somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্কেচ অফ ভ্যাকুয়াম !

০৩ রা আগস্ট, ২০১৪ ভোর ৪:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটু খানি বিষাদ _

মারফির রুলস বলে একটা কথা আছে । একটা সময় আসে যখন কোন কিছুই ঠিক মত কাজ করেনা । থারমদিনামিক্স এর রুলস ও তো জানো , এনট্রপি বাড়তে বাড়তে তাপীয় বেবস্থা ভেঙে পরবে । একটা সিস্টেম ভেঙে পড়া কখনই খুব একটা আনন্দের না । এই ভাঙ্গা সিস্টেমে তখন মারফির ল কাজ করে । কিছুই ভাল না । কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করেছিল , তখন নিশ্চয়ই আনন্দে চিৎকার করেছিল । আমিও কলম্বাসের মত একটা চিৎকার দেয়ার অপেক্ষায় আছি । রাজকুমারী, তুমি ভালো থাকো ।

আজ এই দিনে _

হে , সৃষ্টি কর্তা । আমি তোমার এক অতি নগণ্য সৃষ্টি । প্রার্থনা কিভাবে করতে হয় , টা জানিনা । দেয়ার মত , বলার মত আমার কোন কিছু নাই । তুমি অসংখ্য বিচিত্রের সৃষ্টির স্রস্থা । তোমাকে মাথা নামিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাই , এই দিন টায় এক নগন্নের কথা ভেবে , এক মানবিকে সৃষ্টি করেছিলে । তুমি আজ বলে দাও , তাকে । বলে দাও , এই জন্ম যেন সহস্র বছরের হয় , এই জন্ম যেন পৃথিবীর সব সুখকে ছুঁয়ে যায় । তাকে বলে দাও , এই দিনে শুভেচ্ছা জানানোর ভাষা আমার জানা নাই । চুপ-চাপ পঞ্চ ইন্দ্রিয় রুদ্ধ করে বসে আছি আর ভাবছি কি বলব , কি জানাব তারে । এই প্রানের আকুতি তুমি তারে জানিয়ে দাও ।বলে দাও , তারে ।


কেমন আছি বলতো ?

ধ্রুব তারারা তো দুরের মানবী । সূর্য থেকে বহু দূরে । তীব্র মহাকর্ষীয় বলয়ের মধ্যে হয়ত ঢুকতেই পারবেনা , লতা ঝরে পরবে প্রবল উত্তাপে ।
কখনো কখনো যে এরকম ভাবিনা , তা নয় । ভাবি যখন আমি আর বৃক্ষ থাকিনা , যখন রাত হয় উত্তাপ কমে , তখন হয়ত মনের কোন এক কোণে উকি দেয় 'কোন মহাজাগতিক পোকা ''। বিদফেনের সুরের মূর্ছনায় তখন হয়ত হারাতে ইচ্ছে করে , ইচ্ছে করে বার্নিশ করা টেবিলটার বুকে টোকা মারি , যদি ভাঙ্গে ! যদি উত্তাপ কমে !! কোন পোকা হয়ত নেই , যে সুরের তালে তালে আমার ' টোকার ' মত করেই ডানা ঝাপ্তাবে ।
কেমন আছি বলত ?

ইতি - তোমাকে _


কেমন আছিস ? হাতের বেথা কমেছে নিশ্চয়ই ! ১ তারিখে আমার জন্মদিন । তোর হয়ত মনে নাই , তাই মনে করিয়ে দিলাম । আচ্ছা জন্মদিনের গিফট দিবিনা ? কি দিবি ? আমি বরং তোর কাছে চাই ? বিশাল চাওয়া - পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে যাবি । তুই প্রেমে পরেছিস ! বিশ্বাস কর , আমি খুব খুশি । দেখবি পৃথিবী এখন কতো সুন্দর লাগে । যা করবি তাই ভালো লাগবে ! ' রঙ্গিন দুনিয়া ' । ছেলেটা নিশ্চয়ই খুব ভালো । অপেক্ষা কর তোর জন্য আরও অনেক ভালোবাসা আছে । দেখবি ও তোকে এত্ত-এত্ত-এত্ত ভালবাসবে । তুই ও ওকে খুব খুব ভালবাসিস । সারাক্ষণ রাগ আর অভিমান করে থাকবিনা ।প্রেম আনন্দের জন্য কষ্ট পাওয়ার জন্য না । আমি জানি , এখন থেকে তোর আর কোন কেটোই থাকবেনা ! যখন হাতে হাত ধরে হাঁটবি , উফ ! কি অসাধারণ যে লাগবে তোদের । আচ্ছা ও কি তোর চে অনেক লম্বা ? নো সমস্যা । শোন , তুই অই ছেলেকে ভালবাসিস , কাজেই ওকেই বিয়ে করিস । আঙ্কেল - অ্যান্টি হয়ত প্রথমে মানতে নাও চাইতেও পারে । তবে তাতে কোন সমস্যা নাই । তুই বুঝিয়ে বলবি ওকে কেন তোর প্রয়োজন ! দেখবি ওনারা ঠিক মেনে নেবে । আর তুই যেমন চমৎকার একটা মেয়ে সবসময় তেমন টা থাকিস ! আমি সবসময় চেয়েছি তুই একদিন অসাধারণ মানবী হবি । সত্যিকারের খাটি মানুষ হবি । অনেক বেশি মানবিক হবি । আমি জানি প্রকৃতি তোকে এই ভাবেই বড় করবে ! তোর যখন একটা হামটি - ডামটি বাবু হবে , আমি চোখ বন্ধ করে ভাবি , কি অদ্ভুত ভাবেই না বাবু টা হাত পা ছুড়ে ওয়া ওয়া করছে । আমার জন্মদিনের গিফট হিসাবে কি চাই জানিস ? চাই এই বাবুটাকে তুই সত্যিকারের মানব করে বড় করবি ! যে হবে প্রকৃতির শিশু , মানবিক হৃদয়ের মানুষ । ওকে অবশ্যই ইশকুল নামক আবর্জনায় ফাস্ট হওয়ার নাম করে জীবনের সত্যিকার সৌন্দর্য গুলু থেকে বঞ্চিত করবিনা । ওকে অবশ্যই জানাবি , অর্থ পৃথিবীর ৩য় স্তরের প্রয়োজনীয় জিনিস । এর পেছনে ছুটে জীবনের অসাধারণ সৌন্দর্য যেন নষ্ট না করে । এইসব পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষই করছে । এরা কি সুখই ? না । এরা সবাই সুখই হওয়ার ভান করে ।আবার এদের অনেকেই জানেনা যে এরা অসুখী । কারন সুখের সাথে এদের পরিচয় নাই । এই ভান করা থেকে সবসময় দূরে থাকবি ! আমি জান ই তোর মধ্যে এরকম কিছু নাই । কারন , খাটি মানুষ হওয়ার ক্ষেত্রে এটা প্রয়োজন - ভান না করা ! এতো ভালো ভালো কথা কেন বলি ? কারন এটাই আমার স্টাইল ! অই দিন নিমা ফোন করে বলল ও নাকি রান্না বান্না শিখে গেছে - আমার বকা খেয়ে ! আমার পরিচিত সব কয়টাকে আমি রান্না- বান্না নিয়ে মজা করি । তোঁকেও করেছি । কিছুটা নিশ্চয়ই শিখেছিস । শোন যেহেতু তোরা দুই জন কাজেই মাঝে মাঝে ওকে রান্না করে খাইয়ে দিবি !দেখবি বেচারার মাথা খারাপ হয়ে যাবে ! তোর জন্য শুভকামনা রইল । আমার নিজের বিষয়ে তুই অনেক কিছুই জানিস । তবে আরও কিছু জিনিস তোকে বলা হয় নাই । যদিও সেগুলু বলার মত কিছু না । ভালো থাকবি সবসময় , সুখে থাকবি আর ভালবাসবি সবাইকে !!!
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেঁচে থাকাই পরম বিস্ময়

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩


পথেঘাটে ঘুরিফিরি, যেকোনো সময়
পটল তুলতে পারি গাড়ির ধাক্কায়।
মাঝেমধ্যে থাকি এমনও আশঙ্কায়,
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে
মাথা ফেটে রক্তক্ষরণে প্রাণটা যায়!
এমন পরিণতিতে লোকে দুঃখ করে।
গাড়ি, ট্রেন, প্লেন, হয়তোবা ইস্টিমার
দুর্ঘটনায় প্রাণটা চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মা'কে লেখা প্রীতিলতার শেষ চিঠি

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৯




আমায় তুমি পিছু ডেকো না'গো মা
আমার ফেরা সম্ভব  না।
দেশ মাতৃকায় উৎসর্গিতা আমি
আমি তো সেই ক্ষণজন্মা! 

আমায় তুমি আশীর্বাদ করো মা,
মোছো তোমার চোখের জল।
নিপীড়িতদের আর্তনাদ শুনছো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মসজিদে ইমামতি করা, আযান দেয়া, কুরআন শিক্ষাদান করা কিংবা সাধারণভাবে দ্বীন প্রচারের কাজে বিনিময়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×