somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“আমি আর কাউকে ভালবাসতে পারবো না। আমার মন আমি ওকে দিয়ে দিয়েছি”।

৩১ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা বিষয় খেয়াল করে দেখলাম অনেকেই বলে “আমি আর কাউকে ভালবাসতে পারবো না। আমার মন আমি ওকে দিয়ে দিয়েছি”। আপনি কেন অন্য কাউকে ভালবাসতে পারবেন না? একটা কথা খুব ভালো করে জেনে রাখুন সে যদি আপনার হত তাহলে আপনাদের কখনো বিচ্ছেদ হতো না। আর বিচ্ছেদ হলেও কোন না কোন একটা আশা থাকতো আপনাদের আবার এক হবার। ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে আর প্রত্যেকটি মানুষই সেকেন্ড চান্স ডিজার্ব করে। যে আপনাকে ঠকিয়েছে তার জন্য আপনার বাকি জীবনটা নষ্ট করার কোন মানে হয়না। তবে হ্যা, তার কথা আপনার মনে পরবে। কিন্তু তার মানে এই না যে আপনি তার জন্য ভেবে ভেবে আপনার পুরো দিন নষ্ট করবেন। আপনি তাকে ভুলতে পারছেন না? অনেক কান্না করতে ইচ্ছে হচ্ছে? ঠিক আছে ২ মিনিট কান্না করে আবার নিজের কাজে মন দিন।

সঠিক সময়ে আপনার কাছে আপনার লাইফ পার্টনার চলে আসবে। এর জন্য আপনাকে কোথাও ছোটাছুটি করতে হবে না। যখন সে আসবে তখন দেখবেন সে আপনার জন্য কত পাগল।

কোন বিশ্বাসঘাতকের জন্য যদি নিজের জীবন দিতে ইচ্ছে করে তাহলে একবার আপনার বাবা-মার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখুন। তারা নিশ্চয় তাদের অনেক ইচ্ছেকে বিসর্জন দিয়ে আপনার ইচ্ছে পূরণ করেনি, আপনি নিজেকে শেষ করে দিবেন বলে।

নতুন করে বাঁচার কোন উপায় পাচ্ছেন না? তাহলে নিজের পুরনো স্বপ্ন গুলোকে খুঁজে বের করুন। যে স্বপ্ন গুলো রাতে ঘুমানোর আগে প্রতিদিন একবার হলেও ভাবতেন। খাতা কলম নিয়ে বসে পড়ুন আর স্বপ্ন গুলির লিস্ট তৈরি করা শুরু করুন। দেখবেন আর মরতে ইচ্ছে করছে না। নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করুন।

শেষে একটি কথায় বলতে চাই.....

আপনি যদি মনে করেন আপনি ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য নন তাহলে একবার তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের দিকে তাকিয়ে দেখুন। আমরা সমাজে যাদের হিজড়া বলে ডাকি তাদের কথায় বলছি। তাদের দিকে তাকিয়ে দেখুন আর নিজেকে প্রশ্ন করুন। আপনি কি তাদের থেকেও দুঃখী? (ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি হিজড়া শব্দটি ব্যবহার করার জন্য)

যদি না হন তাহলে আমি আপনাকে একটা স্বপ্ন দিয়ে দিচ্ছি। আপনি এদের জন্য কাজ করুন। সমাজের মানুষ এদের অবহেলার চোখে দেখে। সমাজের মানুষের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাবার চেষ্টা করুন। আশাকরি নিজেকে আর একা মনে হবেনা বা নিজেকে শেষ করে দিতে মন চাইবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৫৫
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×