আজকের ওয়াশিংটন পোস্টের ধর্ম বিভাগে (2/5/06) ফয়েজ সালেহ আম্বাহ'র এই প্রতিবেদনটি চোখে পড়ে গেল। সৌদী আরবে সুফীবাদের পুনরুত্থান হচ্ছে। অন্তত: ওয়াহাবী শাসিত সৌদী মোল্ল্লাদের মধ্যে সহনশীলতার কিছুটা বিকাশ ঘটছে। বিশেষত: 2001 সালের সেপ্টেম্বর 11 তে সন্ত্রাসী হামলায় 19 জনের মধ্যে 15 জনই ছিল সৌদী আরবের। এর পর থেকে সৌদী আরবের সমাজ ও শাসন ব্যবস্থা নিয়ে দেশে-বিদেশে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠে। অতি রক্ষণশীল সৌদী শাসন ব্যবস্থায় সূফীবাদ নিষিদ্ধ ছিল। অধিকাংশ সূফী সাধনা হতো আড়ালে-আবডালে। সূফী শব্দ উচ্চারণ করাও বিপজ্জনক ছিল। এখন সেখানে পরিবর্তন এসেছে। শতাব্দী পুরনো মাওলীদ বা মিলাদের চচর্া হচ্ছে। সূফী সাধকরা তাদের শিষ্যদেরকে তা'লিম দিচ্ছেন অনেকটা খোলাখুলিভাবে।
ওয়াহাবীরা কঠোরভাবে সূফী সাধনাকে দমন করে। হেজায প্রদেশ যার অন্তর্গত হচ্ছে পবিএ মক্কা, মদীনা ও জেদ্দা শহরে ঐতিহাসিকভাবে সেখানে সূফীবাদের ব্যাপক চর্চা ছিল। 1920 সালে সৌদ পরিবার রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পর পরই সূফী চর্চা নিষিদ্ধ করে দেয়। ধ্বংস করে দেয় মা ফাতেমা ও খাদীযা (রা
সূফীদের সাথে ওয়াহাবীদের পার্থক্য আলোচনা করতে গিয়ে এই প্রতিবেদনে বলা হয়, "Wahhabis and Sufis view Islam from opposite directions. To Wahhabis, who emerged from the kingdom's stark, harsh desert, a believer's relationship can be only directly with God. To them, Sufis' celebrations of the prophet's life smack of idolatry, and supplications to him, his relatives and companions appear to replace or bypass the link with God. Sufis answer that the prophet celebrated his own birthday by fasting on Mondays, that he himself offered to intervene with God on behalf of Muslims and that he could often be found in the evenings at the grave sites of his wives and companions".
গতমাসে হযরত মুহাম্মদ (স
ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত মূল প্রতিবেদনটি পাবেন: http://tinyurl.com/qc4kc
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০০৬ রাত ১১:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



