somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্লগ দিবসে ব্লগ ভাবনা:

৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সতীর্থ ব্লগার রেজওয়ানের সৌজন্যে জানতে পারলাম, 31শে আগস্ট হচ্ছে দ্্বিতীয় আন্তর্জাতিক ব্লগিং দিবস। এই শুভক্ষণে সকল কাছের ও দূরের ব্লগারদের জানাচ্ছি আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ব্লগিং হচ্ছে মনের ভেতরে বুদবুদীয় ভাবনার স্বতস্ফূর্ত প্রকাশ। এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে পাঠকদের উপর। তাদের প্রতিক্রিয়ার উপর। ব্লগিং চলমান চিন্তার জগতে আনতে পারে অকল্পনীয় বিপ্লব। ভাবনাগুলো যদি শব্দের অবয়বে পাখা মেলে ব্লগের পাতায় ঠাঁই করে নিতে পারে, তাহলে সেই ভাবনাগুলো এই ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন ও সংস্কারের জন্য হাতিয়ার হিসেবেও গর্জে উঠতে পারে। নির্ভর করে লেখক আর পাঠক-পাঠিকাদের উপর যারা ব্লগের মধ্যে বৈচিএ্য আর প্রাণ নিয়ে আসেন তাদের সরস, নীরস ও নি:শব্দ মন্তব্যের মধ্য দিয়ে। ব্লগিং লেখক ও পাঠকের মধ্যে এক দৃশ্যমান ও উপভোগ্য সেতুবন্ধন। অদ্ভুত এক অশরীরি অথচ অসম্ভব মানবিক সম্পর্কের প্রকাশ।

ব্লগিং কি নেশা? প্রশ্নটা প্রায় দেখা যায়। এটা কি এক ধরণের ভাচর্ুয়াল আসক্তি? এক ধরণের আত্মিক সম্পৃক্তি? হয়তো তাই। কে জানে? তবে আমার মনে হয় না ব্লগাসক্তি তেমন একটা বাজে কিছু । চাইলে কেটে উঠা যায়। যেমনটা গত একমাসে আমি প্রমান করেছি। নানান ব্যস্ততার অজুহাতে ব্লগিং থেকে দূরে সরে এসেছি। হয়তো অন্য কোন সময়ে ব্লগাব। ব্লগিং নিয়ে যতই তামাশা করা হোক না কেন, ব্লগিং না করলে হয়তো অনেকগুলো নিবেদিত ও পরার্থবাদী প্রাণের সন্ধান কখনো দেখতে পেতাম না। দেখতে পেতাম না মানবিকতার অখন্ড প্রকাশকে। মানুষের মহত্বকে। মানুষের আনন্দঘন প্রকাশকে। প্রকাশের অনিন্দ্য আনন্দকে। সব দু:খ কস্ট ছাপিয়ে পাওয়া যায় প্রাপ্তির নির্মল হাসি। যেখান থেকে মানবতার বিজয় পতাকা উওোলিত হয়। এরকম অসম্ভবগুলো বাস্তবতার ছোঁয়া পেয়ে বেড়ে উঠতে থাকে অকল্পনীয় চমকের জন্য। শিশিরভেজা সকালের জন্য। বিজয়ের মিছিলের জন্য....এধরণের ভাবনার কোন সীমান্ত নেই, নেই কোন সমাপ্তি...যেখানে গল্পের শুরু যার শেষ পাতা হয়তো আমাদের জীবনকালে কখনো লেখা হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:৪৩
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজেঞ্জুষ খাওয়াবে

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×