somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফিলিস্তিন-----দুঃখিনী মা। এবং আমরা গরু খাওয়া মুসলমান।।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৪ ভোর ৫:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রসঙ্গ ১ঃ
একটা বাঘের ছানা পার্শ্ববর্তী ডোবায় পড়ে যায়-- আরও কয়েকটি বাঘ ওইখানে ছিল---বাঘদের হয়তো জানা ছিল বিপদটা কি আসতে পারে--হ্যাঁ-- কুমীর-- বাচ্চাটা পড়ার সাথে সাথেই ও এসে হাজির--- চোখের পলকেই সব কটা বাঘ পানিতে নেমে পড়লো-- তারপর যা হবার তাই হল-- সে এক হুলস্থূল-- অথচ শোনে এসেছি জলে থাকা কুমীরের চেয়ে ভয়াবহ আর কিছুই নেই।। সেই কুমীরকেই পাড়ে এনে বাঘ কটা ডাঙ্গায় তোলে ভক্ষন করল।। বেচারা কুমীর !!
এতক্ষন ছোটবেলায় দেখা ডিসকভারি চ্যানেলের একটা ভিডিওর কথা বললাম। গাজায় ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরাইলীরা যেভাবে বর্বরতা চালিয়েছে , আশেপাশের বাঘ সিংহ সমেত মুসলিম দেশগুলো ওই পশুদের চেয়ে ও নিকৃষ্ট বর্বর--- আমি ইসরাইলীদের কে দোষ দিচ্ছিনা--- - তাদের জাতিসত্তা টিকিয়ে রাখতে হলে তারা এই ধরনের হত্যা চালিয়ে যাবে -- এটাই তাদের নিয়তি। কারন তারাই একমাত্র জাতি যারা কেয়ামত পর্যন্ত নিজস্ব ভূখণ্ড খুজে বেড়াবে- কোথাও তাদের ঠাই হবে না---
কিন্তু আমরা এমন এক মুসলমান !! ওই পশুদের চেয়ে ও আজ অধম --- নিজেদের জাত ভাইদের মেরে শেষ করে দিলো অথচ প্রতিবেশী দেশ হয়ে ও একটা বিবৃতি দিতে পারলনা।
এখন সময় হয়েছে নিজেকে দোষ দেয়ার --- অন্যকে দোষে আর লাভ নেই----মুসলমানদের এই দুরবস্থার জন্যেই আমরা মুসলিমরাই দায়ী-- ভাবতেই কষ্ট হয়--- দম বন্ধ হয়ে আসে-- এত বড় বড় মুসলিম দেশ তাও আবার একটিতে নবীজি শুয়ে আছেন আর তার পাশেই ইসরাইল মুসলিম নিধনে মত্ত ছিল--- ওহে... আমাদের ওমর-- কোথায় আমাদের সালাহউদ্দিন--একবার হলেও অন্তত উঠে এসো-- ফিলিস্তিনি বাচ্চাদের এই নিষ্প্রাণ দেহ গুলো যে আমদের ক্ষমা করবেনা।।

প্রসঙ্গ ২ঃ
ফিলিস্তিনিরা মারা গেল-- যদিও বা আপাত দৃষ্টিতে এটা সহ্য করা কষ্টকর তবুও বলবো ইসরাইলের নাম মুছে দেয়ার জন্যে এটার বড়ই প্রয়োজন ছিল---ইউরোপের নানা প্রান্ত থেকে উঠে আসা রিলিজিওন পারসিকিউসনের চক্রতে পড়ে যারা এক সময় শরণার্থী হিসেবে ঠাই নিয়েছিল ফিলিস্তিনে আজ তারাই হন্তারক-- অবশ্য এই অবস্থার জন্যে শুধু ওরাই দায়ী নয় । ব্রিটিশ---আজ পর্যন্ত জাতিগত দাঙ্গার সব মুলে ছিল এই ব্রিটিশ--নাৎসিদের হলোকাস্টের পরে যখন ইহুদিরা উদ্ভাস্তু কোথাও ভুমি খুজে পাচ্ছিলনা তখন এই ব্রিটিশরাই তাদের অধিকৃত ফিলিস্তিন এলাকায় এদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে---
ইহুদীরা অভিশপ্ত জাতি-- এটা তারা নিজেরাও জানে--আমি কয়েকজন কে চিনি -- পরিচয়ই দিতে চায় না নিজেদের-- অস্থিত্ত রক্ষার প্রশ্নে সদা ভীত এই জাতি নিজেদের কে টিকিয়ে রাখতে গিয়ে অন্য সবার উপর চড়াও হয়ে আসছে-- সব কিছুর মধ্যেও একটা ভাল দিক থাকে-- ফিলিস্তিনিদের এই শাহাদতের মধ্য দিয়ে সুযোগ এসেছিল সমস্ত মুসলমানদের একত্রিত হওয়ার--কিন্তু দুঃখ লাগে মুসলামানরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলনা। আফসোস!!

প্রসঙ্গ ৪ঃ
ফেসবুকে সবাই হিটলারকে উপজীব্য করে ওর কিছু কথা তোলে ধরছিলেন ---আপনারা কি জানতেন ব্যক্তিগত জিঘাংসা থেকেই হিটলার একটি পুরো ধর্মীও জন গুষ্টিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল ??-- সে এক রহস্যজনক ব্যাপার ! আমরা কি জানি একটা অন্যায় কে রুখতে গিয়ে নতুন আরেকটা অন্যায় করেছি !! ধর্ম বর্ণ ব্যতিরেকে মানবতা যদি হয় আসল বিষয় তাহলে আমি বলবো হিটলারের এসব কথা তোলে ধরাও অমানবিক, এক ধরনের বর্বরতা এবং নিজ ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতার পরিচয় দেয়া --- হ্যাঁ সে ইহুদী মেরেছে-- তবে ইহুদীর আগে ওরাও মানুষ -- কোন ধরনের মানব হত্যাকাণ্ড ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয় একমাত্র যুদ্ধের ময়দানের জিহাদ ব্যতীত। অতএব আসুন ভবিষ্যতে এরকম পরিস্থিতিতে সঠিক ভাবে প্রতিবাদ করি--যৌক্তিক ভাবে রুখে দাড়াই।
একটা বাঘের ছানা পার্শ্ববর্তী ডোবায় পড়ে যায়-- আরও কয়েকটি বাঘ ওইখানে ছিল---বাঘদের হয়তো জানা ছিল বিপদটা কি আসতে পারে--হ্যাঁ-- কুমীর-- বাচ্চাটা পড়ার সাথে সাথেই ও এসে হাজির--- চোখের পলকেই সব কটা বাঘ পানিতে নেমে পড়লো-- তারপর যা হবার তাই হল-- সে এক হুলস্থূল-- অথচ শোনে এসেছি জলে থাকা কুমীরের চেয়ে ভয়াবহ আর কিছুই নেই।। সেই কুমীরকেই পাড়ে এনে বাঘ কটা ডাঙ্গায় তোলে ভক্ষন করল।। বেচারা কুমীর !!
এতক্ষন ছোটবেলায় দেখা ডিসকভারি চ্যানেলের একটা ভিডিওর কথা বললাম। গাজায় ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরাইলীরা যেভাবে বর্বরতা চালিয়েছে , আশেপাশের বাঘ সিংহ সমেত মুসলিম দেশগুলো ওই পশুদের চেয়ে ও নিকৃষ্ট বর্বর--- আমি ইসরাইলীদের কে দোষ দিচ্ছিনা--- - তাদের জাতিসত্তা টিকিয়ে রাখতে হলে তারা এই ধরনের হত্যা চালিয়ে যাবে -- এটাই তাদের নিয়তি। কারন তারাই একমাত্র জাতি যারা কেয়ামত পর্যন্ত নিজস্ব ভূখণ্ড খুজে বেড়াবে- কোথাও তাদের ঠাই হবে না---
কিন্তু আমরা এমন এক মুসলমান !! ওই পশুদের চেয়ে ও আজ অধম --- নিজেদের জাত ভাইদের মেরে শেষ করে দিলো অথচ প্রতিবেশী দেশ হয়ে ও একটা বিবৃতি দিতে পারলনা।
এখন সময় হয়েছে নিজেকে দোষ দেয়ার --- অন্যকে দোষে আর লাভ নেই----মুসলমানদের এই দুরবস্থার জন্যেই আমরা মুসলিমরাই দায়ী-- ভাবতেই কষ্ট হয়--- দম বন্ধ হয়ে আসে-- এত বড় বড় মুসলিম দেশ তাও আবার একটিতে নবীজি শুয়ে আছেন আর তার পাশেই ইসরাইল মুসলিম নিধনে মত্ত ছিল--- ওহে... আমাদের ওমর-- কোথায় আমাদের সালাহউদ্দিন--একবার হলেও অন্তত উঠে এসো-- ফিলিস্তিনি বাচ্চাদের এই নিষ্প্রাণ দেহ গুলো যে আমদের ক্ষমা করবেনা।।

প্রসঙ্গ ২ঃ
ফিলিস্তিনিরা মারা গেল-- যদিও বা আপাত দৃষ্টিতে এটা সহ্য করা কষ্টকর তবুও বলবো ইসরাইলের নাম মুছে দেয়ার জন্যে এটার বড়ই প্রয়োজন ছিল---ইউরোপের নানা প্রান্ত থেকে উঠে আসা রিলিজিওন পারসিকিউসনের চক্রতে পড়ে যারা এক সময় শরণার্থী হিসেবে ঠাই নিয়েছিল ফিলিস্তিনে আজ তারাই হন্তারক-- অবশ্য এই অবস্থার জন্যে শুধু ওরাই দায়ী নয় । ব্রিটিশ---আজ পর্যন্ত জাতিগত দাঙ্গার সব মুলে ছিল এই ব্রিটিশ--নাৎসিদের হলোকাস্টের পরে যখন ইহুদিরা উদ্ভাস্তু কোথাও ভুমি খুজে পাচ্ছিলনা তখন এই ব্রিটিশরাই তাদের অধিকৃত ফিলিস্তিন এলাকায় এদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে---
ইহুদীরা অভিশপ্ত জাতি-- এটা তারা নিজেরাও জানে--আমি কয়েকজন কে চিনি -- পরিচয়ই দিতে চায় না নিজেদের-- অস্থিত্ত রক্ষার প্রশ্নে সদা ভীত এই জাতি নিজেদের কে টিকিয়ে রাখতে গিয়ে অন্য সবার উপর চড়াও হয়ে আসছে-- সব কিছুর মধ্যেও একটা ভাল দিক থাকে-- ফিলিস্তিনিদের এই শাহাদতের মধ্য দিয়ে সুযোগ এসেছিল সমস্ত মুসলমানদের একত্রিত হওয়ার--কিন্তু দুঃখ লাগে মুসলামানরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলনা। আফসোস!!

প্রসঙ্গ ৪ঃ
ফেসবুকে সবাই হিটলারকে উপজীব্য করে ওর কিছু কথা তোলে ধরছিলেন ---আপনারা কি জানতেন ব্যক্তিগত জিঘাংসা থেকেই হিটলার একটি পুরো ধর্মীও জন গুষ্টিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল ??-- সে এক রহস্যজনক ব্যাপার ! আমরা কি জানি একটা অন্যায় কে রুখতে গিয়ে নতুন আরেকটা অন্যায় করেছি !! ধর্ম বর্ণ ব্যতিরেকে মানবতা যদি হয় আসল বিষয় তাহলে আমি বলবো হিটলারের এসব কথা তোলে ধরাও অমানবিক, এক ধরনের বর্বরতা এবং নিজ ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতার পরিচয় দেয়া --- হ্যাঁ সে ইহুদী মেরেছে-- তবে ইহুদীর আগে ওরাও মানুষ -- কোন ধরনের মানব হত্যাকাণ্ড ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয় একমাত্র যুদ্ধের ময়দানের জিহাদ ব্যতীত। অতএব আসুন ভবিষ্যতে এরকম পরিস্থিতিতে সঠিক ভাবে প্রতিবাদ করি--যৌক্তিক ভাবে রুখে দাড়াই।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১৪ ভোর ৬:২০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এইচ এস সি রেজাল্ট ২০২৬ -ঢাকা বোর্ড

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৯

খুব অদ্ভুত ব্যাপার। আমাদের সময়ে চলে এলো নাকি? সেই চার দশক আগের মতন !
যা তথ্য পেলামঃ

In the 2026 HSC examinations, a total of 297,621 candidates appeared... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেখে শূন্য চাকত

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২


কেমন করে সাজাও তুমি?
কলমের সাথে- খাতার প্রেম,
মাটির সাথে মৃত্যুর লাশ,
ঘাসের গায়ে ঘাসফড়িংর কাশ।
শেষ বিকালে ভাবনার সাথে
চিন্তার হয় রে অবকাশ-
সবিই যেনো শূন্যে প্রেমে আশ
হাত গুটানো-জীবনের নাশ;
বাস্তবতার হয় নির্দয় স্বার্থপর
সময়ের শুধুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের হ্যালোইন উদযাপন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩


আজ ছিল হ্যালোইন। এই উৎসব ফসল কাটার মৌসুমের শেষ ও শীতের শুরু - এই উপলক্ষে হলেও বছরের এ সময়ে কানাডায় ঠান্ডা পড়ে যায়। তবে আজ আবহাওয়া ছিল ভালো। সারাদিন রোদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×