আমি যে ঘরে বাস করি সেখানে আমার সাথে
বেশ কয়েকটি টিকটিকিও বাস করে
এদের মধ্যে সবচে বড়সড় যেটি
সে আমাকে দেখে তার লেজ নাড়িয়ে
আভিবাদন জানায়।
ও আমাকে গভীর রাত অবধি কবিতা লেখায় সঙ্গ দেয়
আমি সোহাগ করে ওর নাম রেখেছি রাত্রি—
ওর প্রতি আমার কেমন যেন একটা প্রেম জন্মেছে
আমি প্রায়ই ওদের একে অপরকে
আলিঙ্গন করতে, সঙ্গমে লিপ্ত হতে দেখি—
ওরা লেজ নেড়ে রাজকীয় সম্ভাসনে হেঁটে যায়
আমি মুগ্ধতায় আবিষ্ট হই, তন্ময়ে বিমোহিত হই।
বৃষ্টিমুখর একরাতে আমার ‘রাত্রি’কে এক সন্ত্রাসী
হঠাৎ তেড়ে এলো, জোর করে চুম্বনে ভরে দিল গাল
অনেকক্ষণ মল্লযুদ্ধ হলো যেন জোর করে প্রেমিকা বানানো
আমি পলকহীন দৃষ্টিতে দেখতে থাকলাম
এক সময় আমার ‘রাত্রি’র লেজ ধপাস করে
মেঝেতে লুটিয়ে পড়লো! ‘রাত্রি’ চিৎকার করে ডুকরে উঠলে
সন্ত্রাসী টিকটিকিটি ওকে ছেড়ে পালালো।
আমি ‘রাত্রি’র খসে পড়া লেজের দিকে তাকিয়ে থাকলাম
মনে হলো ‘রাত্রি’ বিবস্ত্র হয়েছে, তাই লজ্জায় সে দ্রুত পালালো।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০১৭ রাত ১০:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



