(রাজাকারমুক্ত চিন্তার দিগন্ত)
জামাতীরা বড়ই নির্দোষ। বাংলাদেশের ইতিহাসে তারা কেবল চেয়েছে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে। মানবতার বিরুদ্ধে কোন অপকর্মে তারা কখনো জড়িত ছিল না। শান্তিপ্রিয়, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ক্যাডারভিওিক রাজনৈতিক আন্দোলনের নাম হচ্ছে জামাতে ইসলামী। 1971 সালে তারা বাংলাদেশের স্বার্থে নিরপরাধ বাঙালী নিধনে জড়িত ছিল। এটা নিছক একটি রাজনৈতিক সিদ্ধানত ছিল। এতে আপনারা পিতাহারা, সস্তান হারা ও স্বামীহারা বিধবা হলে খামাখা জামাত, রাজাকার ও আলবদরদের কেন দোষারোপ করেন? পবিএ পাকিস্তানকে রক্ষায় আপনাদের আপনজনকে কোরবান হতে হয়েছে, এতে এতো আক্ষেপ কেন? আপনারা কেন বুঝেন না, স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা মারা গেছে তারা সত্যি বেঁচে গেছে। অন্তত: মীরজাফরদের তাদের আর তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে হয়না।
বাংলাদেশে আবার বোমা ফুটছে। এতে জামাতীদের কী দোষ ? মৌলবাদী জামাতী আন্দোলনের ধারা অনুসরণ করে কেউ যদি বোমা ফুটায় তাতে জামাতীদের করার কী আছে ? বিরোধী দল আর বিদেশী শক্তি এর জন্য সত্যি দায়ী? ইতিহাস অসচেতন নির্বোধ বাঙালীদর কবে বোধোদয় হবে যে, পলাশীর মাঠে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের জন্য মীরজাফরকে দোষ দিয়ে কী লাভ? সিরাজউদ্দৌলা কোথায় ঘুমিয়ে আছে তা না জানলেও মীরজাফরদের সন্তান-সন্ততিরা দিব্য আনন্দে ও প্রভাব-প্রতিপওি নিয়ে জেঁকে বসে আছে- তা কোন স্বপ্নভঙ নয়, নিছক রাজনৈতিক বাস্তবতা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




