আপেল যেমন মাথায় পড়ে
তেমনি করে
ভবন পড়ে ধসে-
নিউটনের সূএ মতে, নিউটনেরই দোষে।
নিউটনকে দাও ফাঁসি দাও
গেরো লাগাও কষে।
লঞ্চগুলো সব ডোবে
আইন কাকে ছোঁবে ?
আর্কিমিডিস সূএ দিলেন
তাকেই মারো ক্ষোভে।
আল্ল্ল্লার মাল আল্ল্লা নেবেন তুলে
আমরা যেন না যাই সেটি ভুলে"
(সংগৃহীত)।
অবশেষে বাণিজ্য মন্ত্রী আলতাফকেও বিদায় নিতে হলো। তিনি এখন দফতর বিহীন মন্ত্রী। আজকের সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে:
"রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় শিশু নওশীন ছিনতাইকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছিল। সেই ঘটনা এখনো আমাদের হূদয়ে রক্তক্ষরণ করে। এই হূদয়বিদারক ঘটনা নিয়েই বেফাঁস মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছিলেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি তখন ছিলেন স্বরাস্ট্রমন্ত্রী। নওশীনের বাবা-মাকে সান্তনা দিতে গিয়ে উল্টো ফ্যাসাদ বাধান তিনি। শোকার্ত মা-বাবার মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, 'আল্ল্লাহর মাল আল্ল্লাহ নিয়ে গেছে...'। আর তখন থেকে কেউ কেউ কৌতুক করে আলতাফ চৌধুরীকে আড়ালে-আবডালে 'আল্লাহর মাল' বলে ডাকতেও শুরু করেন। কিন্তু তাতে আসন টলেনি আলতাফ চৌধুরীর। এরপর দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটে। কিন্তু আলতাফ চৌধুরী বার বারই বলতে থাকেন, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে; চুরি-ডাকাতি বেড়েছে মাত্র। আবার খুন বেড়ে গেলে তার ব্যাখ্যাও হাজির করেন তিনি। তিনি প্রকাশ্যেই বলেন, 14 কোটি লোকের দেশে প্রতিদিন 10-12টি খুনের ঘটনা স্বাভাবিক। মার্কিন যুক্তরাস্ট্র্রসহ উন্নত বিশ্বে এর চেয়ে অনেক বেশি অপরাধ ঘটে। বাচাল এই আলতাফ চৌধুরী কাজেও তার চরিত্র প্রমাণ করেন। তার নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালীতে নিজ দলের নেতাকর্মীদেরও মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার সাধারণ মানুষের দোকানপাট ভেঙে পটুয়াখালী শহরে নিজ বাড়িতে প্রবেশের জন্য প্রশস্ত রাস্তাঘাটও তৈরি করেছেন। গ্রামের বাড়িতে সরকারি খরচে তৈরি করেছেন আলিশান ডাকবাংলো। এই আলতাফ চৌধুরী, যাকে পরবর্তী সময়ে স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়। দায়িত্ব্ব দেওয়া হয় বাণিজ্য মন্পণালয়ের। তবে তাতেও বিচলিত ছিলেন না তিনি। স্ব্বরাস্ট্র্রমন্ত্রীর পদ হারানোর পর গর্বভরে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমার পদোন্নতি হয়েছে। আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানোর সাফল্যের কারণে এবার আমাকে বাণিজ্য মন্পণালয়ে দেওয়া হয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য। এখানেও আমি সফল হব। কিন্তু আবারো বেফাঁস ও সরস মন্তব্যে তিনি সফলতা খোঁজার চেস্টা করেন। চালের দাম বেড়ে গেলে তিনি বলেন, 'বৃস্টির কারণে দাম বেড়েছে, রোদ উঠলেই একদিনের মধ্যে চালের দাম কমে যাবে।' বৃস্টি কমে রোদ উঠলেও চালের দাম কমেনি। তবুও বহাল ছিলেন বাণিজ্যমন্পী। কিন্তু সামপ্রতিক সময়ে দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া বাণিজ্যমন্ত্রীকেও তার আসন থেকে টেনে নামিয়েছে। সোমবার দুপুরেও তিনি কেটিএস গার্মেন্টসে অগি্নকান্ডের ঘটনায় নিহতদের 5 লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের পরিবর্তে 1 লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পক্ষে সংবাদ মাধ্যমের কাছে যুক্তি তুলে ধরেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকেও তিনি ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল। জানতেন না, আর কয়েক মূহুর্ত পরেই তিনি হবেন দফতরবিহীন। থাকবে না কোনো সুনির্দিস্ট দায়িত্ব। হয়তো এবার তিনি বলবেন, যেখানেই সংকট সেখানেই আমাকে পাঠানো হবে। তাই সুনির্দিস্ট কোনো দফতর দেওয়া হয়নি"।
জনপ্রিয় মন্ত্রী আলতাফকে আমরা খুব মিস্ করবো...(ক্লোজআপহাসি)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




