35 বছর আগে এই কালো রাতে শুরু হয়েছিল পাক হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা। সকাল বেলায় রক্তাত্ব হয়ে যায় সবুজ বাংলার মাটি বীর বাঙ্গালীর রক্তে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আমার দাবী মুক্তিযুদ্ধের তালিকা চাই না। এই দেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। যুদ্ধ করেছে লক্ষ লক্ষ তরুণ-বৃদ্ধ সমবেত জনতা। আমার দরকার নেই মুক্তিযোদ্ধার তালিকা। আমাদের দরকার শুধু রাজাকার-আলবদরদের তালিকা। যারা এদেশের সাথে মীরজাফরী করে পাকিস্তানীদের সাথে হাত মিলিয়ে হত্যা করেছে এদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষকে। নির্যাতন করেছে তাদেরকে। তারা কোনদিনও ক্ষমা পাবে না। তাদেরকে লালন-পালন ও পোষণ করেছে এবং পৃষ্ঠপোষকতা করছে তারাও কোনদিন ক্ষমা পাবে না। তাদের জন্য ধিক্কার যেমনটা ছিল 71'এ, তাদের জন্য ধিক্কার ও ঘৃণা আজও একইরকম। তাদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা মুক্তি দিবে রাহুগ্রস্থ বাংলাদেশকে।
তাই আগামীকালের সকাল হবে অন্যরকম। প্রতি বছরের মতো আমিও বাসার সবাইকে নিয়ে উদযাপন করব 26শে মার্চের প্রথম সকাল। তা নিয়ে আমার লেখা প্রকাশ পাবে সকালবেলা। আপনিও যোগ দিন আপনার পরিবারের সাথে স্বাধীনতার একটি গল্প বলুন, উজ্জীবিত করুন এর চেতনাকে। কারণ, স্বাধীনতার চেতনায় যেমন বাংলাদেশ, তেমনি তার চেতনায় আমার অস্তিত্ব, আমার বেড়ে উঠা, আমার প্রতিদিনের সকাল, আমার প্রতি রাতের স্বপ্ন। এই আলোকিত সত্য অস্বীকার করি কিভাবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



