খুঁচিয়ে অনেকে আনন্দ পান। অন্যকে বিড়ম্বিত করে তারা নিজেদেরকে বড়ো করে তুলেন বলে মনে করেন। সেটা তেইশ বছরের "বলাই" হোক আর সওরের কোঠার পারিবারিক "দাদা-পরদাদা" হোক, তাতে কিছু আসে যায় না। আমাদের বাংলা ব্ল্লগে গত ক'দিন থেকে খোঁচানোর অসংখ্য মডেল দেখা যাচ্ছে। অবশ্য মৌলবাদী ভাবনার অনুসারীদের জন্য খোঁচানোটা অনেকটা আদর্শিক। এই খোঁচানোর বিপরীতে তেমন লেখা যে এখানকার ব্ল্লগে আসেনি তা নয়, কিন্তু সুপ্রিয় ব্ল্লগার হীরক লস্করকে এক্ষেএে আমি খুব বেশী মিস্ করছি। হীরকের প্রথাগত পরিশীলিত? রম্য প্রতিবাদ অন্তত: তার উওরসূরী ভারিক্কি মেজাজের শোহেইল মতাহিরের কাছ থেকে তেমন আসছে না। তিনি বর্তমানে চিকিৎসা শাস্ত্র নিয়ে ব্যস্ত। কারণ, দৈহিক ব্যাধির নিরাময় না হলে সুস্থ ও খোঁচানোহীন মননের আউটপুট আসবে কি করে?
কিছু মেরুদন্ডহীন ভুয়া ব্ল্লগার আবার এখানকার অপ বাক, হাসিমুখের কাছাকাছি ব্ল্লগ আইডি দিয়ে নিজেদের দলভারী করার চেস্টা করছেন। তার উপরে আবার কিছু তথাকথিত ধার্মিক ব্ল্ল্লগাররা সেটা নিয়ে স্বগর্ীয় প্রমোদ ও আত্মতৃপ্তি পাচ্ছেন। যারা আদর্শ কপচাতে কপচাতে হাতের চামড়া তুলে ফেলছেন, তাদের ঠুনকো আদর্শ বরং এতে ধুম্রজালের মতো বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই তো ক'দিন আগে ব্যক্তিগতভাবে আমাকে গালাগালি করে আমার ব্ল্ল্লগে একজন মন্তব্য রেখেছেন, সেই বয়স্ক ঢিলে মাথার ভদ্রলোককে সরাসরি অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছি আমার পোস্টে। মামলা শেষ। কারও লেখা যদি ভাল না লাগে, না পড়লেই হয়, তা নিয়ে ব্যক্তিগত গালাগালির শব্দভান্ডারের চর্চা না করলেও চলে। আদর্শের কথা নিয়ে যারা চাঁদ-তারা খচিত ঝান্ডা উড়াতে চান, তারা যে কতোটা আদর্শ বিবর্জিত মুনাফালোভী কাবুলীওয়ালা, তা তাদের ভুয়া আইডির বহর দিয়ে ও কথার ধরণেই বুঝা যায়।
এসব আদর্শিক ব্ল্ল্লগাররা রাসেলের... প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাদের প্রতিবাদী ভাষা দিয়ে নিজেদের একেবারে উলঙ্গ "অপ্রকৃতিস্থ" করে প্রকাশ করে স্বগর্ীয় আনন্দ পাচ্ছে। এই ধারার ইতিবাচক একটি দিক আছে। তা হচ্ছে একটি স্পস্ট মেরুকরণ যা আগামী দিনে এসব দেশী ফিরিঙ্গীদের আবর্জনায় ফেলতে সুবিধা হবে। আমাদের অস্ট্রেলীয় ফিরিঙ্গীরা খুব অহমিকার সাথে বাংলার সূর্য সন্তানদেরকে অবমাননা করতে গিয়ে এখন নিজস্ব অহমিকার খেসারত দিচ্ছে। তবে দেশীয় ফিরিঙ্গীরা ধর্মের মুখোশ দিয়ে নৈতিকতা প্রসারে ব্যস্ততায় দ্রুত হারাচ্ছে তাদের পায়ের নীচের মাটি। মনে রাখা উচিত, তাদের নৈতিকতা 71'এ পাশবিকতাকে ম্লান করতে পারবে না, হয়তো বিভ্রান্ত কিছু তারুণ্য তাদের সাথে সুর মিলিয়ে আত্মপ্রসাদ পাবে কিন্তু তাতে মুক্তি আসবে না। কারণ, দুর্ভাগ্যের রাত সবসময়ই বড্ডো ক্ষণস্থায়ী।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




