গণমাধ্যমে অপরাধচিএ বেশ ফলাও ভাবে প্রচারিত হয়। গনমাধ্যম বলতে টেলিভিশন আর সংবাদপএের কথা বলছি। খবর পড়তে বা দেখতে গেলে প্রতিদিনের নিয়মিত শিরোণাম হচ্ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, অপহরণ, চোরাচালানী, মাদক দ্রব্য পাচার, সন্ত্রাস, দুনর্ীতি, দূর্ঘটনা ইত্যাদি বিষয়গুলো। অধিকাংশ ক্ষেএেই মনে হয়, এধরণের প্রতিবেদনগুলোতে সংবাদ পরিবেশনকারীরা নূ্যনতম মানবিকবোধ ও শালীনতাবোধ বজায় রাখেন না। নিজেদের প্রচারের জন্য তাদের উপস্থাপিত প্রতিবেদনগুলোতে সংবাদকে "ব্যবসায়িক পণ্য" হিসেবে ব্যবহার করেন। তাই, নির্বিচারে রক্তাত্ব ও বীভৎস ছবিগুলো যখন তুলে ধরেন, তখন তারা তাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলেন।
অপরাধবিষয়ক সচিএ প্রতিবেদনগুলো গণমাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য প্রেস কাউন্সিলের সুপারিশকৃত নীতিগুলোর সাথে একটি সমন্বিত নীতিমালার বাস্তবায়ন প্রয়োজন। সরকার না করতে পারলে সংবাদপএসেবী ও টিভি কমর্ীসহ সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। বলুন, অপরাধের রক্তাত্ব ও বীভৎস ছবি গণমাধ্যমে আর নয়। অপরাধী ও অপরাধের শিকার মানুষের ব্যক্তিগত পরিচয় ও ঠিকানা পুরোপুরি তুলে ধরা আর নয়। ঘটনার স্থানকে বুঝাবার জন্য রাস্তার নাম বলতে পারে, এলাকার নাম বলতে পারে, তাই বলে ফ্ল্যাট নাম্বার বা বাসার নাম্বার দেয়ার কি কারণ? এক সাংবাদিক বন্ধু একবার বলেছিলেন, অপরাধবিষয়ক সংবাদ যারা পরিবেশন করে তাদের অনেকে সময় বুঝে পুলিশের কাছ থেকেও ঘুষ খায়। সত্যি মিথ্যে জানি না। শুধু জানি, নির্বিচারে প্রকাশিত আপওিকর বীভৎস ছবিগুলো আমাদের মানবিকবোধকে দ্রুত ভোঁতা করে দিচ্ছে। তাই রক্তাত্ব দেহের পাশ দিয়ে মানুষের নির্বিকার চলাফেরা। বিসর্জিত মানবতার বিজয়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




