somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মানুষ নিয়ে, মানুষের লাশ নিয়ে ব্যাবসা করে খাচ্ছে এদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষ।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ব্লগার' বাংলাদেশের সবচেয়ে ওজনদার শব্দ। ব্লগার মরলে অন্তত এদিক সেদিক সবদিকেই কিছুটা আহা উহু দেখা যায়। বাকিদের লাশ টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়। ময়মনসিংহের এক ডাস্টবিন থেকে বস্তায় বস্তায় মানুষের হাড় গোড় পাওয়া গিয়েছে। এ নিয়ে তেমন কারো মাথা ব্যাথা নেই। কারা ওইসব হতভাগারা তা কেউ কোনদিন জানবেনা।
কি অদ্ভুত এই বর্বর দেশ! কেউ ব্লগার না হলেও আজকাল পত্রিকা ওয়ালারা ব্লগার শব্দটি জুড়ে দিয়ে টিআরপি বাড়াতে চায়। অদূর ভবিষ্যতে "ব্লগার কোচিং সেন্টার" খুলে ছোট জাত থেকে বড় জাতে উন্নত করার বিজনেস দেখলেও অবাক হবনা। 'ব্লগার' বাংলাদেশের সবচেয়ে ওজনদার শব্দ। ব্লগার মরলে অন্তত এদিক সেদিক সবদিকেই কিছুটা আহা উহু দেখা যায়। বাকিদের লাশ টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া হয়। ময়মনসিংহের এক ডাস্টবিন থেকে বস্তায় বস্তায় মানুষের হাড় গোড় পাওয়া গিয়েছে। এ নিয়ে তেমন কারো মাথা ব্যাথা নেই। কারা ওইসব হতভাগারা তা কেউ কোনদিন জানবেনা।
কি অদ্ভুত এই বর্বর দেশ! কেউ ব্লগার না হলেও আজকাল পত্রিকা ওয়ালারা ব্লগার শব্দটি জুড়ে দিয়ে টিআরপি বাড়াতে চায়। অদূর ভবিষ্যতে "ব্লগার কোচিং সেন্টার" খুলে ছোট জাত থেকে বড় জাতে উন্নত করার বিজনেস দেখলেও অবাক হবনা। মানুষ নিয়ে, মানুষের লাশ নিয়ে ব্যাবসা করে খাচ্ছে এদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষ।
আরেফিন দীপন "অন্ধকার" আইডি নামে একসময় ব্লগিং করতেন। তবে তার প্রকাশনার বিজ্ঞাপনই বেশি থাকতো। তাকে কখনো দেখিনি ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করতে। এখন শুনলাম তিনি নাকি শহীদ জিয়া পাঠাগারের সহ সভাপতিও ছিলেন। এই হত্যাকান্ডগুলোর মধ্যে গভীর কিছু লুকোনো আছে। এগুলো কোনো মতেই এদেশের কারো হুকুমে হচ্ছে বলে আমি মনে করিনা। এতে ভারতের হাত আছে বলে অনেকেই ভাবছেন। আর তাই সরকার এতটা উদাসীন। তারা সব জানে।
সরকার সব জানে এটি আমরা জানি। তবুও চুপ করে থাকি। সুতরাং আমরা এসব খুনের জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী। যারা বিচারহীনতার এই দেশে চোখের সামনে প্রতিদিন প্রচুর খুন খারাবীতে সরকারের জড়িত থাকার প্রমান স্বত্তেও চুপ করে থাকে, তারা আসলে লাশের ব্যাবসা করে। প্রতিটি হত্যায় তাদের দায়। তাদের সুবিধের জন্য নিরিহ মানুষদের খুন করা হয়। আরেক নিরিহ কিংবা প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য।
কতটা হিংস্র আর সাইকো একটি জাতিতে পরিনত হয়েছি আমরা। কি একটি দেশকে কি করে দিচ্ছে এই সরকার এবং এর কুফল এবং সুদূরপ্রসারী কুফল কি হতে পারে তা নিয়ে সু-শীল কিংবা নাপিত সমাজের উচ্চবাচ্য নেই। তারাও ব্যাবসায়ী। খ্যাতিজনক ব্যাবসা।
আহমেদুর রশীদ টুটুল আর রণদীপম বসুদের যারা হাসপাতালে এখন, তাদের কোপানোর পর নাকি শুনলাম অফিসের এক কর্মচারী রাসেল সরাসরি পুলিশ উপ কমিশনারকে ফোন দিয়ে বলেছে, আমাদের বাঁচান। এরপর টেক্সট করেছে, আমাদের বাঁচান। সে ফোন দিয়েছে টুটুলের মোবাইল থেকে! এই ঘটনায় প্রচুর অসংগতি দেখা গিয়েছে। কিন্তু এসবের তদন্ত হবেনা।
যেখানে মোটরসাইকেল স্বয়ংকৃতভাবে রং বদল করে ফেলে ষোল কোটি মানুষের সামনে আর আমরা তারপরেও কিছুই করতে পারিনা সেখানে এদেশে কোনো খুনের আর বিচার হবার আশা নেই এই আওয়ামী সরকারের আমলে। নামকা ওয়াস্তে বিচার হলেও আসল খুনি নিরপরাধের ফাঁসী দেখে নিয়ে এক লাচা ঘুম থেকে উঠে আরেক কন্ট্রাক্ট পূরণে যাবে। সুতরাং, এখানে আর রাজনীতির এইসব হাবিজাবী বলে লাভ নেই।
তবে ব্লগারের যেমন ওজন আছে তেমন চাপাতিরও কিন্তু ওজন আছে। চাপাতির নিচে সবাই সমান। এই এক জিনিসেই এখন মনে হচ্ছে দেশে সমতা আনা যায়।
একটি নতুন কৌতুক, "ব্লগার নামের একটি কয়েনের মাত্র দুইটি সাইড। একটি হল চাপাতি আর অন্যটি হল জার্মানি।"
আরেফিন দীপন "অন্ধকার" আইডি নামে একসময় ব্লগিং করতেন। তবে তার প্রকাশনার বিজ্ঞাপনই বেশি থাকতো। তাকে কখনো দেখিনি ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করতে। এখন শুনলাম তিনি নাকি শহীদ জিয়া পাঠাগারের সহ সভাপতিও ছিলেন। এই হত্যাকান্ডগুলোর মধ্যে গভীর কিছু লুকোনো আছে। এগুলো কোনো মতেই এদেশের কারো হুকুমে হচ্ছে বলে আমি মনে করিনা। এতে ভারতের হাত আছে বলে অনেকেই ভাবছেন। আর তাই সরকার এতটা উদাসীন। তারা সব জানে।
সরকার সব জানে এটি আমরা জানি। তবুও চুপ করে থাকি। সুতরাং আমরা এসব খুনের জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী। যারা বিচারহীনতার এই দেশে চোখের সামনে প্রতিদিন প্রচুর খুন খারাবীতে সরকারের জড়িত থাকার প্রমান স্বত্তেও চুপ করে থাকে, তারা আসলে লাশের ব্যাবসা করে। প্রতিটি হত্যায় তাদের দায়। তাদের সুবিধের জন্য নিরিহ মানুষদের খুন করা হয়। আরেক নিরিহ কিংবা প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য।
কতটা হিংস্র আর সাইকো একটি জাতিতে পরিনত হয়েছি আমরা। কি একটি দেশকে কি করে দিচ্ছে এই সরকার এবং এর কুফল এবং সুদূরপ্রসারী কুফল কি হতে পারে তা নিয়ে সু-শীল কিংবা নাপিত সমাজের উচ্চবাচ্য নেই। তারাও ব্যাবসায়ী। খ্যাতিজনক ব্যাবসা।
আহমেদুর রশীদ টুটুল আর রণদীপম বসুদের যারা হাসপাতালে এখন, তাদের কোপানোর পর নাকি শুনলাম অফিসের এক কর্মচারী রাসেল সরাসরি পুলিশ উপ কমিশনারকে ফোন দিয়ে বলেছে, আমাদের বাঁচান। এরপর টেক্সট করেছে, আমাদের বাঁচান। সে ফোন দিয়েছে টুটুলের মোবাইল থেকে! এই ঘটনায় প্রচুর অসংগতি দেখা গিয়েছে। কিন্তু এসবের তদন্ত হবেনা।
যেখানে মোটরসাইকেল স্বয়ংকৃতভাবে রং বদল করে ফেলে ষোল কোটি মানুষের সামনে আর আমরা তারপরেও কিছুই করতে পারিনা সেখানে এদেশে কোনো খুনের আর বিচার হবার আশা নেই এই আওয়ামী সরকারের আমলে। নামকা ওয়াস্তে বিচার হলেও আসল খুনি নিরপরাধের ফাঁসী দেখে নিয়ে এক লাচা ঘুম থেকে উঠে আরেক কন্ট্রাক্ট পূরণে যাবে। সুতরাং, এখানে আর রাজনীতির এইসব হাবিজাবী বলে লাভ নেই।
তবে ব্লগারের যেমন ওজন আছে তেমন চাপাতিরও কিন্তু ওজন আছে। চাপাতির নিচে সবাই সমান। এই এক জিনিসেই এখন মনে হচ্ছে দেশে সমতা আনা যায়।
একটি নতুন কৌতুক, "ব্লগার নামের একটি কয়েনের মাত্র দুইটি সাইড। একটি হল চাপাতি আর অন্যটি হল জার্মানি।"
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৫২
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×