যতো পড়ি, ততো বিচলিত হই না বরং বিনোদিত হই। হওয়ার কথাই ছিল এরকম। মামা আজকাল খুব চমকে দেন না। তাই নিরুদ্বিগ্ন থাকি। সময়ের স্রোত বুঝি মামার পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেন ধরে। কিছুটা সংযত হওয়ার চেস্টা করেন তিনি। তারপরেও বেরিয়ে আসে তার ফন্দি ফিকিরের কথা। মামা গাছেরটা খান। এখন তলারটা খাওয়ার ধান্ধাও বাদ দেন কিভাবে? দেশে ভোটার লিস্ট তৈরী হবে। তাতেও মামা ছাড়া অচল।
পত্রিকায় পড়লাম, সেনা ছাউনিতে গিয়ে ভোটার তালিকায় নাকি নাম লিখাতে হবে। বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোটার করলে তাতে গলদ বেশী হয়। তা ছাড়া, এতে ধান্ধাবাজ, ফন্দিবাজ, ভোটের ফড়িয়ারা একচেটিয়া সুবিধা হাতড়ে নেয়। তাই এসব ধান্ধাবাজরা ভয়ে মামার তাম্বুর দিকে পা বাড়াবে না। আমি মামার বুদ্ধির প্রশস্তি গাই। সাড়ে তিনশত কোটি টাকার ভোটার লিস্টের বাণিজ্যেও মামাদের হিস্যা থাকতে হবে। তারপর সুবিধে মতো না হলে সেটাকেও টুইস্ট করা যাবে। সিভিলিয়ানদের উপর ভরসা নেই। কি করতে আবার কি কুকর্ম করে ফেলে?
মামার কাছে ছোট আব্দার। মামা পুরো দেশটাকে আপনারাই চালান। যেমন মায়ানমার চলছে। সেখানকার লোকজনগুলো যন্ত্রের মতো চলে। ধান চাষ করতে বললে ধান করে, খাল কাটতে বলে খাল কাটে, রাস্তা করতে বললে বিনা মজুরীতে রাস্তা বানায়। মায়ানমার এখন দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নতুন টাইগার!! তাদের উন্নয়নের গর্জনে স্বয়ং শ্যামভূমি থেকে সূর্যোদয়ের দেশ জাপানও তটস্থ।
টিভির আলাপ আলোচনায় দেখি মেরুদন্ডহীন মানুষগুলো মামার আয়োজনে খুশীতে গদগদ। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম দ্রুত কমেছে বিডিআরএর রেশন সাপ্লাইয়ের পর থেকে। মজুতদারী বন্ধ। লোকজন বাজার দরের ভয়ে বাজারেই যায় না। দাম বাড়লেই কি আর কমলেই কি? স্বয়ং জাতীয়তাবাদী দলের খাম্বা খোকাও সোচ্চার হয়ে উঠে। মুলী বাঁশের দাম বাড়ছে। যেহেতু ব্যবহার বেড়েছে এবং আরও বাড়বে(ক্লোজআপহাসি) । আতঙ্কে বাঁশ বাগানে শুরু হয়েছে হায় হায় রব।
রবি ঠাকুরের ভাষায়:
"হায় হায় রব তুলেছে বাঁশের বনে,
কলাবাগানে করেছে দু:শাসনের দৌরাত্ম্য.."।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




