
হঠাৎ একদিন পুস্তকের ভিতর থেকে লাল রঙের পেন্সিলটি উধাও,
কিন্তু কী অাশ্চার্য ! সেখানে একটি লাল গোলাপ গন্ধ ছড়াচ্ছে।
তৎক্ষণাৎ দুরন্তপনা বালকটি কিম্ভূতকিমাকার হয়ে যায়,
বালকের অনুসন্ধিৎসু মন প্রশ্নাতুর চোখে চারিদিক তাকায়,
অতঃপর স্বস্তির নিঃশ্বাস ; তাকে ফুলটি ষোঢ়শী দিয়েছে।
ষোঢ়শীর সৌষ্ঠবপূর্ণ দেহে-মনে সৌন্দর্য সাজান থরে থরে,
ঠিক যেন স্বর্গোদ্যানে প্রস্ফুটিত গোলাপের এক স্বয়ম্ভর সাজি।
বালকটি গন্ধ ছড়ানো লাল গোলাপটিতে ষোঢ়শীর অবয়ব খুঁজে পায়,
সে স্বপ্নকুঞ্জে বিচরণ করে প্রণয়পিপাসু অাত্মার অাহার সন্ধানে,
সেখানে খুঁজে পায় অাপন লাবণ্যচ্ছ্বাসে তিলোত্তমা অপ্সরা ষোঢ়শীকে।
বালকের রিক্ত মনের মুকুরে সঞ্জীবনী দখিনা পরশ দিয়ে যায়,
মনের মরুতীরে বাগান বিলাসী লতা জিকে উঠতে থাকে অহর্নিশ।
কিন্তু অাবেগ একটু ঘনত্ব প্রাপ্ত হয়ে উঠতেই বালক বাস্তবানুগ হয়,
সে মুহুর্তেই স্বপ্নকুঞ্জের চারণভূমি থেকে বাস্তব জীবনে ফিরে অাসে,
অার গোলাপটি শুকিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই ষোঢ়শীকে ভুলে যায়।
[প্রথম প্রকাশঃ ৮ ই জানুয়ারী, ২০১৭ খ্রিঃ]
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



