somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নামাযঃ মুসলিম এবং কাফিরের মধ্যে পার্থক্য

০২ রা জুলাই, ২০১৪ সকাল ৭:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আস-সালামু আলাইকুম, এই ব্লগে এটি আমার প্রথম পোস্ট। এই পোস্টটি ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ নামাযের প্রয়োজনীয়তার ব্যপারে। ইন শা আল্লাহ্‌ আযযাওয়াজাল এই লেখাটি দিয়ে আমি আপনাদেরকে নামাযের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে পারবো।

আমাদের দেশের বর্তমান সমাজে নামায বাদ দেওয়া একটি কমন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, আমাদের মধ্যে বলতে গেলে অনেক বড় একটি সংখ্যার মানুষকে দেখা যায় সারা সপ্তাহ নামাযের ধারে কাছেও যান না, শুধু শুক্রবার মসজিদে গিয়ে কোনও মতে জুম'আর দুই রাক্বাআত ফরয নামায পড়েই কিভাবে মসজিদ থেকে তারাতারি বের হওয়া যায় তার জন্য মসজিদের দরজায় মোটামুটি ট্রাফিক জ্যাম বানিয়ে ফেলেন! আবার অনেকের হয়তবা এতটুকু পর্যন্তও যাওয়া হয়না।

যাই হোক নামাযকে আমাদের আরো অনেক বেশি সিরিয়াসলি নেওয়া উচিৎ, এবং মনে রাখা উচিত, প্রত্যেক মুসলমানের পাঁচ ওয়াক্ত নামায অবশ্যই অবশ্যই পড়তে হবে। কেন পড়তে হবে তার কারণ সংক্ষেপে নিচে পেশ করলাম।

সালাতের/ নামাযের প্রয়োজনীয়তা বর্ণিত হয়েছে এমন কিছু আয়াত এবং আহাদীস আমি এই আর্টিকেলে শেয়ার করেছি, এখানে ফরয নামাযের কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছে, যা প্রত্যেক মুসলিমের দিনে পাঁচ বার আদায় করতে হয়।

সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও। (সুরা বাক্বারা, আয়াতঃ ২৩৮)

জাবির বিন আব্দুল্লাহ্‌ হতে বর্ণিতঃ আমি রাসুলাল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ একজন মানুষ (মুসলিম) এবং শির্‌ক এবং কুফ্‌র এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায পরিত্যাগ করা। (সাহিহ্‌ মুসলিমঃ কিতাব-উল-ঈমানঃ কিতাব ০০১, নাম্বারঃ ০১৪৭)

নবী-এ-করীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের মধ্যে এবং তাদের (কুফফার/ গায়ের মুসলিম) মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায, সুতরাং যেই নামায পরিত্যাগ করে নিঃসন্দেহে সে কুফ্‌র করে। (তিরমীযি, কিতাব-উল-ঈমান, ইমাম তিরমীযি, ইমাম নাসাঈ এবং আল্লামা ইরাকী হতে থেকে সাহিহ্‌ ঘোষিত, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন পৃঃ ৮০)

রাসূল-এ-কারীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একজন বান্দা(মুসলিম) এবং শির্‌কের মধ্যে পার্থক্য হল নামায পরিত্যাগ করা। যখন সে নামায ত্যাগ করে, সে শির্‌ক করে। (ইবন্‌ মাজাহ্‌, সাহিহ্‌ জামি-উল-সাগীর, দ্বিতীয় খন্ড, পৃঃ ৯৫, সনদঃ সাহিহ্‌, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন, পৃঃ ৮০)

উপর্যুক্ত আহাদীস থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে নামায পরিত্যাগ করা কুফ্‌র এবং শির্‌ক, নিচের আয়াতে
দেখুনঃ

নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক শির্‌ক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। (সুরা নিসা, আয়াতঃ ৪৮)

আল্লাহ্‌ আযযাওয়াজাল আরো বলেনঃ অবশ্য তারা (কুফফার) যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (সুরা তাওবা, আয়াতঃ ১১)

উপর্যুক্ত আয়াত থেকে আমরা এটা অনুধাবন করতে পারি যে একজন মানুষকে দ্বীনী ভাই হওয়ার জন্য নামাযও পড়তে হবে।

ইবন্‌ উমর হতে বর্ণিতঃ
রাসূলাল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসালাম বলেনঃ আমি আদেশপ্রাপ্ত (আল্লাহ্‌ হতে) মানুষের সাথে অতক্ষন পর্যন্ত যুদ্ধ করতে যতক্ষন পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য দেয়ঃ

(১) আল্লাহ্‌ ছাড়া অপর কারো ইবাদত পাওয়ার অধিকার নেই, এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম)
(২) এবং নামায আদায় করা,
(৩) এবং যাকাত প্রদান করা।

যদি তারা এসব সম্পন্ন করে, তাহলে তারা তাদের জীবন এবং সম্পদ আমার কাছ থেকে রক্ষা করে, তবে শরিআত এবং তাদের হিসাব আল্লাহ্‌র মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। (সাহিহ্‌ বুখারী, কিতাব-উল-ঈমানঃ খন্ড ১, কিতাব ২, নাম্বার ২৪)

উপর্যুক্ত হাদীসটি আমাদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, রাসূলাল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য কোন মানদন্ড দিয়েছেন। এই হাদীসটি তাদের অনুধাবন করা উচিৎ যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবী করে কিন্তু দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে না।
সালাতের/ নামাযের প্রয়োজনীয়তা বর্ণিত হয়েছে এমন কিছু আয়াত এবং আহাদীস আমি এই আর্টিকেলে শেয়ার করেছি, এখানে ফরয নামাযের কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছে, যা প্রত্যেক মুসলিমের দিনে পাঁচ বার আদায় করতে হয়।

সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও। (সুরা বাক্বারা, আয়াতঃ ২৩৮)

জাবির বিন আব্দুল্লাহ্‌ হতে বর্ণিতঃ আমি রাসুলাল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ একজন মানুষ (মুসলিম) এবং শির্‌ক এবং কুফ্‌র এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায পরিত্যাগ করা। (সাহিহ্‌ মুসলিমঃ কিতাব-উল-ঈমানঃ কিতাব ০০১, নাম্বারঃ ০১৪৭)

নবী-এ-করীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের মধ্যে এবং তাদের (কুফফার/ গায়ের মুসলিম) মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায, সুতরাং যেই নামায পরিত্যাগ করে নিঃসন্দেহে সে কুফ্‌র করে। (তিরমীযি, কিতাব-উল-ঈমান, ইমাম তিরমীযি, ইমাম নাসাঈ এবং আল্লামা ইরাকী হতে থেকে সাহিহ্‌ ঘোষিত, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন পৃঃ ৮০)

রাসূল-এ-কারীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একজন বান্দা(মুসলিম) এবং শির্‌কের মধ্যে পার্থক্য হল নামায পরিত্যাগ করা। যখন সে নামায ত্যাগ করে, সে শির্‌ক করে। (ইবন্‌ মাজাহ্‌, সাহিহ্‌ জামি-উল-সাগীর, দ্বিতীয় খন্ড, পৃঃ ৯৫, সনদঃ সাহিহ্‌, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন, পৃঃ ৮০)

উপর্যুক্ত আহাদীস থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে নামায পরিত্যাগ করা কুফ্‌র এবং শির্‌ক, নিচের আয়াতে
দেখুনঃ

নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক শির্‌ক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। (সুরা নিসা, আয়াতঃ ৪৮)

আল্লাহ্‌ আযযাওয়াজাল আরো বলেনঃ অবশ্য তারা (কুফফার) যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (সুরা তাওবা, আয়াতঃ ১১)

উপর্যুক্ত আয়াত থেকে আমরা এটা অনুধাবন করতে পারি যে একজন মানুষকে দ্বীনী ভাই হওয়ার জন্য নামাযও পড়তে হবে।

ইবন্‌ উমর হতে বর্ণিতঃ
রাসূলাল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসালাম বলেনঃ আমি আদেশপ্রাপ্ত (আল্লাহ্‌ হতে) মানুষের সাথে অতক্ষন পর্যন্ত যুদ্ধ করতে যতক্ষন পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য দেয়ঃ

(১) আল্লাহ্‌ ছাড়া অপর কারো ইবাদত পাওয়ার অধিকার নেই, এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম)
(২) এবং নামায আদায় করা,
(৩) এবং যাকাত প্রদান করা।

যদি তারা এসব সম্পন্ন করে, তাহলে তারা তাদের জীবন এবং সম্পদ আমার কাছ থেকে রক্ষা করে, তবে শরিআত এবং তাদের হিসাব আল্লাহ্‌র মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। (সাহিহ্‌ বুখারী, কিতাব-উল-ঈমানঃ খন্ড ১, কিতাব ২, নাম্বার ২৪)

উপর্যুক্ত হাদীসটি আমাদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, রাসূলাল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য কোন মানদন্ড দিয়েছেন। এই হাদীসটি তাদের অনুধাবন করা উচিৎ যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবী করে কিন্তু দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে না।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১৪ সকাল ৭:৫৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ট্রাম্প চাচা ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫


সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ভোট দিয়ে এসে অনেকক্ষণ ধরেই অপক্ষো করছিলাম কখন সন্ধ্যা হবে সে প্রত্যাশায়। সন্ধ্যার পর মোটামুটি বসে গিয়েছিলাম ফলাফলের উপর টেলিভিশনে বিশেষ আলোচনা দেখার জন্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্ধ দুয়ার"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪


"বন্ধ দুয়ার"

ক্লান্ত এ সপ্তাহে শুনি, আজ কারো কাজ নাই,
বন্ধ কারখানায় তালা, কোথা যাব তবে ভাই?
ছুটা বুয়া হয়ে খাটা, সে সুযোগও মেলা ভার,
তরুণী দেখিয়া মোরে, কেহ খোলে না যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

"আমেরিকাকে আবার মহান করব" বলে এসে যিনি দুনিয়ার সবাইকে বিরক্ত করলেন, ভোটাররা তাঁকে জানিয়ে দিলেন: হুমকি ধমকি আর উম্মাতাল আঁতলামির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×