একদিকে জীবনে বাঁচার আকুতি আর গলা ফাটানো চিৎকার, অন্য দিকে সেই চিৎকার করা মানুষগুলোর কান্নার দৃশ্য ভিডিও করা! এমন নির্মম চিত্রই দেখা যাচ্ছে সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসাবশেষ স্থলে। উদ্ধারকর্মীদের ঔদাসীন্য ও চরম সমন্বয়হীনতা মৃত্যুর সংখ্যাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কাকেই জোরালো করছে।
পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম চলছে ধীরগতিতে। দিনব্যাপী চলা এ উদ্ধার কার্যক্রমে থাকা বেশির ভাগই সাধারণ মানুষ। এতবড় ভবন ধসে পড়লেও রাত পর্যন্ত কোনো ক্রেন, পেডলার কিংবা ধ্বসে পড়া ভবন সড়াতে আধুনিক কোনো যন্ত্রপাতি আনা হয়নি।
এখন পর্যন্ত আশেপাশে সাধারণ মানুষদের আনা হাতুড়ি, গাইতি, টর্চ, ড্রিল মেশিন, হ্যামার দিয়ে কাজ চলছে। ফলে ভবনের নিচের দিকে আটকে পড়া জীবিত মানুষদের মধ্যরাতেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সকাল থেকে ভেতরে বেঁচে থাকা মানুষরা অক্সিজেনের জন্য হাহাকার করলেও মধ্যরাত পর্যন্ত তারও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা যায়নি।
আসলেই বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে একটি আদর্শ ডিজিটাল দেশ গড়তে সক্ষম হয়েছেন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





