মঙ্গলবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তারেক জিয়ার কাছে জাতীয়তাবাদী ছাএদল কর্মীরা অভিযোগ করে বলে তারা নির্যাতিত হচ্ছে রগকাটা ইসলামী ছাএশিবিরের সন্ত্রাসীদের হাতে। সরকারী কর্মকর্তা যারা শাস্তিমূলক প্রেষণে আসেন পার্বত্য চট্রগ্রামে তারাও এসব কমর্ীদের যথার্থ মূল্যায়ন করেন না। তারপর সভায় উপস্থিত সাত হাজার অতিথিদের জন্য 12টি গরু জবাই করে খাবারের আয়োজনে কে আগে খাবার খাবে এনিয়ে ছোটাছুটি ও দৌড়াদৌড়ি করে চেয়ার টেবিল প্লেট-গ্ল্লাস ভাংচুর করে অভূক্ত অবস্থায় কমর্ীরা অনুষ্ঠান শেষ করেন (জনকন্ঠের প্রতিবেদন)। অন্যদিকে, ছাত্রলীগের নতুন নেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাজধানীতে তুলকালাম ঘটে গেছে। নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন এলাকায় দফায় দফায় গুলিবর্ষণ, বোমা বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাংচুর, অগি্নসংযোগ, সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নেতা নির্বাচনের বেলায় 29 বছরের বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এই অপ্রীতিকর ঘটনার সূত্রপাত হয় (সমকাল)।
ঘটনা দু'টি আমাদের ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধান দু'টো রাজনৈতিক দলের ছাএদেরকে আর টানাটানি না করলে কি হয় না? ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও এরশাদের স্বৈরাচারী সরকার বিরোধী আন্দোলনে ছাএরা তো অনেক রক্ত দিয়েছে। দয়া করে, এবার এদেরকে একটু রেহাই দিন। চলুন, ছাএ রাজনীতিকে "না বলি"। ছাএদেরকে লেখাপড়া করতে দিন। রাজনীতির মাঠে এনে আর কতোদিন তাদেরকে ঠকাবেন? আমরা চাই সচেতন নতুন প্রজন্ম যারা সমাজ পরিবর্তন করবে আলোকিত হয়ে। রাজনৈতিক পেশীশক্তি প্রদর্শনের গুটি হিসেবে নয়। কবে আসবে সেই দিন?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


