ছেলেটির মাঝে ভীষণ মায়া। যার মায়ায় প্রতিদিন একটু একটু করে হারাচ্ছে মেয়েটি। একটু একটু করে প্রতিদিন মেয়েটি যেনো তাকে নতুন করে খুঁজে পায়। ছেলেটি না আসলে মেয়েটি হয়তো বুঝতেই পারতো না এতো ভালবাসা কেউ কাউকে কি করে দিতে পারে। এতো মায়া কি করে কেউ কাউকে করতে পারে ! এক ঝলকেই যেনো সে মেয়েটির মেঘাচ্ছণ্ণ আকাশটাকে ভীষণ মায়া দিয়ে নীল রঙ ছড়িয়ে দিয়ে গেলো। এতোদিন যে চলমান আকাশটি মেয়েটির মন খারাপের সাথী হয়ে হেটে যাচ্ছিলো , যাকে দেখে প্রত্যেকদিন মেয়েটির মনে হতো কেনো তার এতো আপন লাগে এই আকাশটিকে,সেই বিশাল আকাশটি আসলে এই ছেলেটিই ছিলো। দূর থেকে যে মেয়েটাকে বলে যেতো সব ঠিক আছে, তুমি শুধু আমারই থেকো।
মেয়েটির নাম সে দিয়েছে মায়াময়ী। ছেলেটি পেয়েছিলো এক অদেখার দেখা, মেয়েটির মাঝের এক অপার মায়া। আর মেয়েটির কাছে ছেলেটির এই বিশাল ভালবাসার মায়ার থেকে বড় আর কোন মায়া ছিলো না। ছেলেটিকে সে যতোই ভালবাসুক না কেনো তার মনে হতো ছেলেটির ভালবাসার কাছে এ যেনো কিছুই নয়।
প্রত্যেকদিন ছেলেটির মাঝে মেয়েটি এক নীরব যুদ্ধ দেখতো, যে যুদ্ধে মেয়েটিকে হারানোর ভয় থাকতো । এই সমাজে যেখানে মেয়েটিকে মেনে নিতে এতো বাঁধা সেখানে তাকে আপন করে নেওয়ার জন্য ছেলেটির ছিলো একার যুদ্ধ। মেয়েটি জানতো ছেলেটি জিতে যাবে, ছেলেটির ভালোবাসার শক্তি, কথা রাখার শক্তি যে অনেক। কোন ভাবেই সে মেয়েটির হাত ছাড়বে না। কোন ভাবেই না। কপাল গুণে এতো মায়াময় ভালোবাসার মানুষ পাওয়া যায়। মেয়েটি ভাগ্যবতী, অনেক অনেক ভাগ্যবতী।
ছেলেটি ভালো থাকুক তার মায়াময়ীকে নিয়ে আর মেয়েটি ভালো থাকুক তারা মায়াময়ের ভালোবাসার শক্তি নিয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১৭ রাত ৩:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



