আপনাদের একটা ঘটনা বলি…
বর্ণনায় আছে, রাসূল(সাঃ) যখন সিজদায় যেতেন তখন হাসান/ হুসাইন (রাঃ) খেলার ছলে তাঁর পিঠে উঠে যেত, যতক্ষণ তাঁরা পিঠ থেকে না নামতো তক্ষণ তিঁনিও সিজদা থেকে উঠতেন না। তবুও তিঁনি কখনো তাঁদের বকা দিতেন না। কারণ তিঁনি বাচ্চাদের অনেক স্নেহ করতেন।
ঘটনাটা বললাম কারণ বাংলাদেশের মসজিদ গুলতে প্রায় সময়ই পন্ডিত টাইপের কিছু লোক দেখা যায়; বাচ্চাদের দেখলেই তাদের গায়ে চুলকানী শুরু হয়! বাচ্চাদেরকে তারা ধমক দিয়ে মসজিদ থেকে বের করে দেয় কিংবা পিছনের সারিতে পাঠিয়ে দেয়!!
ব্যাপারটা আমি আপনি বা সবাই হয়তো লক্ষ্য করেছেন কিংবা ছোটকালে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন।
…আহারে নামাজী! আহারে পরহেযগার!!
বাচ্চারা মসজিদে আসবেনা তো কি রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে বিড়ি ফুকাবে??? হ্যাঁ, বাচ্চারা দুষ্টামি করে, তাই বলে তাদেরকে এভাবে ধমকাবেন? ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ইবাদাতস্থল থেকে বের করে দিবেন?!
তাদেরকে আদর দিয়ে বুঝিয়ে বলুন... একদিন দুইদিন তিনদিন, এরপর দেখবেন নিজে থেকেই ঠিক হয়ে গেছে। তা না হলে সে হয়তো ধমকের ভয়ে আর মসজিদেই আসবেনা! তখন সে অন্য রাস্তা খুঁজবে, আর সেটা হতে পারে তার নষ্ট হবার মূল কারণ!!
সুতরাং শিশুদেরকে ইবাদাতস্থল থেকে তাড়িয়ে না দিয়ে বরং ইবাদাতের প্রতি তাদেরকে আগ্রহী করে তুলুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



