উপরের ছবিটি হচ্ছে ব্যস্ত ও ক্লান্ত দু'জন কমর্ীর ছবি। প্রতি দু'জন কমর্ীর মাঝখানে একটু করে বালিশ/বিছানা ফেলে ঘুমিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা। এটি খুবই ইনোভেটিভ। বস্কে ছবিটি দেখিয়ে আপনার অফিসে বিছানা ফেলার অনুমতি পেতে সুবিধা হবে। খাবারের পর দুপোরের ঘুমটা...আ হা ...
নীচের প্রথম ছবিটি হচ্ছে উওেজিত ব্ল্লগারদেরকে ঠান্ডা করার জন্য তৈরী অস্ত্রের প্রোটোটাইপ। এটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে এনিমেশন করে হট হেডেড ব্লগারদের মাথায় ঝুলিয়ে দেয়া হবে অন-লাইনে। এর জন্য অফিস ভিজিট করতে হবে না।
নীচের দ্বিতীয় ছবিটি হচ্ছে অফিসে বসে রাতের খাবার। জানা যায় যে, বাংলা ব্ল্লগে অন-লাইনে যে পরিমাণ রান্না ও রেসিপি চালাচালি হয়, তাতে এখানে কর্মকর্তাদের সারাদিন তেমন একটা খেতে হয় না। তারা অনুরোধ জানিয়েছেন, অন-লাইনে রান্নার চুলা যাতে সবসময় চালিয়ে রাখা হয়, তাতে তাদের খাবারের বিল আর থাকবেই না।
নীচের তৃতীয় ছবিটি হচ্ছে অনলাইনে স্কী করার রিয়েল স্কী তৈরী করছেন এখানকার কর্মকতর্ারা। অন-লাইনে কথা চালাচালি ও রাগারাগিতে যখন ব্লগের জগতে উওাপ বাড়ে তখন এই স্কীবোর্ড করে তারা সবাই উওর মেরুতে পালিয়ে যান, এর জন্যই....
সর্বশেষ ছবিটি হচ্ছে বিদায়ী একজন ব্ল্লগারের ফ্রোজেন স্থাপত্য। তিনি চলে গেলেও তাকে এভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এতে বলা আছে, অন্যদের পরিণতিও একদিন এরকম হবে।
এই পোস্টিং করার খবরের কারণে যারা অস্বস্তি ও কৌতুহুল বোধ করেছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। এরা কথা দিয়েছেন, এখন থেকে গার্মেন্টেসের মতো সদর দরজায় তালা দিয়ে রাখবেন যাতে আমাদের মতো কেউ হুটহাট করে ঢুকে এধরণের ছবি আর প্রকাশ না করতে পারে। আফ্টার অল, প্রাইভেসী বলে তো একটা কথা আছে। তা ভাঙ্গার আগ্রহ ও চেস্টা অবশ্য প্রাগৈতিহাসিক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




