somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আলমগীর সরকার লিটন
দো-শ্বাস জয় হোক আমাদের জীবন আর মরণ যেনো বিনম্র শ্রদ্ধায় ঘুমন্ত হোক আর ভালবাসার সুগন্ধী বাতাস উড়ন্ত বাক এভাবেই কোন মাটির ঠিকানায় উঁচু পথের সরগম;

ফিচারঃ জীবন মানেই শিল্প সাহিত্য

১৫ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নিঃশ্বাসের অগ্রভাগ জুড়ে যেটুকু সময় থাকে,এটাই জীবনের চলমান অর্থাৎ মৃত্যুর পরেও জীবন থাকে, যাকে বলে শিল্প ও সাহিত্যে ভরপুর। ভরে থাকে চিত্র অঙ্কন,চিত্রনাট্য,গল্প উপন্যাস কবিতা কাব্যের সোনালি মাঠ। যত সব র্বোধময় ভাবনার গায়ে সুগন্ধী ফুলের রঙ্গকথা ভেসে যায় রঙ তুলি আর নদী নদের উজান ভাটি বুক কিনারায়। তারপরও শিল্প সাহিত্যের জীবনে অজানাই থেকে যায় । এ সবের মাঝে জীবনের এক রহস্যময় শিল্প সাহিত্য তৈরি হয়, খুবি বড় পরিসরে কিংবা ক্ষণ ভাবে। শিল্প ও সাহিত্য জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত এর একটি বাদ দেয়া যায় না। পরিবার সামাজিক যেখানেই যাই না কেনো শিল্প ও সাহিত্যের ছুঁয়া আছে। এক কথায় বলা যায় শিল্প সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনিতা অপরিসিম।
শিল্প ও সাহিত্য একেক দেশের একেক রকম হয়ে থাকে। আমাদের শিল্প ও সাহিত্য কথা বলছি।
বর্তমানে শিল্প সাহিত্যের সাথে যদি বাস্তবতায় না থাকে সেখানে শিল্প ও সাহিত্যের আধুনিক, সৃজনশীল,মননশীল কোন কিছু সৃষ্টিমুখর হয়ে উঠবে না। তাই বাস্তবতা দেখতে হবে একনিষ্ঠ কর্মে ও চোখ জুড়ে বয়ে আনুক স্বার্থকতা। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়েই যেতে হবে। যার ফলে জীবন জীবিকার উপর শিল্প ও সাহিত্য বিশেষ ভুমিকা রাখছে। যেমনঃ গ্রাম বাংলার বহু ছবি, ফোটগ্রাফি, চিত্রনাট্য, সিনেমা, নাটক, গল্প কবিতা উপন্যাস সবই বাস্তবতার এক একটি সৃষ্টি রূপ। শিল্প সাহিত্যের বাস্তব নিম্নে এভাবে তুলে ধরতে পারি ‘‘অট্টালিাকর শহর, দুচোখে শুধু ভবন মাঝির খেলা, সাদা কালো রঙের পিরিতি মেলা; সারি সারি অট্টালিকার সন্ধ্যা দুপুর বেলা’’

অট্টালিকার শহর!

তেমনী প্রচুর গাড়ি ঘোড়া থাকায় জ্যামের দেশ বলা যায়, শিল্প সাহিত্যের আঙ্গিনায় নতুন মাত্রা ধরে নেওয়া যায়।

জ্যামের দেশ!
রাস্তায় যখন প্রচুর জ্যাম দেখলে একটা দ্রোহের ভাবনার আছে যা শিল্প সাহিত্য তৈরি হয়।

নিম্নে ছবি দেখে নিঃসন্দহে ভাবনা জায়গায় শিল্প সাহিত্যের ছুঁয়া লেগে যায়। পরক্ষ ভাবে নদী-নালা, খাল-বিল, বালুচর, রঙবিরল পাখিদের কলরব আর চির সবুজ প্রকৃতির গাছ গছরা, মাঠ, পাহাড় জঙ্গল, অরণ্যভূমি দেখেও শিল্প সাহিত্য প্রেম সাগরের ঢেউকেও হার মানায়।

বালুচর!
বালুচরের কাছে গেলো ওই এক অনুভূতির সৃষ্টি হবে যা শিল্প সাহিত্য অসম্ভব ভাবনার রূপ চিত্র ঘটবে।

সবুজ মাঠ!
আইল পাথার যেনো এক একটি সবুজ ঘিরা মাঠ আর মাঠ দুই চোখ জুড়িয়ে যায় কবিত্ব ভাবনা আরও ফুটে উঠে।

সবুজ অরণ্য!
এত আরেক জীবনের প্রাণচঞ্চল সৃষ্টিকারি উন্মাদ জায়গা, খুব সহজে একটা শিল্প সাহিত্য সৃষ্টি করবে।

জীবরে প্রতিটি ক্ষেত্রেই শিল্প সাহিত্য গড়ে তুলতে হয় সৃষ্টিকালচারের মধ্যেদিয়ে, শিল্প ও সাহিত্য সৃষ্টি ধারা বিধাতা তৈরি করে না; আমরা মানুষ তৈরি থাকি মাত্র। একের ওপের সাথে দেখা হলে শুভ সময় কথাটা বলতে পারি। শুভ সময় কথার মধ্যে এর ধরনের শিল্প ও সাহিত্য জুড়ে আছে। আমরা গভীর ভাবে ভাবলে দেখতে পাই । শিল্প ও সাহিত্য হলো নতুনত্ব সৃষ্টির বাহক। যদি নতুনত্ব কোন ছোঁয়া না থাকে সেখানে শিল্প ও সাহিত্য বিকাশ পায় না। আমরা পুরাতন কে বার বার আঁকড়ে ধরতে চাই তার মানে এটাই সাহিত্যের গর্বিত জীবন রুপ, না। শিল্পীর রঙ তুলিতে যেমন ভিন্ন মাত্রায় কোন চিত্র অঙ্কনে ব্যাকারণ মনে করে না- ঠিক সাহিত্যের গল্প কবিতা একই কথা। কবি তার নিজস্ব জায়গা থেকে চিন্তা ভাব কল্পনিক অলঙ্কার প্রকাশ করায় মুখ্যভুমিকা রাখে, যেখানে ব্যাকরণ খুব একটা লাগে না।
কবিতা কে সাহিত্য রূপায়ন করতে গেলে দুটি ধারাতে যেতে হয়, গদ্য ও পদ্য। পদ্যের তিনটি নিয়ম বা রূপ আছে, যেমনঃ স্বরবৃত্ত ছন্দ, মাত্রাবৃত্ত ছন্দ, অক্ষরবৃত্ত ছন্দ, এই তিন ফরমেটে অনেকেই কবিতা,ছড়া লেখতে পছন্দ করে, কেউ করে না। আবার অনেকেই এ তিন ফরমেটকে ছন্দ বলে । কিন্তু ছন্দ বলতে বিভিন্ন জনের ভিন্ন কথা আছে। কেউ বলেন জীবনের প্রতিটি পথ চলাই ছন্দ, ছন্দ ছাড়া কেউ চলতে পারে না, পারবেও না, তাই আমার মতে প্রতিটি শব্দই ছন্দ। শিল্প ও সাহিত্য জীবন তিনের সাথে পাথর্ক্য খুব একটা মনে করি না। এখন আধুনিক ও সৃজনশীল শিল্প ও সাহিত্য চর্চা অনেক গুণ বেড়ে গেছে, যেমন ব্লগ, অনলাইন পত্রিকা, ফেসবুক প্রচুর কবিতা প্রকাশ হচ্ছে, প্রতিনিয়ত সাহিত্য আড্ডা করছে, কবিতা লেখা শিখাচ্ছে কিন্তু এই সব কতটুকু আমাদের সমাজে কাজে লাগছে তা আমরা ভাবছি না। দুই একটা প্রতিবাদি লেখা চোখে পরলও ভয় ভিতি দিয়ে বন্ধ করছে। তারপরও সাহস নিয়ে পদ্য থেকে গদ্য কবিতা লেখার প্রতি অগ্রহ বাড়ছে। সেখানে নতুনত্ব শব্দ, বাক্য তৈরি করেছে অনেক দূর কল্পনিক ভাবনার জায়গা সৃষ্টি করেছে। শিল্প সাহিত্য রসাল করতে সমাজের বিভিন্ন অসংগতির চিত্রনাট্য, কবিতা, গল্প লেখছে শুধু শিল্প সাহিত্যমন্ডিত করার জন্য। যুগ যুগ এভাবেই থেকে যাবে আমাদের শিল্প ও সাহিত্য যা কোন শেষ হবার নয়। জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষণ শিল্প সাহিত্যের সাথে সুগন্ধী ফুলের মালা হয়ে গাথা থাক। নিঃশ্বাসের সাথে এক অনুভূতি ও উপলব্ধিকর,এভাবে গদ্য রচনা করে যাই। যেমনঃ

//আলামত// আলমগীর সরকার লিটন
দেহের মধ্যে ভেসে যাচ্ছে-
শিল্প সাহিত্যের প্রেম নদ!
জোয়ার ভাটার খেলা, দুপায়ের
মাটি প্রতিনিয়ত খেলছে;
গন্তব্যহীন চো রাস্তার মোড়ে-
নীল আকাশ মাথার উপর
জ্বলন্তময় ইট ভাটার স্থান
রক্ত শিরায় শিরায়- ক্ষত ক্ষত
ক্যান্সারের আলামত-
তবু শিল্প সাহিত্যের আগামন-
প্রণয়ে নিঃশেষে তার মরণ।


লেখকঃ আলমগীর সরকার লিটন
শিরোনামঃ জীবন মানেই শিল্প সাহিত্য
প্রতিযোগিতার বিভাগঃ শিল্প ও সাহিত্য।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৪
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গান - জীবন যেন স্রোতের মাঝে ভাসমান দ্বীপের মতো

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪

১৯৮৪ সাল। স্কুলের অফিস রুমে গিয়েছি বেতন দেবার জন্য। লাইনে অপেক্ষা আমি আর আমার লাল ঝুটি বন্ধুটি। আমাদের খুঁজে খুঁজে ঐ ভীড়ের মাঝে পুষি এলো। আদর করে পুষি ডাকতাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×