তাজউদ্দীন আহমদ আমার লিডার, ......তার রাজনৈতিক দর্শন কে আমি সব সময়ই খুব খুব রেসপেক্ট করি, আর এটাও কেউ ভুল প্রমান করতে পারবে না যে, আমার লিডার ই ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল রাজনিতিক।
যাহোক, আমি লীডার কে নিয়ে লেখার মত নই, এত বড় মানুষ কে নিয়ে লিখতে যে প্রগ্গা লাগে তা আমার নেই, তারপর ও আজ তাকে নিয়ে লিখতে হল।
নিচের লিংকটা দেখুন,
জাতির প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সাথে আওয়ামী অপমানের একটি অজানা কাহিনী এখানে নষ্ট শয়তান অনেক কথাই ঠিক বলেছেন কিন্তু যে যায়গায় ভুল করেছেন, সেটা হল তিনি রীতিমত বঙ্গবন্ধু কে অপমান করলেন (!)
ঘটনা রিয়েল যে তাজউদ্দীন আহমদ কে পদত্যাগ করনো হয়েছিলো, কিন্তু সেটা ছিলো দাতাদের চাপে । কারন ঐ সময়ে লোন/রিলিফ পাওয়াটা খুবই বেশী জরুরী ছিলো মুজিব সরকারের এবং তা আটকে ছিলো লীডার তাজউদ্দীন আহমদ সাহেবের কারনে, এর কারন হল তিনি দেশের সার্থটা কে বড় করে দেখতেন, আর এ কারনেই তিনি দাতাদের রোষানলে পড়েন, তার কারনেই ঐ সময়ে(৭০ এর গোরাতে) এনজিও গুলো এদেশে আসতে পারছিলো না, আর তিনি ছিলেন রাশিয়া পন্থী, তখন যে সিচিয়েশন দাড়িয়েছিলো, তাতে বাংলাদেশ কে আমেরিকার এন্ড গং দের দিকে যেতে হতছিলো, আর সেখানে লীডার একটা বাধা ছিলেন, এসব কারনেই তাকে সরে যেতে হয়েছিলো।সাথে মুশতাক-মনির মত নষ্ট আবর্জনা তো ছিলোই পিছু লেগে !
তবে বঙ্গবন্ধু একটা সময় পর ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন, বঙ্গতাজ ই সঠিক--- নিখাত, কিনতু নিয়তি তাদের মিলিত হওয়ার সুযোগ দিলো কই !!! হায়নার থাবায় সব কিছুই তছনছ হয়ে গেলো সেই ভয়াল ৭৫ রে।
একটা অনুরধ, যদিও যাদের বলছি তাদের কানে যাবে না, তারপরও বলছি বঙ্গবন্ধু --- বঙ্গতাজ দুইজনই অনেক অনেক বড় মাপের, বড় দিলের মানুষ, সুতরাং একজন কে বড় করতে অপরজন কে আমরা ছোট না করি।
ফকির সাইঁ'র বকবকানি :: সেদিন আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম--- প্রেরনায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু, নয় মাস শক্থাতে অসীম দক্ষতায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালোনা করেছিলেন বঙ্গতাজ, সাথে ছিলেন একঝাক মেধাবী, সাথে ছিলো আমাদের ভালোবাসার মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছুবাহিনী, পাশে ছিলো বিদেশী বণ্ধুরা, ---আমরা তরুন, আমরা আমাদের এই দেশটাকে নিয়ে যাবো সম্ভাবনাময় আগামীতে --- গরে তুলবো সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ, ইনশাললাহ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


