somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্প - হারিয়ে যাওয়ার গল্প

০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(এই গল্পটা লেখা হয়েছিল অনেক আগে । কিন্তু এতদিন প্রকাশ করিনি । কখনো করার ইচ্ছা ছিলও না । আজ হঠাত কেন জানি ইচ্ছা হল দিতে । তাই...)


#
আমি অভ্র । একটু গাধা টাইপের ছেলে । মনের ক্রিয়াগুলো একটু ধীরগতিতে হয় । জটিল বিষয় কম বুঝি । আর এই কারণে অনেক প্রবলেমেও পড়তে হয়েছে । মাঝে মাঝে আমার বন্ধুদেরকেও কষ্ট দিয়ে ফেলতাম, ওদেরকে অপমান করতাম, ওদের মান-সম্মান হুমকির মুখে পড়ত আমার এইরকম হওয়ার কারণে ।

আমি এখন সবার কাছ থেকে দূরে, আড়ালে থাকি । আমি সবার জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি ।

অনেকদিন হয়ে গেছে ওদের কারো সাথে দেখা হয়না । করিনা ইচ্ছা করে । নিজেকে সবার মাঝ থেকে লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি । প্রায় এক বছর দেখা না করে আছি । এক বছর হয়ত তেমন বেশি কিছু না, কিন্তু আমার জন্য এটাই এক যুগের মত । দোস্তদের সাথে দেখা করতে, কথা বলতে খুব ইচ্ছা করে । কিন্তু নিজেকে এটা বলে বুঝাই যে, আমি না থাকলে ওদের জন্য ভালো হবে । যদিও আমি শিওর না আসলেই ভালো হয় কিনা ।

এইচএসসি পরীক্ষার পর যখন জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলাম, তখন থেকেই সব যোগাযোগ বন্ধ । আমার বাবা-মা সবাই গ্রামে থাকে এখন । আমি মোবাইলের সিম পাল্টে ফেলেছি । ফেসবুকে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে ওদেরকে রিমুভ করে দিয়েছি । এমনকি আমি কোথায় ভর্তি হচ্ছি ওইটা পর্যন্ত জানাইনাই । ওরা কেউ জানে না আমি এখন কোথায় থাকি, কোথায় পড়ি । আমিও জানি না ওরা এখন কেমন আছে । খোঁজ-খবর নিই নাই । হয়ত বেশ ভালো আছে, আর নয়ত বেশ খারাপ ।

#
আজকে আমার জন্মদিন । তারিখটা ৪ সেপ্টেম্বর । সময়টা রাত সাড়ে ১০টা । ঘরের মাঝখানে ছোট্ট টেবিলটাতে একটা কেক রাখা, ছোট্ট কেক । কেকের উপর একটা ছোট মোমবাতি, জ্বলছে । আমি ঘরের জানালাটা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি । অপেক্ষা করছি । মোমটা জ্বলে শেষ হওয়ার অপেক্ষা । ওটা ফুঁ দিয়ে নেভাবার কোন ইচ্ছা নেই । শেষ হোক, তখন কাটব কেক ।
আর কেউ নেই ঘরে । যাদের উপস্থিতি মনে প্রাণে চাই, তারাও নেই । যদিও এতে ওদের দোষ নেই কোনো । ওরা তো জানে না আমি কোথায় আছি । সিমটা পাল্টে ফেলাতে কোন মেসেজও দিতে পারেনি কেউ, উইশ করে ।
এটা আমার জন্য একেবারে নতুন একটা অভিজ্ঞতা । আগে কখনো এভাবে জন্মদিন পালন করিনি ।
রাত বাড়ার সাথে সাথে রাস্তায় মানুষ কমে যাচ্ছে । আস্তে আস্তে নির্জন হয়ে পড়ছে চারপাশ । হালকা বাতাস হচ্ছে । ভালো লাগছে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকতে ।

#
নিশু, নিশাতকে সংক্ষেপে নিশু ডাকতাম । আমার সাথে একসাথে একই কলেজে পড়ত । সত্যি বলছি, অনেক অনেক সুন্দর মেয়েটা । আর আমার মতে সবচেয়ে ভালো মেয়ে ।
অনেক ভালোবাসতাম মেয়েটাকে । এখনও বাসি । কিন্তু আমি হলাম ওর সবচেয়ে বেশি ঘৃণিত মানুষ ।
ওর সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ফেসবুকে । তখন টেস্ট পরীক্ষা চলছিল । ক্লাস টেনে । ওকে আমার ভালো লাগত তখন । কারণ ওই ছিল একমাত্র মেয়ে যে কিনা আমার সাথে এত ভালোভাবে কথা বলত । এর আগে তেমন মেয়ের সাথে কথাও বলতাম না ফেসবুকে । ব্যাপারটা তখন ভালোলাগা পর্যন্তই ছিল । এস.এস.সি. পরীক্ষার সময় হঠাত করে গায়েব হয়ে যায় ও । প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম ওকে ।
এস.এস.সি.র রেজাল্ট দেওয়ার পর আবার ওর সাথে কথা হয় । দূর্ভাগ্যক্রমে নাকি সৌভাগ্যক্রমে বলব বুঝতেছিনা, দুইজনই একই কলেজে ভর্তি হই । কলেজে ওকে দেখার পর ভালোলাগাটা কয়েকগুণ বেড়ে গেল । পুরোপুরি ভালোবাসা বলা যায় না সেটাকে । ভালোলাগা আর ভালোবাসার মাঝামাঝি একটা জায়গা । তবে সেটা ভালোবাসায় পরিণত হতে বেশিদিন লাগেনি ।
ওর সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিল । ওর বেস্ট ফ্রেন্ড হতে চাইতাম আমি । তবে ওর একটা বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল কলেজে । ওই ছিল ওর জন্য সব । ওদের সবকিছু আমি জানতাম । নিশু প্রেম-ভালোবাসা পছন্দ করত না । ও কখনো কোনো রিলেশনে জড়াতে চায় না । এর কারণে আগেও অনেক ছেলেকে ফিরিয়ে দিয়েছে ও । আর ওর ফ্রেন্ডসদের মধ্যে কেউ যদি ওকে প্রপোজ করে, তাহলে ও আস্তে আস্তে তার কাছ থেকে দূরে সরে যায় ।
ঠিক এই কারণে ওরে কখনো বলতে পারিনি কিছু । জানি, বললেই ও আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাবে । একটু কথাও বলতে পারব না । যেটা আমার জন্য অনেক কষ্টের হবে । ওর বন্ধু হয়েই সবসময় থেকে যেতে চেয়েছি । দরকার নেই ভালোবাসার । আমিই না হয় মনে মনে ভালোবাসলাম । তারপরও ওর সাথে তো থাকতে পারব । ওর বন্ধু হয়ে থাকতে চাইতাম সবসময় ।
ও যখন ওর সেই বেস্ট ফ্রেন্ডের কথা বলত, তখন খুব খারাপ লাগত, কিন্তু কিছু বলা সম্ভব ছিল না । আমি কখনো ওর অমতে, ওর বিপক্ষে কিছু করতে পারব না । ও যেটা বলবে ওটাই মেনে নিব ।
এভাবেই চলছিল সব । ভালো ছিলাম না, কিন্তু খারাপও যে ছিলাম তা বলতে পারব না । কারণ ও আমাকে একটু হলেও পছন্দ করত, বন্ধু হিসেবে । আমার জন্য একটু হলেও চিন্তা করত ।
একদিন সব ওলটপালট হয়ে গেল । আমার ভুলেই ও সব জেনে গেল । এরপর সব পালটে গেছে । আগের নিশুকে খুঁজে পাইনি আর ।
এরপর আমাকে আর ওকে নিয়ে একটা গল্প প্রকাশ হল ফেসবুকে । যেটাতে বাস্তব সবকিছু তুলে ধরা হয়েছিল । তবে ওটাতে কিছু ভুল ছিল । দুয়েকটা শব্দের ব্যবহার সঠিক জায়গায় হয়নি । কিন্তু আমি ওসব ঠিক করে দিই নি । প্রকাশিত হওয়ার পর নিশু লেখাটা দেখে । ওখানে করা কমেন্টগুলো ওর অনেক খারাপ লাগে । অনেক কষ্ট পেয়েছে । এরপর ও আমাকে অনেক বড় একটা মেসেজ পাঠিয়েছে । যেখানে ও ওই গল্পের প্রতিটা লাইন বিশ্লেষণ করেছে । অনেক কিছুকে মিথ্যা বলেছে ।
ও কখনো ভাবেনি ওর সম্পর্কে কিছু আমি ফাঁস করব । ও আমাকে অনেক বিশ্বাস করেছিল । আমি ওর বিশ্বাস ভেঙ্গেছি । আমার জন্য ও অনেক কেঁদেছে । শুধু আমার কারণে । যেই আমি কখনো চাইনি ও একটু কষ্ট পাক, সেই আমার কারণে ও কেঁদেছে । সব দোষ আমার । শুধুই আমার...
আমি ওকে আর কিচ্ছু বলিনি । হয়ত ওর কথাগুলোর জবাব দিতে পারতাম, বলতে পারতাম ওগুলো মিথ্যে না । কিন্তু কিছুই বলিনি । থাক না কিছু ভুল না শোধরানো অবস্থায় ।
সেই মেসেজে ও বলেছিল, ও এখন আমাকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করে । আমার নামটা পর্যন্ত ও শুনতে চায় না কখনো ।
নিশু আর আমার আরেকটা বন্ধু কলেজের একটা অঙ্গ-সংগঠন, একটা ক্লাবের মেম্বার ছিল । সেখানকার বড় ভাই একটা এসব ব্যাপার জেনে যায় । নিশুই বলেছিল । এরপর সেই বড়ভাই এসে আমার ওই বন্ধুটাকে আমার সম্পর্কে এসব বলল । উনি এমনভাবে সব করছিলেন যে আমার বন্ধুটাও অনেক কষ্ট পাইছে । এমনকি কেঁদেও দিছে ।
যেখানে আমি চাইছিলাম সবকিছু শেষ হয়ে যাক, সেখানে আবার এসব শুরু হয়েছে । আমার বন্ধুটা জানে না যে আমি ওর আর ওই ভাইয়ের ব্যাপারটা জানি ।
আমার বন্ধুটা আমাকে কিছু বলবে না জানি, কিন্তু আমি যখনই ওর সামনে যাব তখনই ওর ওসব মনে পড়বে । আমার নিজেরও মনে হবে সব ।
ফেসবুকে প্রকাশিত লেখাটা লিখেছিল আমার বেস্ট ফ্রেন্ড । এর কারণে নিশু ওকেও কিছু কথা বলেছিল । যার কারণে সেও কষ্ট পেয়েছে অনেক ।
অর্থাৎ, কয়েকমাসে আমি আমার বেশ কিছু প্রিয় মানুষকে কষ্ট দিয়ে ফেলছি । যেটা আমি কখনো চাইনি ।
হঠাত ইচ্ছে হল সবার মাঝ থেকে হারিয়ে যাওয়ার । সবকিছু নতুন করে শুরু করার । সবাই যেন আমাকে ভুলে যায় । একটা কালো স্মৃতি হিসেবে যেন মুছে যাই আমি । ওদেরকে আর কষ্ট দিতে ইচ্ছে করছিল না ।

#
মোমবাতিটা শেষ হয়ে গেছে জ্বলে । কেক কাটলাম । এক টুকরো কেক নিয়ে মুখের কাছে ধরলাম । নিজেই নিজেকে উইশ করলাম, “হ্যাপি বার্থডে অভ্র” ।
সারারাত চিন্তা করে এক্টাআ স্বিদ্ধান্ত নিলাম । নাহ, আর থাকতে পারব না ওদের ছাড়া । কালই রওনা দেব চট্টগ্রাম । সবার মাঝে...

#
অক্ষর আর অংকন । অনেক চেষ্টা করেছিল অভ্র এর খোঁজ বের করার জন্য, পারেনি । হঠাত করেই কোথায় যেন চলে গেছে ছেলেটা । ওরা জানে ওদের বন্ধু আছে কোন এক জায়গায় । ওদের সাথে দেখা হবে আবার সেই পাগল ছেলেটার ।
অনেক কথা বলার আছে অভ্রকে । আগে কখনো বলেনি । সারপ্রাইজ রেখে দিয়েছিল । ওকে যে ওরা কতটা ভালোবাসে তা কখনো বলা হয়নি । তবে যেদিনই দেখা হবে ওইদিনই সব বলে দেবে । আর সারপ্রাইজ রাখবে না ।
পরদিন ওরা টেলিভিশনে একটা অনেক বড় রোড-এক্সিডেন্টের খবর দেখল । পাত্তা দিল না । এমন তো অহরহই ঘটে ।
কিন্তু ওরা জানে না, সেই এক্সিডেন্টে ওদের বন্ধু অভ্র ওদের কাছে ফিরতে গিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে । ওরা কখনো জানবেও না যে অভ্র আর কখনো ফিরবে না । ওরা জানে ওদের বন্ধু বেঁচে আছে । আসবে একদিন । ওকে যে অনেক কথা বলা বাকি । কিন্তু ওরা জানে না, ওদের সারপ্রাইজগুলো সারপ্রাইজই থেকে যাবে আজীবন । কখনো জানানো হবে না অভ্রকে ।
অভ্র পেরেছে ওর ইচ্ছা পূরণ করতে । ওর চেষ্টা সফল হয়েছে । ও পেরেছে হারিয়ে যেতে ।
এটাই ওর হারিয়ে যাওয়ার গল্প...।

##The enD##
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের প্রতি জেনজি ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৮



বিএনপির জন্য ভোট চাইতে গিয়ে আমার স্ত্রী তাঁর স্বজন জেনজির তোপের মুখে পড়েন। তারা ভাবছে বিএনপি তাদের অপছন্দের আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদেরকে সহায়তা করছে। এবার বয়স্করা বিএনপিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামাতের নিশ্চিত ভূমিধ্বস পরাজয়ের কারন

লিখেছেন কিরকুট, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪

*** জামাত শিবিরের পচা মস্তিষ্কের কেউ এই পোষ্টে এসে ল্যাদাবেন না***


রাজনীতির ইতিহাসে কিছু পরাজয় থাকে তা কেবল নির্বাচনী ফলাফলের ভেতর সীমাবদ্ধ নয় সেগুলো হয়ে ওঠে নৈতিক রায়।

জামাতের সাম্প্রতিক নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির যারা আজ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের কথা ভাবছেন...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১০


১. শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতারা বারবার বলেছেন, জিয়াউর রহমান নাকি পাকিস্তানের চর ছিলেন, তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন। এমনকি তাকে শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলেও বলতেন…
২. খালেদা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধন্যবাদ ড. ইউনূস। আপনিই দেখিয়ে দিলেন।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৯


মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত হাসিনা বিগত ৩টি নির্বাচন এমনভাবে করেছিল যে সেখানে কোন নাগরিককে ভোট দেওয়ার প্রয়োজন হতোনা। দিনের ভোট রাতে হয়েছে, আগের দিন হয়েছে অথবা তাহাজ্জোত পড়ে হয়েছে। এই আগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজাকারনামা-২ (অপরাধির জন্য আমাদের,মানবতা ! বিচিত্র এই দেশের মানুষ!!)

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৫



সনজীদা খাতুন তখন ইডেন কলেজে কর্মরত ছিলেন । ইডেনের মেয়েরা 'নটীর পূজা' নামে একটা নাটক করেছিলো। সেই নাটকে একেবারে শেষের দিকে একটা গান ছিলো। তিনি ছাত্রীদের সেই গানটা শিখিয়েছিলেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×