প্রশ্নগুলো খুব স্পস্ট, কিন্তু উওরগুলো শুধু স্পস্ট নয়। স্বাধীনতার 35 বছর পর বাস করি বিভ্রান্তি আর অস্পস্টতায়। ভেবেছিলাম, সকাল বেলা পোস্ট করব, দেখলাম এখন পোস্ট না করলে রাতের ঘুম ঠিক মতো হবে না। কারণ, গ্লাস-প্লেট ভাঙ্গার দরকার নেই। ঘুমন্ত লোককে জাগানো সম্ভব না, কিন্তু আহত চেতনার বেদনা নিয়েও কখনো ঘুম আসবে না। তাই লেখা আমাদের অনেকের থামবে না। স্বাধীনতার চেতনা কেরোসিনের কুপি নয় যে তেল ফুরোলেই শেষ। কারণ, তা হলে অনেক বছর আগেই হারিয়ে যেত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
কতগুলো বিষয়ে প্রশ্ন থাকা সংগত, সে নিয়ে আমার কোন আপওি নেই। তাই বলে, দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ, রাজাকার জামাতীদের অত্যাচার ও মানুষ নিধন, 7ই মার্চের ভাষণ, 25শে মার্চের কালো রাতের হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ- এগুলো নিয়ে তো কোন বিতর্ক নেই, সন্দেহ নেই। খুব দরকার এগুলো নিয়ে লেখার। কারণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দলীয় সীমানায় বন্দী নয়, এটি হচ্ছে এদেশের মানুষের স্বতস্ফুর্ত আন্দোলন। এর চেতনা কোন সৈনিকের ঘোষণায় শুরু বা শেষ নয়, বরং এটি হচ্ছে সকল মানুষের আত্মত্যাগ, অবশ্য ধর্মের নামে কিছু সংখ্যক রাজাকার ও দালাল বাদে। যাদের তালিকার দরকার খুব প্রয়োজন। কারণ, তাদেরকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। কারণ, এদেশের রাজনীতিতে বিশ্বাসঘাতকতার ধারাটা অতি প্রবল।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



