দেশে আজ শান্তি ও ইনসাফীর বন্যা বইছে। গোলাপী শাড়ির হালকা মিঠে রংয়ের আঁচলের ছায়ায় রাজাকার জামাতীরা শান্তির সিপাহী হিসেবে বাংলাদেশকে পাক-সাফ করে পুরোপুরি ইনসাফী কায়েম করেছে, পরাজিত করেছে বাতিলকে। ইনসাফের বাণী দিলে আর জবানে নিয়ে মাশরিকী আর মাগরিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে তাদের ছাওয়াল-পাওয়ালরা। বিডি ফুডসের মাধ্যমে বিলেতী ফিরিঙ্গীদেরকে হিরোইন আর আফিম খাইয়ে মোহগ্রস্ত করে রেখেছে। সমস্যা হয়েছে শুধু এই বাংলা ব্ল্ল্লগে। মঞ্জিলে পৌঁছা যাচ্ছে না। মোহগ্রস্ত করা যাচ্ছে না। তাদের দলীয় তেজারত বারবার থমকে যাচ্ছে। কোনমতেই অন্ধ ভক্তের সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না। কিছু বোকাসোকা মানুষ ইতিহাস থেকে টেনে গোপন ছবিগুলো প্রকাশ করে আর পুরনো কাসুন্দি নেড়ে গোমরাহ করে দিচ্ছে নতুন প্রজন্মকে। তাই, তাদের দ্বীনি ঝান্ডাকে একটু আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়ে যুগোপযোগী করার চেস্টা চলছে। সেই ধারায় কিছু লাস্যময়ী ও হাস্যময়ী কন্যারা অবাধ ব্ল্লগবগানি দিয়ে আকৃষ্ট করে ধরে রাখতে চায় কিছু সংখ্যক হট মেজাজী তারুণ্যকে।
কিন্তু তার পরও শান্তি নেই। তাই, শান্তির একটি স্থায়ী বুনিয়াদ তৈরী করা খুব দরকার। যারা এখানে একটু ধর্মভক্ত ও শান্তিবাদী এরকম দু'জনকে যদি জুটিবদ্ধ করা যায় তাহলে অন্তত: ব্লগের জিন্দেগীতে একটু শান্তি ও কামিয়াবী আসতে পারে। দীক্ষককে মেয়ের মামা হিসেবে মানাবে ভাল। একই সাথে তার দেশী ভাই বদরুলকে ঘটক হিসেবেও চমৎকার লাগবে। অন্তত: তিনি খালেস মনে ধান্ধা ছাড়া এই ব্ল্লগের দুলহা-দুলহীনকে শাদীর পিঁড়িতে বসাতে পারবেন। আর যারা রান্না করতে পারেন এবং প্রায়ই ব্ল্লগে রান্নার মেজবানী করেন তারাও মেহেরবানী করে খানাপিনার আঞ্জাম করে ইহসান করতে পারেন। কারণ, আমরা শান্তি চাই, কামিয়াবী চাই। আত্মীয়তার বন্ধন রক্তের ঋণের চেয়েও অনেক শক্তিশালী। রক্তের সাথে বেঈমানী করলেও তা মাফ করে দিতে কারও কোন তকলিফ হবে না...কারণ এরা সব বোনের/দুলহীনের ভাই-বেরাদর... (ক্লোজআপহাসি)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



