আমরা দু’জন কোমরপুরের বুক চিরে
বয়ে যাওয়া পথ ধরে এগুতে থাকলাম
দু’পাশে পোয়াতি আউশ ধানের মৌ মৌ গন্ধ
আকাশে আষাঢ়ে বৃষ্টিকে আলিঙ্গন করা মেঘ।
কোমরপুর একটি গ্রাম, একটি নিরেট পল্লী
যেখানে বাংলার প্রকৃতি মাটির সোঁদা গন্ধ
মানুষের জীবন ঘনিষ্ট হয়ে আছে।
পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে বাংলার প্রকৃতিকে লালন করছে কোমরপুর
ওপাড়ে রবি ঠাকুরের শিলাইদহ কুঠিবাড়ি, এপাড়ে ওমর আলীর
বাঁশবন ঘেরা ছোট কুঠিবাড়ি। বাঁশবন যেন ওমর আলীর
বাড়িকে বুকে আগলে রেখেছে। আমরা বাঁশ ঝাড়ের নিচে
কবি ওমর আলীর সাথে কথা বললাম। প্রসঙ্গ কবিতা।
কবিতাই ছিল আমাদের আলোচনার প্রধান উপজীব্য বিষয়।
আমরা কোমরপুরের ওমর আলীর কবিতা লেখার অভিজ্ঞতা
নিয়ে ফিরে এলাম লঞ্চঘাট, পলিটেকনিক, বাস টার্মিনাল
তবু আমরা অতৃপ্তই থেকে গেলাম
কবিতার কিছুই জানা হ’ল না আমাদের।
[১০, সেপ্টেম্বর ১৯৯৮।]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




