somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধারাবাহিক উপন্যাস - অচেনা কেউ - পর্ব ৩

২৯ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পর্ব ১
পর্ব ২


রাস্তায় হাঁটছি । সময় বিকেল চারটা । আজকে একটু অন্যরকম লাগতেছে সবকিছু । কিছু একটা আগের মত নাই । বোঝা যাচ্ছে না কি । তবে এটা বুঝতে পারছি, রাস্তায় আজকে কোন মানুষ নেই । একজনও না । বড়ই অস্বাভাবিক ব্যাপার । এরকম একটা ব্যস্ত রাস্তায় এইসময় একজন মানুষ নাই আমি ছাড়া । এটা কিভাবে সম্ভব ? এখন যদি গভীর রাত হত, তাহলেও মানা যেত । কিন্তু এখন ? এক কথায়, যে কোন কিছু একটা ঘটার সম্ভাবনা হান্ড্রেড পার্সেন্ট । সেটা ভালোও হতে পারে, আবার খারাপও হতে পারে ।।
সামনে একটা তিন রাস্তার মোড় । ওই মোড়ের ডানপাশের রাস্তাটায় থাকা একটা টং দোকান আমার গন্তব্য । দোকানটা সবসময় খোলা থাকে । দোকানের মালিক একটা বুড়ো লোক । বয়স কম হয়নি তার । টং দোকানেই থাকেন তিনি । যার কারণে সবসময় টং দোকানটা খোলা থাকে । কখনো কোথাও যান না তিনি । আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি তাঁকে কোথাও যেতে । হয়ত গিয়েছিলেন । আমি এখানে আসার আগে ।।
বুড়োটা খুবই রগচটা । খিটখিটে মেজাজের । হুলুস্থুল ঝগড়া করতে পারে এই বয়সেও । যাকে পছন্দ করে না তাকে একটু অতিরিক্তই অপছন্দ করে । আর যাকে পছন্দ করে তার জন্য সব করতে রাজি । সৌভাগ্য নাকি দুর্ভাগ্য জানি না, আমাকে বুড়োটা পছন্দ করে না ।।
আমি শিওর, রাস্তায় আর কিছু না থাকলেও সেই টং দোকান আর সেই বৃদ্ধ থাকবে ।
মোড় ঘুরতেই খুশি হয়ে গেলাম । আছে দোকানটা । বুড়োটাকে দেখতে পাচ্ছি না । কারণ টং দোকানটা ঘিরে বেশ কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে । কি যেন দেখছে । হয়ত আছে বুড়োটা ভিতরে । আমিও এগিয়ে গেলাম । মানুষের ফাঁক ফোকর গলে ভিড়ের সামনে গিয়ে পৌঁছলাম ।
কেউ একজন মারা গেছে । তাকে শুইয়ে রাখা হয়েছে মাটিতে । পুরো শরীরটা সাদা কাপড় দিয়ে ঢাকা । মুখটাও ।
সবার আগে মাথায় যে কথাটা এল সেটা হচ্ছে, বুড়োটা মারা গেছে । আমার খারাপ লাগছে সেটা ভেবে । যদিও বুড়োটা আমার পছন্দ করত না । তারপরও কয়েকদিন বুড়োর ঝগড়াটা না শুনলে কি যেন নেই মনে হত ।
আরে আমার চোখে পানি কেন ? আমি কাঁদছি কেন ? আজিব ব্যাপার । এই বুড়ো মরলে আমার কি ? আমি কাঁদব কেন ?
আর আমি তো কখনো কাঁদি না । কারো জন্য না । আমার কান্না করা মানায় না । কান্না জিনিসটা সবার জন্য না । খুবই ব্যয়বহুল এই জিনিসটা । হাসি সবার জন্য ।।
আমি পাথর হয় থাকি সবসময় । আবেগ ছাড়া থাকি । যদিও কথাটা পুরোপুরি সত্য না ।
লাশটার পাশে বসে মুখের উপর থেকে কাপড়টা সরালাম ।
নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না । মানে কি এটার ? আমার চেহারা কেন এটা ? আমি শুয়ে আছি কেন ? আমি কি মারা গেছি নাকি ? আর একই চেহারার দুইজন ? আগে কখনো এই এলাকায় আমার চেহারার আরেকজন দেখি নাই । এইটা আসল কোথা থেকে ??
এতক্ষণে একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম । লাশটাকে ঘিরে থাকা মানুষগুলোর কারোরই আমার দিকে খেয়াল নেই । মানে জীবিত আমার দিকে । কেউ কি দেখতে পাচ্ছে না আমাকে ? কিছুই বুঝতে পারছি না কি হচ্ছে ।
এই যে শুনুন । আমি তো বেঁচে আছি । আমার চেহারার আরেকজন কোথায় পাওয়া গেল ?
নাহ কেউ শুনছে না আমার কথা । দেখছে না আমাকে । হঠাতই চারদিকটা ঠান্ডা হয়ে এল ।
আমার একটা আয়না দরকার । আমি নিজের চেহারা দেখতে চাই । আমি বেঁচে আছি । আয়না কোথায় পাব এখন ? আয়না ? আমি দেখতে চাই আমাকে ।
চারপাশটা খুব দুলতে শুরু করল । আমার মাথা ঘুরছে নাকি ? আমার আয়না দরকার...

চারদিক অন্ধকার । চোখ মেলার পর কিছুই দেখতে পেলাম না । অপেক্ষা করলাম । কিছুক্ষণ পর সব দেখার মত পরিষ্কার হল । সিলিংটা পরিচিত লাগছে । আমি এখন আমার ঘরে আছি । মোবাইলে সময় দেখলাম । রাত বারটা । ছয় ঘন্টার বেশি ঘুমিয়েছি । আমার জন্য এতক্ষণ ঘুমানোটা তিন চার ঘন্টার তুলনায় কিছুটা বেশিই । ক্ষিদা লেগেছে । কিন্তু এখন খাওয়ার ইচ্ছা হচ্ছে না । কারেন্ট নাই ।

একটু আগে গেছে । সিলিং ফ্যানটা এখনও অল্প অল্প ঘুরছে । গরমটা তেমন লাগছে না । যদিও এখন গরমের সময় ।
বিছানায় বসে রইলাম চুপচাপ কিছুক্ষণ । মাথায় স্বপ্নটা ঘুরছে । পুরো স্বপ্নটা স্পষ্ট গেঁথে গেছে মগজে । অনেক স্বপ্নই তো দেখি, যেগুলো জেগে উঠলে আর মনে থাকেনা । কিন্তু এটা স্পেশাল স্বপ্ন । প্রতিটা মুহূর্ত মনে আছে । সবসময়ই এমন হয় । শুধু জায়গা পাল্টায় । এই স্বপ্ন আমার জন্য নতুন না ।।
অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে ছাদে বেরিয়ে এলাম । চাঁদ উঠেছে । এক্কেবারে পুরো একটা চাঁদ । পূর্ণিমাতে নাকি পুরো চাঁদ ওঠে । এইসব চাঁদের সময়সূচী জানা নাই আমার । কখন পূর্ণিমা, কখন অমাবস্যা, কখন কি, কিচ্ছু জানিনা । এসব ব্যাপারে পুরো অজ্ঞ । তবে হ্যাঁ চাঁদের সাথে আমার ভাব আছে । তার সাথে আমার নিয়মিত আলাপ হয় । বিশেষ করে যেদিন পুরো চাঁদ উঠে । যদিও একটা সমস্যা আছে । তার আলাপের মুড থাকতে হবে । নাহলে সে কথা বলে না । একটু অহংকারী টাইপের । অন্যদের কাছে কি মনে হয় জানি না । কিন্তু আমি তার সাথে কথা বলে এটাই বুঝেছি ।
ছাদের রেলিং এর উপর উঠে বসলাম । সবসময়ের মত বাতাস আছে । আশেপাশের বিল্ডিঙে দুয়েকটা জেনারেটারের লাইট জ্বলছে । চাঁদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা দরকার । লাইটগুলো বন্ধ থাকলে ভালো হত । শুধু চাঁদের আলো থাকবে । আর কোন আলো না ।

-কি খবর ?

বলে চুপ করে রইলাম কিছুক্ষণ । চাঁদ কিছু বলে কিনা শুনার অপেক্ষা । নাহ বলছেনা । আবার ডাক দিতে যাব, তখনই সে সাড়া দিল ।

-মেজাজটা কিছুটা খারাপ আবার কিছুটা ভালো ।
-কেন ? কাহিনী কি ?
-কোনটা বলব আগে ? ভালো না খারাপ ?
-ভালো । মিষ্টিমুখের মত ব্যাপার । তারপর যা হওয়ার হবে । বলেন
-দুইটা ছেলে মেয়ের প্রেম আলাপের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমি । ছেলেটা বারবার মেয়েটাকে আমার সাথে তুলনা দিচ্ছে । মেয়েটা লজ্জায় লাল হচ্ছে । যদিও এটা আমার সাথে মিলে না । আমি লাল হই না কখনো ।
-ও আচ্ছা । সমস্যা নাই । ছোট মানুষ তো, আবেগের চোটে গুলিয়ে ফেলছে ।
-হুম বুঝি । এরকম আরো অনেক আছে ।
-এবার খারাপের দিকে যাই । বিসমিল্লাহ । বলেন
-একজন কবি আমার সৌন্দর্য উপভোগ করছিল । সাথে আমাকে নিয়ে কাব্য রচনায় ব্যস্ত ছিল । ঠিক ওই সময়ে তার বুড়ো বাপ তাকে ঝাড়ি দিয়েছে । কেন জানো ? রাত জেগে চাঁদ দেখার কারণে । এটা নাকি পাগলের কাজ । আচ্ছা তুমিই বল, আমার সৌন্দর্য ওই বুড়োয় কি বুঝবে ?
-হুম । ঠিক..
-বলে রাখা ভালো যে, সেই কবির বয়স তেমন বেশি না । পনের ষোল হবে ।
-চিন্তা করবেন না চাঁদ খালু । বুড়ো একদিন তার ভুল বুঝতে পারবে ।
-খালু ?
-হুম খালু
-আমার এই চাঁদ জীবনে প্রথম এইভাবে আমারে কেউ ডাকলো ।
-এমন অনেক কিছুই হবে যা কখনো হয়নি আগে ।
-শুনতে কেমন জানি লাগতেছে ।
-প্রথমবার তো তাই । আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যাবে ।
-আচ্ছা তুমি কি আমার সাথে রসিকতা করার চেষ্টা করছ ?
-চেষ্টা না, রসিকতাই করছি ।
-হাহ । অনেক সস্তা রসিকতা ।
-জ্বী আমি জানি ।

সবকিছু চুপ হয়ে গেল হঠাত । চাঁদ খালুর আর কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না । মনে হয় আমার সস্তা রসিকতায় বিরক্ত এবং সাথে কিছুটা রাগান্বিত হয়েছেন । আজ আর কথা হবে না । তিনি একবারের বেশি কথা বলেন না ।।

এখানে রেলিংটা বেশ চওড়া । অনায়াসে শুয়ে পড়া যাবে । সমস্যা সেটা না । সমস্যা হল ঘুমিয়ে পড়াটা । যদি শুয়ে পড়ি এখানে, তাহলে যে হালকা ঠান্ডা বাতাসটা বইছে, সেই বাতাসে এতক্ষণ ঘুমানোর পরও আবার ঘুম এসে যাবে চোখে । আর তখন ঘুমের মধ্যে হয়ত দেখা যাবে বিল্ডিং থেকে নিচে পড়ে গেছি । এত রিস্ক নেওয়া ঠিক হবে না । এত তাড়াতাড়ি মরে যাওয়ার ইচ্ছা নাই । এখনো অনেক কাজ রয়ে গেছে ।
ভোর হতে আর মাত্র কয়েকটা ঘন্টা বাকি । বসে থাকতে ভালো লাগছে । আজকে আকাশে তারা দেখা যাচ্ছে না..

সময় সকাল ৯টা । ওই বুড়োর দোকানটাতে বসে আছি । স্বপ্নটা সত্যি হয় নাই । যদিও এটা আমার জন্য কিছুটা অন্যরকম ।
বুড়োটা এখনো আগের মতই আছে । মরার কোন লক্ষণই নাই । বরং আগের চেয়ে শক্তি বেড়েছে মনে হচ্ছে । কারণ আজকে তার গলার আওয়াজ অন্য দিনের চেয়ে বেশি জোরালো শুনাচ্ছে । আমি তার টং দোকানের ছোট বেঞ্চটার এক কোণায় বসে আছি চুপচাপ । আর হাসছি । সে নিজের মত আমাকে বকেই যাচ্ছে । সত্যি কথা বলতে তার এভাবে বকার পিছনে কোন নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাচ্ছি না আমি । এমনকি বুঝতেও পারছি না সে কি নিয়ে এত বকাঝকা করছে । তারপরও আমি শুনছি । ভালো লাগছে শুনতে ।
কিছুক্ষণ পরপর বন্ধ হয়ে যায় তার বকবক । আমার পক্ষ থেকে কোন সাড়াশব্দ না পাওয়ায় । তখন আমি একটু গলা পরিষ্কার করার আওয়াজ করি । এরপর আবার শুরু হয়ে যায় । আমি শুনি আর হাসি ।
ছোটবেলায় বাড়িতে যখন ইলেক্ট্রিসিটি ছিল না, তখন আব্বু বা আম্মু যার সাথেই রাতে ঘুমাতাম না কেন, তাঁর কাজ ছিল সারারাত আমাকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করা । না হলে ঘুম আসত না । তাই তাঁরাও হাতপাখাটা এপাশ থেকে ওপাশে ঘুরিয়েই যেতেন । তখন জানতাম না এভাবে সারারাত একভাবে বাতাস করাটা কতটা কষ্টের । এখন বুঝি । এখন আর এভাবে বাতাস করতে হয় না । সব জায়গায় ইলেক্ট্রিসিটি আছে । আর হ্যাঁ, আমি এখন অনেক বড় হয়ে গেছি ।।
তো ওইসময় রাতে একনাগাড়ে বাতাস করতে করতে মাঝে মাঝে তাঁরা থেমে যেতেন । হয়ত ঘুমের কারণে । যখন থেমে যেতেন তখন আমি আস্তে করে একবার তাঁদের হাতটা ধরে নাড়া দিতাম । ফলে আবার তাঁরা নতুন উদ্যমে বাতাস করতেন । ওই মুহূর্তে বাতাস করার স্পিডটা বেড়ে যেত কিছুটা । আস্তে আস্তে কমে যেত । এরপর আবার আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটত ।
এখন এই বুড়োর ক্ষেত্রেও আমার গলা পরিষ্কার করার আওয়াজটা সেই হাত নেড়ে দেওয়ার কাজটা করছে ।।
আমি মানুষটাকে দেখতে এসেছি । বেঁচে আছে কিনা দেখতে এসেছি । স্বপ্নটা সত্যি হয়েছে কিনা দেখতে এসেছি । কিন্তু আমাকে হতাশ করে, স্বপ্নটাকে মিথ্যে করে বুড়োটা এখনও বেঁচে আছে । এভাবে বলার কারণ আছে । আমার স্বপ্ন খুব কমই মিথ্যে হয় ।।

(চলবে)
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের প্রতি জেনজি ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৮



বিএনপির জন্য ভোট চাইতে গিয়ে আমার স্ত্রী তাঁর স্বজন জেনজির তোপের মুখে পড়েন। তারা ভাবছে বিএনপি তাদের অপছন্দের আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদেরকে সহায়তা করছে। এবার বয়স্করা বিএনপিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামাতের নিশ্চিত ভূমিধ্বস পরাজয়ের কারন

লিখেছেন কিরকুট, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪

*** জামাত শিবিরের পচা মস্তিষ্কের কেউ এই পোষ্টে এসে ল্যাদাবেন না***


রাজনীতির ইতিহাসে কিছু পরাজয় থাকে তা কেবল নির্বাচনী ফলাফলের ভেতর সীমাবদ্ধ নয় সেগুলো হয়ে ওঠে নৈতিক রায়।

জামাতের সাম্প্রতিক নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির যারা আজ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের কথা ভাবছেন...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১০


১. শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতারা বারবার বলেছেন, জিয়াউর রহমান নাকি পাকিস্তানের চর ছিলেন, তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন। এমনকি তাকে শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলেও বলতেন…
২. খালেদা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধন্যবাদ ড. ইউনূস। আপনিই দেখিয়ে দিলেন।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৯


মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত হাসিনা বিগত ৩টি নির্বাচন এমনভাবে করেছিল যে সেখানে কোন নাগরিককে ভোট দেওয়ার প্রয়োজন হতোনা। দিনের ভোট রাতে হয়েছে, আগের দিন হয়েছে অথবা তাহাজ্জোত পড়ে হয়েছে। এই আগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজাকারনামা-২ (অপরাধির জন্য আমাদের,মানবতা ! বিচিত্র এই দেশের মানুষ!!)

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৫



সনজীদা খাতুন তখন ইডেন কলেজে কর্মরত ছিলেন । ইডেনের মেয়েরা 'নটীর পূজা' নামে একটা নাটক করেছিলো। সেই নাটকে একেবারে শেষের দিকে একটা গান ছিলো। তিনি ছাত্রীদের সেই গানটা শিখিয়েছিলেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×