যদিও এখানে বৈচিএ্য খুবই সামান্য। সমস্যা অনেক। লেখায় হাইপারলিংক দেয়া যায় না। টাইনী ইউআরএল দিয়ে অনেককে নিজের পছন্দের গন্তব্যে নেয়ার চেস্টা চলে। তারপরেও নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল। এখানে নেপথ্যে যারা কাজ করছেন বিরামহীনভাবে তাদের নিত্যকার চেস্টা-সাধ্য-সাধনার কৃতিত্ব অনেক অনেক বেশী। এখানে চাই অনেক লেখা। এখানে প্রায় 16 লাখ টোকার সাথে সাথে মাএ নয় হাজার লেখা মোটেও সন্তোষজনক নয়। লেখুক সবাই। শুদ্ধ-অশুদ্ধ যাই লিখুক, কী-বোর্ডে ছন্দবদ্ধ হাত ফুটিয়ে তুলুক ভাবনাগুলোকে কথামালায়। আমরা সবাই শিখছি। একটু একটু করে হাঁটতে শিখছি। অনভ্যাসের হাতে অভ্যাস আর ভালো লাগার ছোঁয়া লাগছে। দোলা দিচ্ছে আমাদের ভাবনাকে।
রাস্তার আড্ডা, চায়ের দোকানের আড্ডা, বেলকনীর আড্ডা- সব আড্ডা এসে জড়ো হোক ব্ল্ল্লগের পাতায়। লুকিয়ে থাকা ভাবনাগুলো প্রকাশের উল্লাসে উৎসব করুক। ফরমায়েসী লেখার দিন ক্রমেই শেষ হয়ে আসছে। ভাবনার প্রকাশে চাই সবার অবারিত সুযোগ। গ্রামে-গঞ্জে-শহরের আনাচে-কানাচে সবার ভালো লাগা খারাপ লাগা আমাদের মনকে দোলা দিক। ভাবনার বিপ্ল্লব আসুক কথামালার সারিতে। তাই ভাল লাগে যখন আমরা সবাই প্রযুক্তির হাত ধরে একএিত হই। অতিক্রম করি অবস্থানগত আর সময়গত ব্যবধান। আমাদের একএিত পদযাএায় আসুক সুর, আসুক উচ্ছাস, হোক তার উজ্জল প্রকাশ সকল দিগন্তে।
"তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে,
এ আগুন ছড়িয়ে গেল সবখানে"
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



