জাতীয়তাবাদী ছাএ দল বনাম ছাএলীগ:
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৬ রাত ১১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আজকের দু'টো খবরই বেশ চমকপ্রদ। জাতীয়তাবাদী ছাএদলের চট্রগ্রাম বিভাগীয় সম্মেলনে খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি ও শিবির বিরোধী অভিযোগ আর ছাএলীগের তৃণমূল নির্বাচনে নেতৃত্ব নিয়ে হানাহানি বাংলাদেশের ভবিষ্যত রাজনীতির রূপরেখা অতি চমৎকারভাকে প্রতিফলন করে।
মঙ্গলবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তারেক জিয়ার কাছে জাতীয়তাবাদী ছাএদল কর্মীরা অভিযোগ করে বলে তারা নির্যাতিত হচ্ছে রগকাটা ইসলামী ছাএশিবিরের সন্ত্রাসীদের হাতে। সরকারী কর্মকর্তা যারা শাস্তিমূলক প্রেষণে আসেন পার্বত্য চট্রগ্রামে তারাও এসব কমর্ীদের যথার্থ মূল্যায়ন করেন না। তারপর সভায় উপস্থিত সাত হাজার অতিথিদের জন্য 12টি গরু জবাই করে খাবারের আয়োজনে কে আগে খাবার খাবে এনিয়ে ছোটাছুটি ও দৌড়াদৌড়ি করে চেয়ার টেবিল প্লেট-গ্ল্লাস ভাংচুর করে অভূক্ত অবস্থায় কমর্ীরা অনুষ্ঠান শেষ করেন (জনকন্ঠের প্রতিবেদন)। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের নতুন নেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাজধানীতে তুলকালাম ঘটে গেছে। নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন এলাকায় দফায় দফায় গুলিবর্ষণ, বোমা বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাংচুর, অগি্নসংযোগ, সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নেতা নির্বাচনের বেলায় 29 বছরের বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এই অপ্রীতিকর ঘটনার সূত্রপাত হয় (সমকাল)।
ঘটনা দু'টি আমাদের ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধান দু'টো রাজনৈতিক দলের ছাএদেরকে আর টানাটানি না করলে কি হয় না? ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও এরশাদের স্বৈরাচারী সরকার বিরোধী আন্দোলনে ছাএরা তো অনেক রক্ত দিয়েছে। দয়া করে, এবার এদেরকে একটু রেহাই দিন। চলুন, ছাএ রাজনীতিকে "না বলি"। ছাএদেরকে লেখাপড়া করতে দিন। রাজনীতির মাঠে এনে আর কতোদিন তাদেরকে ঠকাবেন? আমরা চাই সচেতন নতুন প্রজন্ম যারা সমাজ পরিবর্তন করবে আলোকিত হয়ে। রাজনৈতিক পেশীশক্তি প্রদর্শনের গুটি হিসেবে নয়। কবে আসবে সেই দিন?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে...
...বাকিটুকু পড়ুনআইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!
শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ...
...বাকিটুকু পড়ুন
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক...
...বাকিটুকু পড়ুন