সতীর্থ ব্লগার রেজওয়ানের সৌজন্যে জানতে পারলাম, 31শে আগস্ট হচ্ছে দ্্বিতীয় আন্তর্জাতিক ব্লগিং দিবস। এই শুভক্ষণে সকল কাছের ও দূরের ব্লগারদের জানাচ্ছি আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ব্লগিং হচ্ছে মনের ভেতরে বুদবুদীয় ভাবনার স্বতস্ফূর্ত প্রকাশ। এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে পাঠকদের উপর। তাদের প্রতিক্রিয়ার উপর। ব্লগিং চলমান চিন্তার জগতে আনতে পারে অকল্পনীয় বিপ্লব। ভাবনাগুলো যদি শব্দের অবয়বে পাখা মেলে ব্লগের পাতায় ঠাঁই করে নিতে পারে, তাহলে সেই ভাবনাগুলো এই ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন ও সংস্কারের জন্য হাতিয়ার হিসেবেও গর্জে উঠতে পারে। নির্ভর করে লেখক আর পাঠক-পাঠিকাদের উপর যারা ব্লগের মধ্যে বৈচিএ্য আর প্রাণ নিয়ে আসেন তাদের সরস, নীরস ও নি:শব্দ মন্তব্যের মধ্য দিয়ে। ব্লগিং লেখক ও পাঠকের মধ্যে এক দৃশ্যমান ও উপভোগ্য সেতুবন্ধন। অদ্ভুত এক অশরীরি অথচ অসম্ভব মানবিক সম্পর্কের প্রকাশ।
ব্লগিং কি নেশা? প্রশ্নটা প্রায় দেখা যায়। এটা কি এক ধরণের ভাচর্ুয়াল আসক্তি? এক ধরণের আত্মিক সম্পৃক্তি? হয়তো তাই। কে জানে? তবে আমার মনে হয় না ব্লগাসক্তি তেমন একটা বাজে কিছু । চাইলে কেটে উঠা যায়। যেমনটা গত একমাসে আমি প্রমান করেছি। নানান ব্যস্ততার অজুহাতে ব্লগিং থেকে দূরে সরে এসেছি। হয়তো অন্য কোন সময়ে ব্লগাব। ব্লগিং নিয়ে যতই তামাশা করা হোক না কেন, ব্লগিং না করলে হয়তো অনেকগুলো নিবেদিত ও পরার্থবাদী প্রাণের সন্ধান কখনো দেখতে পেতাম না। দেখতে পেতাম না মানবিকতার অখন্ড প্রকাশকে। মানুষের মহত্বকে। মানুষের আনন্দঘন প্রকাশকে। প্রকাশের অনিন্দ্য আনন্দকে। সব দু:খ কস্ট ছাপিয়ে পাওয়া যায় প্রাপ্তির নির্মল হাসি। যেখান থেকে মানবতার বিজয় পতাকা উওোলিত হয়। এরকম অসম্ভবগুলো বাস্তবতার ছোঁয়া পেয়ে বেড়ে উঠতে থাকে অকল্পনীয় চমকের জন্য। শিশিরভেজা সকালের জন্য। বিজয়ের মিছিলের জন্য....এধরণের ভাবনার কোন সীমান্ত নেই, নেই কোন সমাপ্তি...যেখানে গল্পের শুরু যার শেষ পাতা হয়তো আমাদের জীবনকালে কখনো লেখা হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







