্বাচন নিয়ে এখন সবাই খুব ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। পেছনে পড়ে যাচ্ছে জঙ্গীদের দৃস্টান্তমূলক বিচারের জনপ্রিয় দাবী। দেশীয় জঙ্গীদের বিচারে তাই এখন বিদেশীরা সোচ্চার। কিবরিয়ার হত্যাকারীদের বিচারে তার পরিবারের সাথে একাত্ম হতে চাইলে যোগ দিন: http://www.sams-kibria.org/
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




