গোধূলি সেজেছিলো খুব, আলতা লাল সূর্যে
ছুরিকাচি হাতে শল্যচিকিৎসক হয়েছি অতঃপর
চিড়ে দেখেছি তোকে দৈর্ঘ্য প্রস্থে অসংখ্যবার!
তোর সবুজ বুকে কতোটা বিষের বালি,
না প্রাচীন ভাষার অগ্রন্থিত সংকেত
নাড়ী নক্ষত্র উলটে পালটে দেখেছি সব,
সব দেখেছি, বুঝেছি! বুঝিনাই কিছু।
তবু অসংখ্যবার রক্তাক্ত করেছি তোকে
ডেটল, অ্যান্টিসেপটিক ঢেলে না ঢেলে
জড়িয়েছি বুকে, ছুড়ে ফেলেছি! সূর্যতাপে গিলেছি,
তোর মেঘকুন্তলে মুখ ঘষেছি নানাবিধ সংস্কারে,
গভীর আরণ্যকে তোকে নিয়ে খেলেছি,
গেয়েছি, চন্দ্রীমা মেঘমাতাল সুর সঙ্গীত।
এইসব, নানাবিধ আয়োজনের থিয়েটার
নরোম আলোর অবয়বে তোর কঞ্চিবাঁশের শরীর
তোর বসন খুলে, নিরেট শরীরে চালিয়ে যাই অস্ত্রপচার
কাটাকুটি করি, তোর শরীর থেকে ছুটে আসা
ফিনকি রক্তে ঠোঁট ছোঁয়াই, ঘৃণা করি, ভালোবাসি
অসংখ্য কাটাচেড়া করি প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ।
অবেলার রঙপেন্সিলে সাজাই তোর দেহসুষমা
আবার প্রতিদিন পালটে দিই তনুভাঁজ।
একেকবার একেক আঙ্গিকে দেখি তোকে
সাবলীল তোর প্রতিটি আচরণ আমাকে উদ্বুদ্ধকরে।
পুনরায় চালাই ধারালো ব্লেড, এসিডের অম্ল!
তোকে কেটে, ঝলসিয়ে দেখি নয়ন ভরে। আবিষ্কার করি
নব রূপে এবং আঁটকে যাই তোর বৃত্তবলয়ে!
অটঃ 'সন্তর্পণীকা' শব্দটা হা-মা ভাইয়ের আবিষ্কার। কবিতাটা লিখার পর মনে হলো কবিতাটায় হা-মা ভাইয়ের স্নাফ ভর করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


