somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভাবনার প্রিজমে আড্ডা:

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আড্ডার বাংলা ব্ল্লগিং করতে করতে আমার অনেক বিচিএ অভিজ্ঞতা হচ্ছে। এখানে নানান ব্লগের ভীঁড়ে অনেক ভাবনা জড়ো হয়, জটলা বাঁধে আবার বিস্ফোরণও হয়। ভাবনা প্রকাশের ধারাটা সময়ের গতিতে খুব পরিবর্তিত হয়ে গেছে। কখনও ভাবিনি এতো সহজে এতো লেখকের ভীঁড়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরতে পারব। এখানে আবেগের ছড়াছড়ি, অনেকসময় বাড়াবাড়িও। আবেগ, অভিযোগ, অনুযোগ, অসহযোগ-সব বিশেষণগুলো প্রিজমের ভেতর দিয়ে প্রতিনিয়ত প্রতিফলিত হচ্ছে। প্রতি মূহুর্তে আপনার সামনে নতুন লেখা পোস্ট হচ্ছে, নাড়া দিচ্ছে আপনার অনুভূতিকে নতুন করে। মনে হচ্ছে, কেবল আপনি পাতা উল্টে বই পড়ে যাচ্ছেন। পার্থক্য হচ্ছে এ বইয়ের কোন শেষ পাতা নেই। কারণ প্রতিমূহুর্তে নতুন পাতা যোগ হচ্ছে। এখানে ব্লগগুলো দেখলে মনে হয় চলমান সমাজের গতিশীল ভাবনার স্থিরচিএ ধারণ করে রাখছে অসংখ্য পাঠক ও ভাবুকদের সামনে।

আড্ডা সম্পর্কে অনেকের মন্তব্য ও বক্তব্য চোখে পড়ল। নিজের লেখা নিজে পড়ে নিক্তিতে ফেলে দেখলাম। মনে হচ্ছে, খুব ফরমায়েসী লেখা। এতে রসের অভাবও বেশ স্পস্ট। অনেক বন্ধুর এই অভিযোগ সত্য। ভয় হয়, বেশী রসালো লেখা যদি আবার পচনশীলতার জন্ম দেয়! অনেক সময়ই আমার ভাবনাও বেশ অগোছানো। হঠাৎ কোন বিষয় আমার মনকে খুব নাড়া দেয়,তখন তা তুলে ধরি। সেধরণের অগোছানো ভাবনা অনেক পরিশীলিত পাঠকের কাছে খুব উপাদেয় মনে না হওয়াই স্বাভাবিক। গুরুতর বিষয় নিয়ে লেখা সচরাচর অপাংক্তেয় হতেই পারে। কারণ, বাংলা ব্লগিং "বিনোদন ও যোগাযোগের উপকরণ" হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠার আপ্রাণ চেস্টা করছে। তাতে বেশী গুরুতর বিষয়গুলো পাইকারী বাজারের মুখ দেখছে না। তাই চেস্টা করব, আড্ডাকে কিছুটা সাবজেক্টিভ রূপ দিতে।

স্কুল জীবনের ছোট একটা গল্প। যখন কাশ এইটে পড়ি, তখন স্কুলের বিরাট মাঠের সামনে পড়ন্ত বিকেলে হঠাৎ করে আমরা 8/9 জন সমস্বরে চীৎকার করছি, "এই গেলি, এই গেলি বলে"। সবার মনোযোগ যখন আমাদের দিকে নিবদ্ধ হলো তখন আমরা 8/9 জন আবার সমস্বরে বলে উঠতাম, "আয় চল্ জাইগা"। কারণহীন এই চীৎকার করতে করতে আকস্মিক প্রস্থান আমাদের জুনিয়র ও সিনিয়রদের দের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃস্টি করতো। তারা বেশ মজাই পেত। হয়তোবা আড্ডা শেষ করার এটাই ছিল একটা অপরিশীলিত ধারা যাতে আমরা হালকা আনন্দ পেতাম। হঠাৎ এতো বছর পর সেই কথাটা মনে পড়ে নিজেই বলে উঠলাম, "আয় চল্ জাইগা"। এখানেই বিদায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে হেরে যাচ্ছি ০২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪


কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×