বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার বেশ আগে থেকেই লক্ষ্য করছিলাম বিশ্বকাপে দল সমর্থন,পতাকা উত্তোলন করা,বাজি ধরা ইত্যাদি কর্মকান্ডকে ফেসবুকে অনেক ইসলামিস্ট ইউজার ইসলামের আলোকে ব্যাখ্যা করে পোস্ট দিয়েছিলেন।মুসলিম হিসেবে অবশ্যই ইসলামী শরীয়তের সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তবে আমি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা নিয়ে আলোকপাত করতে চাই না। আমার কাছে দৃষ্টিকটু বিষয়টাই উপস্থাপন করতে চাই।
টি-২০ বিশ্বকাপের সময় রাস্তার মোড়ে মোড়ে একটা পোস্টার চোখে পড়ত যেখানে গ্যালারীতে পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে প্রবেশ করা কতিপয় নাদানদের ছবি দিয়ে লেখা ছিল-বাংলাদেশীদের হাতে বিজাতীয় পতাকা চাই না। একজন বাংলাদেশী হিসেবে এটাকে মনে-প্রাণে সমর্থন করলেও আমি মনে করি না ’৭১-এ পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে বঙ্গজননী ভারতকে তার স্বামী হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং সংসার জীবনে ব্রাজিল,আর্জেন্টিনা,জার্মানি এদেরকে জন্মদান করেছে।
মূলত এর মাধ্যমে যুবসমাজ তাদের মূল্যবান সময়কে নষ্ট করছে এবং ফলশ্রুতিতে তাদের থেকে কাঙ্খিত বিষয়াদি থেকে সমাজ বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে মানুষ ন্যায্যা অধিকার থেকে বঞ্চিত নয় কি ? সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ কি দূর্নীতিগ্রস্ত নয়? খুন-গুম-সন্ত্রাস কি দিন দিন বাড়ছে না? এসবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার মূল ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার কথা তো তারুণ্যদীপ্ত যুবকদেরই। রফিক-শফিক-বরকতের স্মৃতি কি শুধু শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে ঘিরেই আবর্তিত হবে ? নির্দ্বিধায় বলা যায়, যুবসমাজ ক্রমেই তাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরে আসছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



