আড্ডা নামটা নিয়ে অনেকে বেশ টিপ্পনী কেটে আনন্দ করেন। সাধারণত: আড্ডাকে খুব নেতিবাচকভাবে দেখার একটা প্রবণতা আছে। আড্ডার প্রতিশব্দ খুঁজলে অনেক শব্দই বের হবে। যেমন আজাইরা প্যাঁচাল, বক্বকানি, গালগল্প করা, বৈঠকী কথা ইত্যাদি। আড্ডা কমবেশী সবাই করেন। মুরুব্বীরা বিশেষত: আড্ডা মারেন মর্নিং ওয়াকের ফাঁকে। গৃহিনীরা আড্ডা মারেন বাচ্চাকে স্কুল থেকে আনার অবসরে। অফিসের আড্ডা জমে উঠে, বড়ো স্যার অফিস থেকে গাড়ী নিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে। অল্পবয়সী ছেলেরা আড্ডা মারে কোন মহল্ল্লার চায়ের দোকানের পাশে। অল্পবয়সী মেয়েরা আড্ডা মারে লেখাপড়ার নাম করে।
আড্ডা কি শুধু ইংরেজীর "গসিপ" বাংলায়, "আজাইরা কথা"। অবশ্যই এর একটা সামাজিক চরিএ আছে। সমাজতাওিক বিশ্লেষণ আছে। এর অর্থনৈতিক উপযোগিতা আছে। এটা কি পালাক্রমে অনর্থক কথা বলার আয়োজন? বলুন তো, ফরমায়েসী আড্ডার গুরু কে? আমার মতে, তিঁনি হচ্ছেন কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। বর্তমানে আমি "আড্ডা" নিয়ে গবেষণা করছি!!! ভাবছি, বাঙ্গালীর চিরায়ত আড্ডার প্রকার-প্রকৃতি নিয়ে কিছু লিখব। চাইলে আপনারাও যোগ দিতে পারেন আমাদের দেশজ আড্ডার প্রকার-প্রকৃতি আর সামপ্রতিক রূপান্তর নিয়ে সরস ও তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা ও ভাবনা উপহার দিয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




