গতকাল নাকি গোলাপ দিবস ছিল।সুন্দর না?
আজ থেকে দিবস শুরু হলো শুনে কপোট্রনিক চাপ অনুভব করলাম।এ চাপ কমতে আর কত দিন লাগবে?না কেউ জানে না।আমিও জানি না।
জানা তে আমি একটু কাঁচা।যেমন আগেই জানিনি। সেদিন জানতে পেরে মনে হয়েছিল না জানাটাই অনেক ভালো ছিল।
আজ গোলাপ দিবস বলে আমি আজো সাদা ফুল গুলো ভুলিনি।হাহা আমি আজো সে ফুল গুলোর নাম জানি না।শুধু জানি সেগুলো ভালোবাসার ফুল যা শুধু ইন্দিরা রোড পার হলে পাওয়া যায়।এই গোলাপ দিবসের একটা গোলাপ আজীবন পাওয়া রয়ে যাবে।চিন্তার কিছু নেই। প্রতিবারের গোলাপ দিবসএর হিসাব আমি রাখব।কিন্তু হিসাবে যে আমি বড়ই কাঁচা।
আচ্ছা এখানে প্রতিটা হিসাব লিখে রাখব।একবার সময় হলে হিসাব এর পাতা উলটে দেখো।
যেদিন দেনাপাওনা পুরন হবে সেদিন কপোট্রনিক চাপ কমবে।
পৃথিবীর যেসব গোলাপে আমার অধিকার ছিল তা অন্য হাতে মানাবে কি? আমার হাতে অবশ্য কোনো কিছুই মানায় না।
না সেসব গোলাপ নাহলে থাক ঝরেই পরুক, অন্য হাতে না যাক।অন্য হাতে অন্য গোলাপ দিও।আমার গুলো গাছেই ঝরুক।
পাপড়ি গুলো মাটিতে পরে গিয়ে হয়ত আমার হাত ছুঁয়ে দেখবে।
বাকি শব্দ গুলো সাদা হরফে আছে দেখা যাবে না কোনোদিনো
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৫:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



