
বিএনপির জন্য ভোট চাইতে গিয়ে আমার স্ত্রী তাঁর স্বজন জেনজির তোপের মুখে পড়েন। তারা ভাবছে বিএনপি তাদের অপছন্দের আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদেরকে সহায়তা করছে। এবার বয়স্করা বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছে। আগামীতে বয়স্ক বেশী মাত্রায় মরে জিনজি ও বয়স্কের অনুপাত কমে আসলে জেনজির ক্ষমতা আরো বাড়বে। বিএনপি বেশী মাত্রায় ভুল করলে জেনজি রাস্তায় নেমে বিএনপিকেও অচিরেই ক্ষমতা থেকে নামাতে পারে। সুতরাং বিএনপির আওয়ামী বন্ধুত্ব তাদের জন্য লাভ জনক নাও হতে পারে।
গণতন্ত্র হত্যা করায় পঁচাত্তরের তরুণপ্রজন্ম আওয়ামী লীগকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। আবার গণতন্ত্রের সাথে অসভ্যতা করায় জেনজি আওয়ামী লীগকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। তাদের সাথে বিএনপির সখ্যতা জেনজির বিএনপিকেও ছুড়ে ফেলে দেওয়ার কারণ হতে পারে। তখন হয়ত দেখা যাবে বিএনপি-আওয়ামী লীগ একত্রেও জেনজির সাথে পেরে উঠবে না। তখন এর সুবিধা পাবে জামায়াত জোট।
এবারের সংসদে বিরোধীদল হিসাবে জামায়াত যথেষ্ট শক্তিশালী। মোট ভোটে তারা বিএনপি থেকে বেশী দূরে নয়। জেনজির কথা জামায়াত অন্তত দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি বিএনপির থেকে কম করবে। আমরা স্বজন জেনজির ভোট কিছুতেই বিএনপির পক্ষে আনতে পারিনি। বয়স্করা মরে গেলে বিএনপির দশাটা কি হবে? সুতরাং জেনজির মন রক্ষায় বিএনপির আওয়ামী লীগের সাথে সখ্যতার চিন্তা বাদ দিতে হবে।ভবিষ্যতে এমনও হতে পারে যে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একত্রে মিলেও জেনজির মোকাবেলা করতে পারবে না। সুতরাং বিএনপির আওয়ামী লীগ নয় জেনজির কথা মাথায় রেখে পলেসি ঠিক করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


