somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তুই রাজাকার - এদেশে তোর কবর!! আমার মায়ের অপমান

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ ভোর ৫:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই- গো-আজম একটা কুলাঙ্গার। তারচেয়েও মস্তবড় কুলাঙ্গার শেখ হাসিনা এবং তার সরকারে থাকা চঞ্চু-ষণ্ডা-পাণ্ডারা। ফলত লাখো মা-বোনের ইজ্জত লুট-হত্যা, তরুণ-যুবক, শিশু-বৃদ্ধ এবং বুদ্ধিজীবীদের গণহত্যার একমাত্র নায়ক এই গো-আজমের শেষকৃত্তে নালায়েক-অবুঝ বান্দারা অংশ গ্রহণ করে মূলত এসরকারকেই অনাস্থা জানিয়েছে। এটা কোন শুভলক্ষণ নয়। এটা দুর্ভাগা জাতির দুর্লক্ষণ।
এবঙ্গে কুলাঙ্গারের জন্ম নতুন নয়। ক্ষণের দোষে দুনিয়ার আগান-বাগানেও তা জন্মে। তবে বঙ্গকুলে একটু বেশি। ইতিহাস তো তা-ই বলে।
মরহুম সাংবাদিক বোরহান আহমেদের কাছে শুনেছিলাম যে দৈনিক জনকণ্ঠে ‌''তুই রাজাকার শিরোনামে'' একটি নিয়মিত কলাম চালু করেছিলেন অনেক ভেবেচিন্তে। তিনি জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। অনেক ভাবার কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন গো-আজমদের ঘৃণা-ধিক্কার জানানোর উপযুক্ত ভাষা খুঁজে পেতে সময়ে লেগেছিল। আমার কাছে মনে হয় তিনি সত্যিই বলেছিলেন। এই হন্তারকদের ঘৃণা জানানোর ভাষা প্রকৃতপক্ষেই নেই।
ছাত্র শিবিরের এক সাবেক নেতা কয়েকদিন আগে আমাকে বলেছেন- মূলত আল-সামস, আল-বদর বাহিনী প্রথমে গঠন করা হয়েছিল উত্তর বঙ্গের জামালপুর ও সিরাজগঞ্জ এলাকায়। এটা গো-আজম শুনতে পেয়ে সমর্থন দেয় এবং সরাদেশে জামায়াতের সাংগঠনিকভাবে অ্যানথ্রাক্স'র মত ছড়িয়ে পড়ে। এরপরের গণহত্যা-লুণ্ঠন-ধর্ষণের ঘটনা সকলেরই জানা আছে।
এই লোকটা যে অতিলোভী, ধুরন্ধর ছিল তার প্রমাণ হিসেবে অনেক আলামত রয়েছে। তার নামের আগে সে 'অধ্যাপক' যোগ করেছে। রংপুরের কারমাইকেল কলেজে সে কয়েক মাস শিক্ষকতা করেছিল। সে কখনোই প্রফেসরের যোগ্যতা অর্জন করেনি। আমি দু'বার তাকে মোক্ষম সময়ে পেয়ে জানতে চেয়েছিলাম অধ্যাপক হিসেবে সরকারি নথিতে আপনার নাম নেই কেন? প্রশ্নটি দূর্ততার সঙ্গে এঁড়িয়ে গিয়েছিল। তার দলের লোকজন ভাষাসৈনিক হিসেবে প্রচার করছে। এটা সম্পূর্ণ মিছা কথাই তারা প্রচার করছে। আর এটা জোরে-শোরে শুরু হয়েছে ২০০১ সাল থেকে। কারণ জামায়াতের ঢাকা মহানগর অফিস ৪৮ পুরানা পল্টন থেকে একটি মাসিক ম্যাগাজিন প্রকাশ করতো। নাম ছিল 'আলোড়ন''। এটার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সাদ বিন রাবি ভাই। তখন ২১ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় কয়েকজন প্রকৃত ভাষাসৈনিকের সাক্ষাতকার ছেপেছিলেন। এরমধ্যে অ্যাডভোকেট কাজি গোলাম মাহবুব, আব্দুল গফুর ছিলেন। সাক্ষাতকারটি নিয়েছিল শাহিন এবং সামসুল হক বসুনিয়া। এতে আবদুল গফুর সাহেব তার সাক্ষাতকারের শেষের দিকে বলেছিলেন- গো-আজম স্মারকলিপি দেয়ায় জড়িত ছিলেন। এটা দেখে গো-আজমের সাক্ষাতকার ছাপানোর উদ্যোগ নেন সাদ বিন রাবি ভাই। পরে ভাষা মতিন সহ সকলের সাক্ষাতকার একত্রে ছাপানো হয় আলোড়ন, সোনার বাংলা এবং সংগ্রাম পত্রিকায়। এনিয়ে ব্যাক্তিগতভাবে আমার কাছে কাজি গোলাম মাহবুব ও ভাষা মতিন ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। আমি এক বিকেলে কাজি গোলাম মাহবুবের ধানমন্ডি লেকপাড়ের বাষায় গিয়েছিলাম আমার ব্যাক্তিগত কাজে। তার টেবিলে এই আলোড়ন ম্যাগাজিনটি দেখতে পেয়ে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। বলেন সাদ বিন রাবি একটা ফ্রোড কাজ করছে। একইভাবে ভাষা মতিনও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। প্রকৃত অবস্থায় রা্বি ভাই এজন্য দায়ী ছিলেন না। মহানগর অফিসের জামায়াতিরাই এই জগন্য কাজটি রাবি ভাইকে দিয়ে করিয়েছিলেন। তিনি ওখানে কেবলমাত্র পেটের দায়ে কাজ করতেন।
শধু তাই নয়। গো- আজমের নামের আগে জামায়াতিরা মজলুম জননেতা লাগিয়ে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীর সমকক্ষ বানানোর চেষ্টা চালিয়েছে। এটা পরিকল্পিত ভাবে করেছে। এরকারণ ছিল তার রাজাকার নামের কালিমা ঘোচানোর জন্য। এভাবে শত উদাহরণ রয়েছে এই কুলাঙ্গার গো- আজমের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×