~১টা পিঁপড়ার জন্য কোন ‘পিঁপড়া দিবস’ হয়না,
যেমন হাতির জন্যও ‘হাতি দিবস’ হয়না।
সবচেয়ে ক্ষুদ্রতর প্রানী হিসেবে পিঁপড়ার
হয়তো কোন আফসোস বা অপমানবোধ নেই,
কারন তার নিজের সৃষ্টিতে কোন ক্ষমতা বা হাত
নেই। পিঁপড়ার অপমান হয়তো তখনি হতো, যখন
কিছু পিঁপড়া মিলে ১টি “পিপড়া দিবস” বানিয়ে, তাদের
ক্ষুদ্রতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর
সাথে সাথে, হাতির মত কলাগাছ খেয়ে শক্তিশালী হয়ে ১০ টন ওজন টেনে নেবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করতো। পিঁপড়া বরং তার নিজ দায়িত্ব নিয়েই চিন্তিত। আর তাই ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ মানুষের কাছেও পিঁপড়া অনুকরনীয় পরোপোকারি, পরিশ্রমী প্রানী হিসেবে।
নারীকে জবরদোস্তি সর্বক্ষেত্রে (লিটারেলি সর্বক্ষেত্রেশারীরিক, মানসিক যোগ্যতায়, সবলতায়, অধিকারে, কর্মক্ষেত্রে, মাঠে ময়দানে) পুরুষের সমকক্ষ বানানোর যে এজেন্ডা, তা প্রতিবছর আমার মত মানুষদের একবার করে কেবল অপমানই করে যায়।
আমি নারী, আশারাফুল মাখলুকাত আমিও। নারী বলেই সৃষ্টিকর্তা আমার সম্মান ১ ধাপ নিচে নামিয়ে দেননি। তাই তুমিও দয়া করে আমার জন্য ১টি মাত্র দিবস উৎসর্গ করে আমার সম্মান কমাতে এসো না। আমার জন্য পোষাক নির্ধারন করোনা, বিশেষ দিবসে পোষাকের বিশেষ রঙও নির্ধারন করোনা। আমার পোষাকও আমার স্রষ্ঠা নির্ধারিত। সমধিকার আদায়ের জন্য সমযোগ্যতা অর্জনের নির্ধারনী পরীক্ষায় অবতীর্ন হয়ে আমি স্কুটি চালাতে পারবোনা, বাসে ধাক্কাধাক্কি করে পুরুষের সাথে দাঁড়িয়ে থাকতেও পারবোনা, রাস্তায়
ইটও ভাংতে পারবোনা।
আমার শান্তি, সম্মান, নিরাপত্তা, অধিকার সব কিছুই আমার স্রষ্ঠা নির্ধারিত গন্ডীর মধ্যেই কারন আমার উপর অধিকার একমাত্র তাঁরই আছে যিনি আমায় সৃষ্টি করেছেন। বিশেষ দিবসে তোমাদের এ জ্বালাময়ী ভাষন, কিছু নারীবাদী এজেন্ডা, মগজ ধোলাই এর কপচানি বরং তোমাদের কাছেই রাখো।
আমাকে ‘নারী’ হিসেবেই বাঁচতে দাও। নারীর শরীরে পুরুষের হৃদয় ও মস্তিষ্ক ধারন করার মত গর্ধব আমি হতে চাই না। নারীকে নারী ও পুরুষকে পুরুষের মত করে ভাবতে দেয়া, বাঁচতে দেয়া, কাজ করতে দেয়া ও সম্মান দেয়াই পৃথিবীতে মানব সম্পদের বেষ্ট অপটিমাম ইউটিলাইজেশনের স্রষ্ঠা নির্ধারিত পন্থা।~
--- জাযাকী আল্লাহ্ খাইরান "নিশাত" আপু , আমার মনের না বলা কথাগুলো লিখার জন্য।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





