ব্লগাররা যখন লেখেন, তাদের লেখা অনেকের মনোপুত: ও পছন্দসই না হতে পারে। কিন্তু তাই বলে কাওকে গালাগালি করার অধিকার কারও নেই। এখানে দাদা নামক এক মন্তব্যকারী আমার ব্ল্লগে এসে দীক্ষক দ্রাবীড়ের বিচার চাইতে পারেন না, গালাগালিও করতে পারেন না। আমার আড্ডাতে নোংরা ও আপওিকর মন্তব্য থাকলে তা মুছে ফেলার সম্পূর্ণ অধিকার আমার আছে। পরবতর্ীতে তিনি আবারও আমাকে গালাগালি করে মন্তব্য রেখেছেন এবং তা আমি মুছে ফেলেছি। সাথে সাথে দাদা নামে এই অভদ্র ব্যক্তিটিকে আমার ব্লগে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম। তিনি আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া না পর্যন্ত তার কোন মন্তব্য আমার ব্ল্লগে রাখা হবে না।
গতকাল প্রকাশিত "বাংলা ব্ল্লগের রাজ্যে এিরত্ন" নামক আমার লেখায় দাদা দীক্ষককে গালাগালি শুরু করেন। তাই তার গালাগালি মুছে এই "দাদা" নামের মন্তব্যকারীকে লিখেছিলাম, "আপনার নাপাকী মন্তব্য মুছে ফেলা হলো। কারণ, আপনি এখানে আমাদের সতীর্থ ব্লগার দ্রাবীড়কে গালিগালাজ করেছেন। আমার আন্তরিক সমবেদনা আপনার জন্য কারণ পাকিস্তানী বাহিনীর আশীর্বাদে আগত আপনার সন্তানদেরকে যেনামে ডাকেন, সেই নামে আপনি মুক্তিযুদ্ধের সৈনিকদের ডাকতে পারেন না। তবে, আপাতত আপনি নিজের মুখ পরিস্কারের জন্য হারপিক দিয়ে ওয়াশ করে দেখতে পারেন"।
এই দাদা ভদ্রলোক গো(লাম) আ(যমের)র পদলেহী হতে পারেন, আমার আপওি নেই। তিনি নিজের ব্ল্লগে তা লিখে লেহনকর্ম চালিয়ে যেতে পারেন, আমার কোনও আপওি নেই। আমার এখানে স্বনামে বা ভূতুড়ে নামে মন্তব্য রেখে লাভ হবে না। আমার লেখা অন্তত:রাজাকার ও দালালদের জন্য নয়। যারা মুক্তমনা আর যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এগিয়ে নিতে চান, তাদের জন্য আমি লিখি। তার ব্যতিক্রমীরা আস্ত নাপাক পদলেহী ক্লাব তৈরী করতে পারেন, কে মানা করেছে?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




