35 বছর পর রাজাকার শব্দ নিয়ে নাড়াচাড়া করলে অনেকে হৃদয়ে বড়ো কস্ট পান। অনেক বেহায়ার কাছে অতীত হচ্ছে পুরনো প্যাঁচাল। রাজাকারদের উওরসূরীদের অনেকের জন্ম যে নর্দমার কীট পতংগের মতোন তা রাজাকার চর্চায় বেরিয়ে আসে বলে তারা খুব বেশী যন্ত্রণার শিকার হন। এসব নির্বোধরা বুঝবে কি করে, স্বাধীনতার 3 বছর, 30 বছর বা 300 বছর পরেই হোক, রাজাকার শব্দটির সাথে জড়িয়ে আছে ঘৃণা আর অভিশাপ। জামাত-শিবির আর তাদের রক্ষক-পোষক ও তোষক সবাই এই ঘৃণার শিকার হবে। এদের ক্ষমা নেই, রক্ষাও নেই।
নিজামী-সাঈদী আর মুজাহিদ যেখানেই যাক তাদের কোন ক্ষমা নেই। ছলে বলে কৌশলে তাদের পূণর্বাসন হতে পারে, কিন্তু ঘৃণা আর দায়গ্রস্থতা থেকে মুক্তি পাবে না। লাখো শহীদের রক্তাত্ব নিশ্বাস তাদের ও তাদের উওরসূরীদের তাড়িয়ে বেড়াবে। তাই, জামাত-শিবির সাধারণ মানুষদের কাছে কোন স্বীকৃতি পায় না। অর্থ, বৈভব আর ক্ষমতার দাপট দিয়ে কিনতে পারে না সম্মান আর স্বীকৃতি। রাজাকার শব্দটা কতোটা ঘৃণ্য যে মাহমুদুর রহমানের মতো উজবুকের কাছেও তা মানহানিকর মনে হয়েছে।
অনেক দিন আগে মুজতবা আলীর লেখায় পড়েছিলাম, মুস্টি চোখের সামনে ধরে সূর্যকেও সাময়িকভাবে ঢেকে দেয়া যায়। সূর্যের প্রখরতাও হারিয়ে যায়। অন্ধকার করে ফেলে সামনের দৃস্টি। রাজাকার ও তাদের উওরসূরীরা ভাবে ক্ষমতার মুস্টি দিয়ে ঢেকে দিবে স্বাধীনতার সূর্য চেতনাকে। কিন্তু তা কি সম্ভব? অলীক মোহের মধ্যে অপোগন্ডদের বসবাস। রাজাকার চিরকাল রাজাকারই থাকবে। তাদের সহমমর্ী ও সহযোগীরাও একই খেতাব সহজেই অর্জন করবে। আবু জেহেল আর মুনাফিকের বংশধর হওয়ার যোগ্যতা যে শুধু মানবতার বিরুদ্ধে অপকর্ম। সে কাজটা রাজাকাররা করেছে। তাই তাদের খেতাব কখনও হারাবে না। লজ্জা, ঘৃণা আর অভিশাপ এদের সাথে সবসময়ই থাকবে।
রাজাকার বন্দনা যতোই চলুক, তা নিয়ে যতো কৌশল করেই লেখালেখি হোক না কেন: রাজাকার গ্লানি কখনও মোছা যাবে না। সেদিনও পএিকার পুরনো এক ছবি দেখলাম, বাইতুল মোকাররমে জানাযার নামায পড়তে আসা গোলাম আযম জুতা পেটা খাচ্ছে। ছবিটা সময়ের ভারে একটুও নিস্প্রভ হয়নি। কারণ, ঘৃণা আর অভিশাপ সময়ের বিবর্তনে কখনও হারায় না। এর চেয়ে বড়ো রাজাকার সমাচার আর কি হতে পারে
?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



